প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৬ এপ্রিল ২০২৫ ১০:৫৬ এএম
আপডেট : ২৬ এপ্রিল ২০২৫ ১১:৩৯ এএম
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতির দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই বেশ কিছু কাজে সমালোচিত হয়েছেন ফারুক আহমেদ। বোর্ড পরিচালকদের সঙ্গে সম্পর্কে দূরত্ব, বিপিএল আয়োজনে পেশাদারির অভাব, টিকিট বিক্রি নিয়ে দর্শকের ক্ষোভ, দলের বাজে পারফরম্যান্স সব মিলিয়ে বেশ চাপেই আছেন ফারুক।
কয়েক দিন ধরেই ক্রিকেটপাড়ায় গুঞ্জন, বিসিবির ফিক্সড ডিপোজিট থেকে ১২০ কোটি টাকা সরিয়েছেন ফারুক। তবে এবার দেশের একটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১২০ কোটি নয়, ফিক্সড ডিপোজিট ১৪টি ব্যাংকে মোট আড়াইশ কোটি টাকা স্থানান্তর করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত আগস্ট থেকে বিসিবির এফডিআর স্টেটমেন্ট অনুযায়ী এ স্থানান্তর প্রক্রিয়ায় লাভ হবে ক্রিকেট বোর্ডেরই। প্রথম ধাপে আইএফআইসি আর মিডল্যান্ডের মতো হলুদ তালিকাভুক্ত ব্যাংক থেকে ১২ কোটি টাকা সরিয়ে নেওয়া হয়েছে মধুমতি ব্যাংকে। তবে ওই দুই ব্যাংকের চেয়ে মধুমতি ব্যাংক থেকে ইন্টারেস্টের হার বেশি থাকায় আয় বাড়বে বিসিবির।
দ্বিতীয় ধাপে নেওয়া হয়েছে আরও ১০ কোটি টাকা। এবারও একই ইন্টারেস্ট হার। এরপর যথাক্রমে আরও বেশ কয়েক ধাপে কখনও হলুদ কিংবা কখনও ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে লাল তালিকাভুক্ত ব্যাংকগুলো থেকে নতুন ১৪ ব্যাংকে নেওয়া হয়েছে মোট ২৫০ কোটি টাকা। এ স্থানান্তর প্রক্রিয়ায় কেবল যে ইন্টারেস্ট রেট বেড়েছে এমন নয়, নতুন ব্যাংকগুলো থেকে পাওয়া যাচ্ছে স্পন্সরশিপ। এ ছাড়া আছে ২৫ কোটি টাকার অবকাঠামোগত ইনভেস্টমেন্ট পাওয়ার কমিটমেন্ট।
সমাজমাধ্যমে আরও একটি গুঞ্জন, বোর্ড পরিচালকদের অনুমতি ছাড়া একাই টাকা সরানোর দায়িত্ব নিয়েছেন ফারুক। তবে এ গুঞ্জনও সত্যি নয়। মূলত বিসিবির ফাইন্যান্স কমিটির প্রধান ও আরও একজন প্রভাবশালী বোর্ড পরিচালক পুরো প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
এ বিষয়ে বিসিবি সভাপতি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘২৩৮ কোটি টাকা। আমি কোথাও সাইন করি না। টাকাগুলো যে গেছে ওখানে, একটা নিউজ আসছে কেউ জানে না এটা হলো ওটার অ্যানসার। আর এখানে সব ২-৫% বেশি ইন্টারেস্ট রেটে দেওয়া হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘রেড জোন থেকে গ্রিন আর ইয়েলো জোনের ব্যাংকে নিয়ে গেছি টাকা। স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকে আছে ১২ কোটি টাকা। মোট আড়াইশ কোটি। এদের থেকে আমি স্পন্সর পেয়েছি ১২ কোটি টাকার কাছাকাছি। আর প্রতিশ্রুতি পেয়েছি আরও ২৫ কোটি টাকার ইনফ্রাস্ট্রাকচার বানায় দেবে।’