টপ এন্ড টি-টোয়েন্টি
প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৩ আগস্ট ২০২৫ ১৭:৫৮ পিএম
আপডেট : ২৩ আগস্ট ২০২৫ ১৭:৫৯ পিএম
টপ এন্ড টি-টোয়েন্টি সিরিজে প্রথম পাঁচ ম্যাচের মধ্যে মাত্র দুটি জয়ে সেমিফাইনালে জায়গা করে নিতে হলে শেষ ম্যাচে কেবল জয় নয়, নেট রানরেটের জটিল সমীকরণও মেলানো জরুরি ছিল বাংলাদেশ ‘এ’ দলের। কিন্তু ডারউইনে গুরুত্বপূর্ণ সেই ম্যাচে অ্যাডিলেড স্ট্রাইকার্স একাডেমির কাছে ৭ উইকেটের বড় হারে সেমির স্বপ্নভঙ্গ হলো নুরুল হাসান সোহানের দলের।
প্রথমে ব্যাট করে
বাংলাদেশ ‘এ’
দল ২০ ওভারে ৪ উইকেটে তোলে ১৭৫ রান। দলের হয়ে ইনিংসের গোড়াপত্তনে ব্যাট হাতে দারুণ
সূচনা এনে দেন ওপেনার জিশান আলম। একপ্রান্ত আগলে রেখে ৩৮ বলে ৫০ রানের দায়িত্বশীল ইনিংস
খেলেন তিনি। তবে অপর প্রান্তে ব্যর্থ ছিলেন ওপেনার নাঈম শেখ ও তিনে নামা সাইফ হাসান।
দুজনই করেন সমান ১৫ রান করে, যথাক্রমে ১৭ ও ১৯ বল খরচায়। এই ধীরগতির ইনিংস দলের রানের
গতি কিছুটা কমিয়ে দেয়।
তবে মিডল অর্ডারে
ঝড় তোলেন আফিফ হোসেন ও ইয়াসির আলি। শেষ পাঁচ ওভারে এই দুজনের ব্যাটে আসে ৭০ রান।দুজনই
অপরাজিত ছিলেন। আফিফ ২৩ বলে ৪৯ এবং ইয়াসির ১৫ বলে ২৫ রানে থেকে দলকে এনে দেন লড়াকু
সংগ্রহ।
তবে ব্যাটসম্যানদের
প্রচেষ্টা ধূলিসাৎ করে দেয় বোলারদের অনুজ্জ্বল পারফরম্যান্স। ১৭৬ রানের লক্ষ্য তাড়ায়
অ্যাডিলেড স্ট্রাইকার্স একাডেমি শুরু থেকেই ছিল দাপুটে। ওপেনার জেক উইন্টার ও ম্যাককেঞ্জি
হার্ভি গড়েন ১২৩ রানের জুটি। ১৩তম ওভারে মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরীর বলে উইন্টার আউট হলে ভাঙে
উদ্বোধনী জুটি। পরের ওভারে সাইফ হাসান আরও দুটো উইকেট তুলে নিলেও ম্যাচে ফেরা হয়নি
বাংলাদেশের।
বাকি কাজ সেরে ফেলেন
অপরাজিত থাকা হার্ভি। ১০২ রানের ঝলকানো ইনিংস খেলে দলকে ১৮.১ ওভারে পৌঁছে দেন জয়ের
বন্দরে। বাংলাদেশের পক্ষে সাইফ হাসান ২টি ও মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী ১টি উইকেট শিকার করেন।
সব মিলিয়ে ব্যাটে আশা জাগালেও বোলিংয়ে ব্যর্থতা ও প্রতিপক্ষের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের কাছে হার মানতে হয় বাংলাদেশ ‘এ’ দলকে। ফলে টপ অ্যান্ড টি-টোয়েন্টি সিরিজের গ্রুপ পর্ব থেকেই হতাশাজনক বিদায় নিতে হলো সোহানদের।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
বাংলাদেশ ‘এ’: ২০ ওভারে ১৭৫/৪ (জিসান ৫০, আফিফ ৪৯*, ইয়াসির ২৫*, নাঈম ১৫, সাইফ ১৫; জ্যাকবস ৩/৩৩।
অ্যাডিলেড স্ট্রাইকার্স একাডেমি: ১৮.১ ওভারে ১৭৯/৩ (হার্ভি ১০২*, উইন্টার ৩৫, মানেন্টি ২৫*; সাইফ ২/২৮, মৃত্যুঞ্জয় ১/৩২)
ফল: অ্যাডিলেড স্ট্রাইকার্স একাডেমি ৭ উইকেটে জয়ী।
ম্যান অব দ্য ম্যাচ: ম্যাকেঞ্জি হার্ভি।