ত্রিদেশীয় সিরিজি
প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৮ আগস্ট ২০২৫ ২০:৩৫ পিএম
আপডেট : ১২ আগস্ট ২০২৫ ১৫:৫৫ পিএম
জিম্বাবুয়েতে ত্রিদেশীয় যুব ওয়ানডে সিরিজে স্বাগতিকদের হারিয়ে জয়ের ধারা অব্যাহত রেখেছে বাংলাদেশ।দুই ম্যাচ আগেই বাংলোদেশের ফাইনাল নিশ্চিত হয়ে গেছে। আজ শুক্রবার হারারেতে দলীয় দুর্দান্ত পারফরমেন্সে ১৬০ রানের বড় ব্যবধানে জিম্বাবুয়েকে হারায় যুবারা। পাঁচ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে এখন টাইগাররা।
টস জিতে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯কে ব্যাটিং পাঠায় জিম্বাবুয়ে। ম্যাচের দ্বিতীয় ওভারেই ৭ রানের সময় জাওয়াদ আবরারকে হারায় বাংলাদেশ। গত ম্যাচের মতো এবার ও ভালো করতে পারেননি তিনি। শুরুতে হোঁচট খেলেও রিফাত বেগ ও অধিনায়ক তামিমের ধৈর্যশীল ব্যাটিংয়ে ইনিংস লম্বা হতে থাকে। তামিম-রিফাত ১১২ রানের দলীয় সর্বোচ্চ জুটি গড়েন। ১১৯ রানে সময় রিফাত আউট হলে দ্বিতীয় উইকেটের পতন হয় বাংলাদেশের। রিফাত করেন দলের সর্বোচ্চ ৭৭ রান। অল্প কিছু রান যোগ করে বিলিগনাটের বলে আউট হন অধিনায়ক আজিজুল হক তামিম। অধিনায়ক ৩৪ রান করে সাজঘরে ফিরেন। তামিম-রিফাতের পর বাংলাদেশের ব্যাটাররা আর কোন বড় জুটি গড়তে পারেননি। তবে ব্যাটাররা নিজেদের ব্যাটে রান পেয়েছেন্। শেষ দিকে ফরিদ হাসানের অপরাজিত ৩৮ রানের ভর করে বাংলাদেশ ৬ উইকেটে করে ২৮৪ রান। এদিকে জিম্বাবুয়ের হয়ে ৭০ রানের খরচায় সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন শেলটন মাজভিতোরেরা।
২৮৫ রানের জবাবে ব্যাট করতে নামে জিম্বাবুয়ে। কিন্তু বাংলাদেশের বোলিং তোপে তাদের টপ অর্ডাররা দাঁড়াতে পারেনি। ৭ রানরে সময় দলের তৃতীয় ওভারে শাহরিয়ার আল আমিনের বলে আউট হয়ে সাজঘরে ফিরেন কুপাকোয়াশে মুরাদজি। পরের ওভারে আরেকটি উইকেটের পতন। দ্রুব প্যাটেলকে ০ রানে আউট করে সাজঘরে ফেরান মজুমদার। বাংলাদেশের বোলিংয়ের কাছে নাস্তানাবুদ হয়ে গেছে স্বাগতিকদের টপ অর্ডাররা। ৬৫ রানে হারিয়ে ফেলে তাদের পাঁচটি উইকেট। বেনি জুজে ও মাইকেল ব্লিগনট ধীরগতিতে দলীয় স্কোর বড় করতে থাকেন। এ দুজনের ব্যাট থেকে আসে দলীয় সর্বোচ্চ ৫৩ রানের জুটি। ১১৮ রানে বেনি জুজেকে আউট করে ষষ্ঠ উইকেটের পতন্ ঘটান রিজান হোসাইন। ৪৭ রান করে আউট হন জিম্বাবুয়ের এ ব্যাটার। স্কোর বোর্ডে ১ রান যোগ করে আউট হন দলেরে আরেক নির্ভরশীল ব্যাটার মাইকেল ব্লিগনট। সাজঘরে যাওয়ার আগে তিনি করেন ৩০ রানের সংকটকালীন ইনিংস। জুজে- ব্লিগনট জুটি আউট হওয়ার পর তাদের কোন ব্যাটার আর তেমন রানের স্কোর বড় করতে পারে নি। শেষ পর্যন্ত ১২৪ রানে থেমে যায় স্বাগতিকরা। এদিকে, তামিম ও রিজান নেন ৩ করে উইকেট। ২টি নেন আল-আমিন ও ১টি করে নেন মজুমদার ও রাফি।