প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৯ মার্চ ২০২৫ ১৭:২৬ পিএম
বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলে নাম লিখিয়ে এখন আলোচনার তুঙ্গে হামজা চৌধুরী। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে খেলা এই তারকা আসার পর দিনই দেশের ফুটবল উত্তপ্ত হয় ইতালিয়ান প্রবাসী ফুটবলার ফাহমিদুল ইসলাম ইস্যুতে। জাতীয় দলের হেড কোচ হাভিয়ের কাবরেরা তাকে দলে রাখেননি। যদিও এই স্প্যানিশ কোচ উল্লেখ করেছেন যে ফাহমিদুল দারুণ সম্ভাবনাময়। তারপরও তাকে বাদ দেওয়ায় ফুটবল সমর্থকরা ফাহমিদুলকে দলে ফেরানোর দাবি তুলেছেন। সেই সঙ্গে কোচের সমালোচনাও করেছেন তারা।
আজ বুধবার ভারত সফর আগে আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলন করেন হাভিয়ের কাবরেরা। সেখানে তার সঙ্গে ছিলেন অধিনায়ক জামাল ভূইয়া ও হামজা। প্রেস ব্রিফিংয়ে স্বাভাবিকভাবেই ওঠে ফাহমিদুলের বাদ পড়া প্রসঙ্গ।
ফাহামিদুল প্রসঙ্গে অবশ্য নতুন করে কিছু বলেননি কাবরেরা। গতকালকের ব্যাখ্যাই আবার দিয়েছেন তিনি, ‘আমি গত এক মাস ধরে অনুসরণ করছি তাকে। ওকে খুব ভালোভাবেই চিনি। সে আমাদের সঙ্গে এক সপ্তাহ ছিল। তবে আমার মনে হয়েছে তার আরও সময় দরকার। তাই আমি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সে প্রতিভাবান খেলোয়াড়, খুবই তরুণ। তবে ভারতের মতো প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ম্যাচ খেলার জন্য বাকি যারা আছে তারা তার চেয়ে বেশি প্রস্তুত৷’
বাংলাদেশ জাতীয় পুরুষ ফুটবলে প্রথম প্রবাসী ফুটবলার জামাল। তাকে অনুসরণ করে এরপর একে একে এসেছেন তারিক কাজী, কাজেম কিরমানিরা। খেলছেন বাংলাদেশ দলে নিয়মিতই। প্রবাসী ফুটবলাররা যখন বাংলাদেশের দিকে আকৃষ্ট হচ্ছেন তখন ফাহামিদুলের জাতীয় দলে এক সপ্তাহ অনুশীলন করে ফিরে যাওয়া নেতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা রয়েছে বলে মত অনেকের। এ নিয়ে জামাল অবশ্য পক্ষে দাড়ালেন কোচের, ‘একজন খেলোয়াড় ভালো করতে পারে, খারাপও করতে পারে। সে আসলেই ভালো অনুশীলন করেছে, কোচ যেটা বলছেন সে এখনো প্রস্তুত নয় খেলার জন্য। আমাকে সেই সিদ্ধান্তকে শ্রদ্ধা জানাতে হবে। আশা করি আগামীতে সে আরও ভালো করবে এবং জাতীয় দলে জায়গা করে নেবে।’
ফুটবলে কোচই খেলোয়াড় ডাকেন, বাদ দেওয়া কিংবা একাদশে রাখার সিদ্ধান্ত কেবল তারই। কাবরেরা বাংলাদেশের ফুটবলে গত তিন বছরে প্রাথমিক দলে এমন খেলোয়াড়ও ডেকেছেন যারা লিগে নিয়মিত খেলেন না। আবার যারা লিগে নিয়মিত খেলেন তারা ডাক পান না। কোচ কাবরেরাকে নিয়ে এমন অভিযোগ বেশ পুরনো। এ সকল কারণে ফাহমিদুলের বাদ পড়াটা প্রশ্নের মুখে পড়েছে। কোচের ভাষ্য, ‘এই ম্যাচের জন্য তাকে নেওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই, কারণ সে ইতালি ফিরে গেছে।’