প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৫ আগস্ট ২০২৫ ১৫:২৩ পিএম
২০১৬ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয়েরে মুহূর্ত ছবি: সংগৃহীত
‘ক্রিকেটের বাইবেল’ খ্যাত মর্যাদাপূর্ণ ক্রীড়া সাময়িকী উইজডেন একবিংশ শতাব্দীর সেরা ১৫টি টেস্ট সিরিজের তালিকা প্রকাশ করেছে। তালিকায় ঠাঁই পেয়েছে বাংলাদেশের দুটি স্মরণীয় সিরিজ।একটিতে জয়, অন্যটিতে রয়েছে হারের গল্প।
২০১৬ সালে ইংল্যান্ডের
বিপক্ষে ঘরের মাঠে অনুষ্ঠিত দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ জায়গা পেয়েছে ১৫তম স্থানে। এই
সিরিজেই আন্তর্জাতিক টেস্টে অভিষেক হয়েছিল তরুণ স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজের। চট্টগ্রামে
প্রথম টেস্টে সাব্বির রহমানের লড়াকু ইনিংস সত্ত্বেও পরাজয় বরণ করতে হয় বাংলাদেশকে।
তবে মিরপুরে দ্বিতীয় টেস্টে মিরাজের দুর্দান্ত বোলিং নৈপুণ্যে ইতিহাস রচনা করে টাইগাররা।
বাংলাদেশের দেওয়া ২৭৩ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে একসময় ১০০ রান তুলেছিল ইংল্যান্ড
বিনা উইকেটে, সেখান থেকে মাত্র ৬৪ রানে শেষ ১০ উইকেট হারায় তারা। মিরাজ একাই শিকার
করেন ৬ উইকেট, সাকিব আল হাসান নেন বাকি ৪টি। ম্যাচ শেষে ১০৮ রানের ঐতিহাসিক জয় নিয়ে
সিরিজ ১-১ সমতায় শেষ করে বাংলাদেশ।
অন্যদিকে, ৭ নম্বরে
স্থান পেয়েছে ২০২১ সালে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ, যা ছিল কোভিড-পরবর্তী
সময়ের একটি চমকপ্রদ লড়াই। অনেকেই ভেবেছিলেন, দ্বিতীয় সারির স্কোয়াড নিয়ে আসা ক্যারিবিয়ানদের
পক্ষে সিরিজ জয় সম্ভব নয়। কিন্তু চট্টগ্রাম টেস্টেই কাইল মেয়ার্সের ২১০ রানের অপরাজিত
ইনিংস ওয়েস্ট ইন্ডিজকে এনে দেয় ৩ উইকেটের অবিশ্বাস্য জয়। মিরপুরে দ্বিতীয় টেস্টেও দারুণ
প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়, তবে শেষ হাসি হাসে সফরকারী দল। দুই ম্যাচেই জয় নিয়ে সিরিজ ২-০
ব্যবধানে নিজেদের করে নেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
তালিকার শীর্ষস্থান
দখল করেছে ২০২০-২১ মৌসুমে ভারতের অস্ট্রেলিয়া সফর, যেখানে অ্যাডিলেডে প্রথম টেস্টে
মাত্র ৩৬ রানে অলআউট হওয়ার পরও ভারত অসাধারণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জিতে
নেয়। উইজডেনের মতে, এটি একুশ শতকের সেরা প্রত্যাবর্তনের গল্প।
এছাড়াও তালিকার ৪ নম্বরে
রয়েছে ২০২৩ সালের অস্ট্রেলিয়া-ইংল্যান্ড অ্যাশেজ, যা ২-২ ব্যবধানে ড্র হয়েছিল। ৫ নম্বরে
রাখা হয়েছে ২০২৪ সালের ইংল্যান্ড-ভারতের মধ্যকার ২-২ ব্যবধানে শেষ হওয়া অ্যান্ডারসন-টেন্ডুলকার
ট্রফি।