প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২০ আগস্ট ২০২৫ ১৬:৩১ পিএম
আপডেট : ২০ আগস্ট ২০২৫ ১৬:৩২ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
বিশ্বকাপ খেলতে এসেছেন, চোখে রঙিন স্বপ্ন। অথচ সেই খেলোয়াড়দেরই কাউকে কাউকে সংসার চালাতে হচ্ছে সম্পত্তি বন্ধক রেখে কিংবা মানুষের কাছে টাকা তুলে।এ যেন খেলাধুলার আড়ালে এক কঠিন বাস্তবতা। এমনই পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে নারী রাগবি বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া সামোয়ার জাতীয় দল। দলের ৩২ সদস্যের মধ্যে অর্ধেক খেলোয়াড়ই ব্যক্তিগতভাবে তহবিল সংগ্রহ করে নিজ নিজ সংসার চালাচ্ছেন বলে দাবি করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান।
ইংল্যান্ডে আগামী শুক্রবার
শুরু হচ্ছে নারী রাগবি বিশ্বকাপের জমকালো আয়োজন। প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া ১৬টি দলের
আর্থিক অবস্থা নিয়ে এক জরিপ চালিয়েছে দ্য গার্ডিয়ান। সেখানে দেখা গেছে, বিশেষ করে সামোয়ার
খেলোয়াড়রা অর্থনৈতিক দিক থেকে সবচেয়ে সংকটে রয়েছেন। দলের ৩৬ বছর বয়সী খেলোয়াড় নিনা
ফোয়েসে জানিয়েছেন, তিন সন্তানসহ পরিবারের খরচ মেটাতে তাঁকে মানুষজনের কাছ থেকে সাহায্য
নিতে হয়েছে। পেশায় সহায়ক যুবকর্মী ফোয়েসে বলেন, “আমি যতটা
অনুদান পেয়েছি, তা আমার কল্পনার বাইরে ছিল। মানুষ আমাকে স্পন্সর করতে এতটা আগ্রহী হবে,
ভাবিনি কখনও। আমি সত্যিই কৃতজ্ঞ ও বিস্মিত।”
বিশ্বকাপে খেলার ডাক
পাওয়ার পরই তহবিল সংগ্রহের চিন্তা মাথায় আসে তাঁর। ফোয়েসে জানান, “আমাদের দল আলোচনা করছিল যে, কে কীভাবে ব্যক্তিগতভাবে নিজেদের আর্থিক
যোগান মেটাবে। প্রথমে দ্বিধায় ছিলাম, কিন্তু আমাকে বলা হলো বাড়িতে সন্তানদের দেখভালের খরচসহ জীবনযাত্রার জন্য সহায়তা প্রয়োজন
হতে পারে।”
বিশ্ব রাগবি ফেডারেশন
বিশ্বকাপ চলাকালীন সব দলের বিমানভাড়া ও আবাসনের খরচ বহন করলেও খেলোয়াড়দের বেতন বা যথাযথ
ভাতা দেওয়ার ক্ষেত্রে ঘাটতি রয়েছে। সামোয়া দলের খেলোয়াড়দের দেওয়া হয় মাত্র সামান্য
ভাতা, কোনো চুক্তিভিত্তিক বেতন নয়। যদিও অন্যান্য দলের খেলোয়াড়রা স্বল্প পরিমাণে হলেও
বেতন পান। এই বৈষম্য সামোয়ার খেলোয়াড়দের আর্থিক দুরবস্থাকে আরও প্রকট করে তুলেছে।