বললেন ক্রীড়া উপদেষ্টা
প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৪ আগস্ট ২০২৫ ১৬:১৩ পিএম
আপডেট : ১৪ আগস্ট ২০২৫ ১৬:১৩ পিএম
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের নতুন সভাপতি হিসেবে যোগ দেন ফারুক আহমেদ
শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের নতুন সভাপতি হিসেবে যোগ দেন ফারুক আহমেদ। বোর্ড সভাপতি হিসেবে মেয়াদ দীর্ঘ হয়নি সাবেক ক্রিকেটার ও নির্বাচকের। চলতি বছরের মে মাসে তাকে সরিয়ে বিসিবির সভাপতি করা হয় সাবেক ক্রিকেটার আমিনুল ইসলাম বুলবুলকে।
সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বিসিবির অদলবদল নিয়ে কথা বলেন। সেখানে ব্যাখ্যা দেন বিসিবি থেকে ফারুককে সরানো নিয়েও। ক্রীড়া উপদেষ্টা বলেন, ‘ফারুক ভাইকে তো আমরাই ক্রিকেটে এনেছিলাম। ক্রিকেটের স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে কথা বলেই তাকে দায়িত্বটা দেওয়া হয়। এনএসসির কোটায় তাকে পরিচালক করা হয়েছিল, পরে তিনি বিসিবি সভাপতি নির্বাচিত হন। বোর্ডে আরও ৯ জন ডিরেক্টর আছেন। এর মাঝে ৮ জন মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ করেছেন যে, ফারুক আহমেদ স্বেচ্ছাচারিতা করছেন; গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন না এবং গত বিপিএল আয়োজন করতে গিয়ে কী হয়েছে সেটা আপনারা দেখেছেন।’
আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘বিপিএল নিয়ে মন্ত্রণালয় থেকে একটা তথ্য অনুসন্ধান কমিটি করা হয়েছিল। সেই কমিটির রিপোর্ট তাকে সরানোর ক্ষেত্রে বড় নিয়ামক হিসেবে কাজ করেছে। মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়েছিল যে, রাজশাহী ও চট্টগ্রামের যে দল (ফ্র্যাঞ্চাইজি) দেওয়া হচ্ছে, তারা টিম পরিচালনার মতো দক্ষ নয়। দিনশেষে সেটাই হয়েছে। তারা দেশি ও বিদেশি প্লেয়ারদের পারিশ্রমিক দিতে পারেনি। দেশে ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আমাদের মান ক্ষুণ্ন হয়েছে। এগুলোকে কি আপনি ব্যর্থতা বলবেন না?’
সাবেক বিসিবি সভাপতির বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে ক্রীড়া উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের ক্রিকেটের যে ক্রমাগত অবনতি এবং আমি দেখেছি যে, ক্রিকেটের চেয়ে কীভাবে পরবর্তী নির্বাচনে বিসিবি সভাপতি হয়ে আসা যায়, সেজন্য ক্লাব কীভাবে নেওয়া যায় (পক্ষে) এবং বিজনেসের দিকেই তার আগ্রহটা বেশি দেখা গেছে। আমরা গঠনতন্ত্রের বাইরে কিছুই করিনি। মন্ত্রণালয় চাইলে এনএসসির মনোনয়ন উইথড্র করতে পারে। আমরা সেটাই করেছি এবং নতুন একজনকে মনোনয়ন দিয়েছি, যিনি এখন বিসিবি প্রেসিডেন্ট।’