প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০১ আগস্ট ২০২৫ ২২:২৬ পিএম
আপডেট : ০১ আগস্ট ২০২৫ ২২:৩০ পিএম
টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে পাওয়ার প্লেতে কার্যকরী বোলিংয়ে বিশেষভাবে নজর কেড়েছেন স্পিনার শেখ মেহেদী হাসান। দলে নিয়মিত সুযোগ না মিললেও যখন খেলেছেন নিজের কাজটা ঠিকঠাক পালন করেছেন এই অফস্পিনার। ব্যাটিংটাও করেন টি-টোয়েন্টি আদর্শ মেনে। অল্প বলে বেশি রান করার প্রবণতা তাকে আলাদা করেছে। যে কারণে অলরাউন্ডার কোটায় দলে সুযোগ পান তিনি। তবে ব্যাটিংটা আরও ভালো করার তাগিদ কাজ করছে মেহেদীর মধ্যে। বোলিংয়ের পাশাপাশি ব্যাটিং নিয়ে এবার কাজ করতে চান ৩০ বছর বয়সি স্পিনার।
ঘরের মাঠে সর্বশেষ পাকিস্তান সিরিজটি ২-১ ব্যবধানে জিতে নেয় বাংলাদেশ। তিন ম্যাচেই খেলেছেন মেহেদী। ব্যাটিংয়ে এক ম্যাচে মাঠে নামার সুযোগ মেলেনি। অন্য দুই মাচের একটিতে শূন্যতে আউট হলেও আরেক ম্যাচে করেন ৩৩ রান। ২৫ বলের ইনিংসে দুটি করে বাউন্ডারি ও ছক্কা হাঁকান তিনি। দল ২৮ রানে হারায় ৪ উইকেট। সেই সময় ক্রিজে এসে জাকের আলীর সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ সঙ্গে ৫৩ রানের জুটিতে দলকে লড়াই করার মতো স্কোর দিতে ভূমিকা রাখেন মেহেদী।
১৩৩ রানের পুঁজি নিয়ে শেষ পর্যন্ত ম্যাচ জেতে বাংলাদেশ। এরপর বোলিংয়ে তুলে নেন আগা সালমান ও খুশদিল শাহের উইকেট। দারুণ একটি সিরিজ কাটানোর পর এবার আরও চ্যালেঞ্জ নিয়ে সামনে এগোতে চান এই স্পিনার। সম্প্রতি মেহেদী ক্রিকবাজকে বলেন, ‘নতুন বলে আমার বোলিংকে আরও ক্ষুরধার করা প্রয়োজন। এটি আগের মতো বাজে নয়। তবে আমাকে মানিয়ে নিতে হয়েছে এবং আমি খুশি যে, আমি এটি করতে পেরেছি। যদিও নতুন বলের সেরা বোলার তকমা পাওয়া নিয়ে চিন্তিত নই। আমার একমাত্র লক্ষ্য হলো প্রতিদিন উন্নতি করা। আমি পাওয়ার প্লেতে বোলিং উপভোগ করি এবং সেটা নিয়মিত করে আসছি। এই চ্যালেঞ্জ নেওয়ার জন্য আমি যথেষ্ট অভিজ্ঞ।’
বোলিংয়ের পাশাপাশি ব্যাট হাতে আরও বেশি অবদান রাখতে চান মেহেদী, ‘ব্যাট হাতে অবদান রাখা আমার জন্য গুরুত্বপূর্ণ, আমরা এখন প্রায়ই ব্যাটিং কলাপ্সে পড়ছি। মাঝেমধ্যে আমাকে শুরুতেই খেলতে হচ্ছে। টি-টোয়েন্টিতে বল নরম হলে আমি সাধারণত পাঁচ ওভার ব্যাট করার জন্য প্রস্তুত থাকি, কিন্তু যখন আমি আগে মাঠে নামি, তখন তুলনামূলকভাবে নতুন বলের সঙ্গে মানিয়ে নিতে আমার কিছুটা সময় প্রয়োজন হয়।’
পেসারদের বিপক্ষে মেহেদীর দুর্বলতা স্পষ্ট। সেটা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টায় আছেন ৩০ বছর বয়সি এই অলরাউন্ডার, ‘নেটে সাধারণত টপঅর্ডার ব্যাটসম্যানরা নতুন বলের মুখোমুখি হন। তবে আমার মনে হয় নতুন বলের মোকাবিলায় আমারও প্রস্তুতি নেওয়া উচিত। বিশেষ করে আমাদের টপ পেসারদের বিরুদ্ধে। যারা বল সুইং করায় বা বলের গতি দিয়ে আপনাকে পরীক্ষা করে। আমি বলছি না তাদের সেশনের সময় আমাকে ব্যাট করতে হবে। তবে যখন আমাদের সময় আসে, তখন আমাদের কমপক্ষে দুটি ওভার ভালো গতির বোলারদের বিরুদ্ধে ব্যাট করা উচিত। এভাবে প্রস্তুতি নিলে যখন আমি ওপরে ব্যাট করব, তখন দ্রুত আমার জোনে চলে যেতে পারব।’