× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

আগের পরিকল্পনাতে এগোতে চায় বাংলাদেশ

প্রবা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১৬ জুলাই ২০২৫ ১৮:২৬ পিএম

আগের পরিকল্পনাতে এগোতে চায় বাংলাদেশ

টেস্ট ও ওয়ানডের মতো টি টোয়েন্টিও খারাপ সময় পার করছিল বাংলাদেশ। কুড়ি কুড়ি ফরম্যাটে টানা ৬ ম্যাচে হারের পর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ায় লিটন দাসের দল। দ্বিতীয় ম্যাচে জয়ের আত্মবিশ্বাস নিয়েই আজ বুধবার কলম্বোতে সিরিজের শেষ ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। ম্যাচটি জিতলেই অন্তত ক্রিকেটের সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের সিরিজ জয়ের স্বাদ নিয়ে দেশে ফিরতে পারবে তারা! আগের ম্যাচের মোমেন্টামই এবারও কাজে লাগাতে চায় বাংলাদেশ!

ঘুরে দাঁড়ানোর আত্মবিশ্বাস কাজে লাগবে বলে মনে করেন জাতীয় দলের সিনিয়র সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন। গতকাল ম্যাচ-পূববর্তী সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সবশেষ ম্যাচ যেভাবে খেলেছি, তাতে মনে হয়েছে ছেলেরা ভালো মোমেন্টাম পেয়েছে এবং আত্মবিশ্বাসও আছে। আশা আছে শেষটা যেন ভালোভাবে করতে পারি। ভালো খেলার চেষ্টা করব। এই মুহূর্তে নতুনভাবে ভাবার কিছু নেই। যে পরিকল্পনা নিয়ে খেলছি, সেভাবেই খেলার চেষ্টা করব। মিডল অর্ডারে ভালো করলে সফলতা পাব। আমাদের মিডল অর্ডারের ওরকম খেলোয়াড় বেঞ্চে নেই। প্রথম ম্যাচে ওভাবে খেলানোর মতো অপশন ছিল না। জাকের আলী চোটে ছিল। পরিকল্পনা যা ছিল, সেই অনুযায়ী গিয়েছিলাম। কিন্তু হয়নি। সবসময় চাই জাকের এবং শামীম শেষ করবে ম্যাচ, তাদের ওপরে এমন দায়িত্ব দেওয়া যাবে না, যেখানে দাঁড়িয়ে তাদের ইনিংস মেরামত করতে হয়। তারা যেন নিশ্চিন্তে খেলতে পারে। পরিকল্পনা ওরকমই ছিল।’

শেষ ম্যাচে কেমন একাদশে হবে- এমন প্রশ্নে সালাউদ্দিন বলেন, ‘কোনো দলই চায় না উইনিং কম্বিনেশন ভাঙতে। কিন্তু দলের খেলোয়াড়দের দিকে তাকাতে হবে। অনেকে ইনজুরি থেকে আসছে। তাদের কাজের চাপটার দিকে খেয়াল করতে হবে। তাদের ফিট রাখাটা জরুরি। যেভাবে টানা সূচি ছিল, সেখানে প্রতিদিন ম্যাচ খেলানো কঠিন। সবকিছু ভারসাম্য করে চলতে হয়, এটা হয়তো বাইরে থেকে ওভাবে বোঝা যায় না। খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা দিতে হবে। তাসকিনকে যদি টানা খেলানো হয়, সে একটা বড় ইনজুরি থেকে এসেছে। একটা ম্যাচ খেলানোর জন্য দেখা গেল আবার তাকে এক বছর বসে থাকতে হচ্ছে।’

