হবিগঞ্জ প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৭ মার্চ ২০২৫ ১৯:৫২ পিএম
আপডেট : ১৭ মার্চ ২০২৫ ২১:৩৯ পিএম
প্রবা ফটো
প্রায় ১১ বছর পর দেশে এসে নিজ গ্রামে হাজারো ভক্তের উষ্ণ অভ্যর্থনায় সিক্ত হয়েছেন হামজা দেওয়ান চৌধুরী। সোমবার (১৭ মার্চ) বিকালে হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল উপজেলার স্নানঘাট গ্রামে নিজ বাড়িতে তাকে এ উষ্ণ অভ্যর্থনা ও সংবর্ধনা জানায় গ্রামবাসী।
এ সময় লাল সবুজের হয়ে জার্সি গায়ে দেওয়ার অপেক্ষায় থাকা হামজা দেওয়ান চৌধুরীর বাবা দেওয়ান মোর্শেদ চৌধুরীসহ তার নিকটাত্মীয়রা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন নবীগঞ্জ বাহুবল আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শেখ সুজাত মিয়া ও হবিগঞ্জ জেলা ফুটবল খেলোয়াড় কল্যান সমিতিসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার লোকজন।
এর আগে সিলেট থেকে সড়ক পথে পরিবার নিয়ে হবিগঞ্জ আসেন হামজা। তার গাড়ি বহরটি স্নানঘাট বাজারে পৌঁছলে সেখান থেকে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রার মাধ্যমে তাকে বাড়ি নিয়ে যায় ভক্তরা।
পরে নিজ বাড়িতে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে বিকাল সাড়ে চারটার দিকে সংবর্ধনা মঞ্চে যান হামজা। এ সময় ভক্ত ও জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা দর্শকদের মধ্যে ‘হামজা হামজা’ স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।
মাত্র বিশ সেকেন্ডের দেওয়া বক্তব্যে হামজা দেওয়ান চৌধুরী বলেন, ‘আমার খুভ ভালা লাগছে আপনারা যে আইছেন আমারে দেখার লাগি।’ পরে বেশ কয়েকবার ‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’ বলে স্লোগান দেন লেস্টার সিটির হয়ে মাঠ মাতানো এই তারকা ফুটবলার।
হামজা দেওয়ান চৌধুরীকে দেখতে আসা হবিগঞ্জ অনুর্ধ্ব ১৫ দলের কয়েকজন খেলোয়াড় তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে জানান, হামজা চৌধুরীকে একনজর দেখতে এখানে এসেছি। আমার তার আদর্শে উজ্জীবীত হয়ে একদিন দেশের হয়ে খেলব এবং হামজা চৌধুরী দেশের হয়ে আমাদের মুখ উজ্জ্বল করবেন এই প্রত্যাশা করি।
হবিগঞ্জ জেলা ফুটবল খেলোয়াড় কল্যান সমিতির সভাপতি আব্দুল হান্নান বলেন, হামজা শুধু আমাদের জেলার নয় আমাদের দেশের গর্ব। আমরা চাই তার হাত ধরে আমাদের জেলাসহ দেশের ফুটবলের প্রসার হোক।
স্নানঘাট গ্রামের বাসিন্দা আজিজ সিদ্দিকী বলেন, হামজার দেশের প্রতি টান থেকেই এবং দেশের ফুটবলকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা থেকেই দেশের জার্সি গায়ে দিতে চলছে। আমরা সবাই তার জন্য দোয়া করি সে যেন দেশের জন্য ভালো কিছু করতে পারে।
এদিকে হামজার আগমনকে ঘিরে পুরো এলাকায় নেওয়া হয় বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা। সড়কে সড়কে অবস্থান নেয় আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা।