ত্রিদেশীয় সিরিজি
প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১০ আগস্ট ২০২৫ ২১:৫৯ পিএম
দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে শিরোপা জিতল যুবারা
কখনও বল হাতে, কখনও ব্যাট হাতে; যখন যেভাবে সুযোগ পেয়েছেন দেশের জন্য লড়াই করে গেছেন রিজান হোসেন। আজ রবিবার ত্রিদেশীয় সিরিজে অঘোষিত ফাইনাল ম্যাচেও দেখালেন সর্বোচ্চটা। ৫ রানের জন্য শতক মিস হলেও ঠিকই পাঁচ উইকেট তুলে পুষিয়ে নিয়েছেন। তার নিখাঁদ অলরাউন্ডার নৈপুণ্যের দিনে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৩৩ রানে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল।
এদিন বাংলাদেশি
ব্যাটারদের শুরুটা ছিল বাজে। অতিরিক্ত ডট খেলে দলকে রাখে চাপে ওপরের সারির ব্যাটাররা।
৬৫ রানেই বাংলাদেশ হারিয়ে বসে ৩ উইকেট। তবে মিডল অর্ডারের দায়িত্বশীল ভূমিকায় শক্ত
ভিত পায় বাংলাদেশ। বিশেষ করে রিজান হোসেন ও কালাম সিদ্দিকির দুর্দান্ত ব্যাটিং দলকে
বাঁচিয়ে রাখে। রিজান ভালো শুরু করলেও শেষটা ছিল আক্ষেপের। তীরে এসে তরী ডোবানোর মতোই।
ডাবলস নিতে গিয়ে ৯৫ রানে রান আউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন রিজান। শেষ পর্যন্ত ২৬৯ রানের বড়
সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ।
২৭০ রানের লক্ষ্যে
ব্যাট করতে নেমে দুর্দান্ত সূচনা পায় দক্ষিণ আফ্রিকা। ৪৮ বলের ৫৯ রানের উদ্বোধনী জুটি
পায় তারা। আদনান লাগাডিয়েনকে শিকার করে এই জুটি ভাঙেন মোহাম্মদ আল-ফাহাদ। ৩১ বলে ৪০
রান করেন আদনান। তাকে সঙ্গ দিতে থাকা জরিখকেও শিকার করেন ফাহাদ।
৬৬ রানে দুই ওপেনারকে
হারানোর পর তৃতীয় উইকেটে ৪৫ রানের জুটি পায় প্রোটিয়ারা। এই জুটি ভাঙেন রিজান হোসেন।
রিজান শিকার করেন প্রোটিয়া অধিনায়ক মোহাম্মদ বুলবুলিয়াকে। চতুর্থ উইকেটের আরমানকে শিকার
করেন রিজান। তারপর জেসনকে শিকার করেন স্বাধীন ইসলাম। জেসন আউট হলে স্বস্তি পায় বাংলাদেশ।
১৪৯ রানের মধ্যেই প্রোটিয়াদের পাঁচ ব্যাটারকে সাজঘরে ফেরত পাঠায় জুনিয়র টাইগাররা।
দক্ষিণ আফ্রিকার
ষষ্ঠ ও সপ্তম উইকেট পেতেও বেশিক্ষণ সময় লাগেনি যুবাদের। অষ্টম উইকেটে বড় জুটি পায় দক্ষিণ
আফ্রিকা। সনি ও ব্যান্ডিলের এই জুটি বাংলাদেশকেও অস্বস্তিতে ফেলে। ৬৬ বলে ৫৯ রানের
এই জুটি ভাঙেন রিজান। সনিকে শিকার করেন তিনি। দুইটি চার ও একটি ছক্কা হাঁকিয়ে আউট হন
সনি। ৩২ বলে ৩৪ রান আসে তার ব্যাট থেকে। শেষ দুইটি উইকেটও শিকার করেন রিজান। ফলে ফাইফার
পান তিনি।