প্রায় এক বছর ধরে সাকিব আল হাসান দলে নেই। এখনও তার অভাব অনুভব করেন সালাউদ্দিন, ‘আমাদের অনেক কিছুতে বিলাসিতা করার মতো সুযোগ থাকে না, এটা বুঝতে হবে। অনেক সময় ব্যাটারে ঘাটতি তৈরি হয়, অনেক সময়ে বোলারে তৈরি হয়। সাকিব যখন ছিলেন, তখন চালকের আসনে ছিলাম। একজন অতিরিক্ত বোলার খেলাতে পারতাম, অতিরিক্ত ব্যাটার খেলাতে পারতাম। সুতরাং দলের অবস্থা অনুযায়ী চলতে হয়। সেভাবেই দল সাজাই। নাসুমকে খেলালে হয়তো লাভ হতে পারে কিন্তু তখন হয়তো রিশাদকে বসাতে হবে অথবা অন্য কাউকে বসাতে হবে। আবার ব্যাটিংয়ের ওপরেও তাকাতে হয়। কেউ ফর্মে আছে কি না, অফফর্মে আছে কি না। এসবের ওপরে নির্ভর করেই দলটা সাজাতে হয়।’

দলের সাম্প্রতিক ব্যর্থতায় আলাদাভাবে কাউকে দোষ দেওয়া উচিত নয় বলে মনে করেন কোচ, ‘দলের একজন সদস্য হিসেবে আমি চাইব দলটা যেন ভালো করুক। সুতরাং মূল বিষয় এটাই। এজন্য সবার বোঝা উচিত, কাকে কীভাবে দেখা উচিত। কাউকে দোষ দিয়েও লাভ নেই, হাতে অপশন কম, নির্বাচকদের হাতেও অপশন কম। সবার সঙ্গে আলোচনা করেই দল তৈরি করি। কিন্তু অপশন কম থাকায় বেশি কিছু করা সম্ভব হয় না। প্রতিটি সিরিজ অনুযায়ী সেভাবে চিন্তা করা হয়, সেভাবেই নির্বাচকরা দল দেন। আমাদের যে ব্যবস্থানাপত্র দেবে, তার বাইরে তো কিছু করতে পারব না। যে ১৬ জন দেবে তার বাইরে কিছু করার নেই।’

গত বছরের নভেম্বরে জাতীয় দলের সিনিয়র সহকারী কোচ হিসেবে দায়িত্ব নেন সালাহউদ্দীন। এর আগে ঘরোয়া ক্রিকেটে কোচ হিসেবে তার সাফল্য ছিল অনেক। তাকে জাতীয় দলের দায়িত্বে দেখার আগ্রহও ছিল অনেক দিনের। তিনি দায়িত্ব নেওয়ার কিছুদিন পর ডেভিড হেম্পকে সরিয়ে দেওয়া হয় ব্যাটিং কোচের দায়িত্ব থেকে। গত বছর ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফর থেকে ব্যাটিং কোচের দায়িত্ব পান সালাহউদ্দীন।

তবে সম্প্রতি দলের টানা ব্যর্থতায় ব্যাটারদের পারফরম্যান্স নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। নতুন একজন ব্যাটিং কোচ নেওয়ার কথাও আসছে। সালাহউদ্দীন বিষয়টিকে কীভাবে দেখছেন? উত্তরে সালাহউদ্দীন বলেন, ‘আমি কোচ। আমাকে যদি বলা হয় অনূর্ধ্ব-১৩ দলে গিয়ে কোচিং করাও, আমি কিছু মনে করব না। আমার ওখানে লেখা নেই যে আমি শুধু জাতীয় দলেরই কোচ। এগুলো নিয়ে আমার কোনো ইগোর সমস্যা নেই। এটা নিয়ে আমি চিন্তিতও না। কেউ যদি আসেও (ব্যাটিং কোচ), সেটিতে যেন দলের ভালো হয়।’ এরপরই নিজের ভেতরে রাখা অভিমানও বেরিয়ে আসে সালাহউদ্দীনের, ‘বাংলাদেশ দল আমার বাপ-দাদার সম্পত্তি নয়। ভালো না করলে এখানে সমালোচনা হবেই। এটা আমাকে মেনে নিতেই হবে। ভালো করলে সবাই বাহবা দেবে। আমি আমার দলের জন্য শতভাগ দিচ্ছি কি না, সৎ কি না, সেটিই আমার কাছে মুখ্য বিষয়।’

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা