নারী ডিপিএল
প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১২ মার্চ ২০২৫ ২১:২৮ পিএম
আপডেট : ১২ মার্চ ২০২৫ ২১:২৯ পিএম
ডিপিএলে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন নবাগত দল শেলটেক
ডিপিএলে প্রথমবার অংশ নিয়েই বাজিমাত করল শেলটেক ক্রিকেট একাডেমি। এক ম্যাচ হাতে রেখেই শিরোপার স্বাদ পায় নবাগত দলটি। অপেক্ষা ছিল রানার্স-আপের ফয়সালা। সেটিও হয়ে গেল বুধবার। ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবকে এবার রানার্স-আপে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আবাহনী লিমিটেডকে বড় ব্যবধানে হারিয়েছে তারা।
ইউল্যাব ক্রিকেট মাঠে রানার্স-আপ
হওয়ার লড়াইয়ে প্রথমে ব্যাট করে ২৪৪ রান করে মোহামেডান। জবাবে ১২৫ রানে গুটিয়ে যায় আবাহনী।
তাতেই গতবারের চ্যাম্পিয়ন জয় পায় ১১৮ রানে।
এদিন টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে
শুরুতেই দুই ওপেনারকে হারায় মোহামেডান। চাপ সামালে তৃতীয় উইকেটে ১৪৮ রানের জুটি গড়ে
তোলেন শারমিন আক্তার ও সোবহানা মোস্তারি। সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়েও ৮৫ রানে মাঠ ছাড়েন
শারমিন। ১২২ বলে ১০টি চার মারেন তিনি। সোবহানাও ফেরেন খালি হাতে। তার স্কোর ছিল ৯২
বলে ৮৫ রান যাতে ৯টি বাউন্ডারি ছিল। আবাহনীর পক্ষে ২টি করে উইকেট নেন রিয়া আক্তার,
ফাতেমা জাহান ও ফাতেমা খাতুন।
লক্ষ্য তাড়ায় প্রথম ওভারেই
ফেরেন ফারজানা হক। অথচ আগের সাত ম্যাচে তিনি খেলেন পঞ্চাশছোঁয়া ইনিংস। একটি টেনে নেন
সেঞ্চুরিতে। সব মিলিয়ে ৮ ইনিংসে ৬ ফিফটি ও ১ সেঞ্চুরিতে আসরের সর্বোচ্চ ৫০৭ রান করেন
ফারজানা। আর কোনো ব্যাটার চারশ রানও করতে পারেনি। আরেক ওপেনার সুমি আক্তার একপ্রান্ত
ধরে রেখে ১১১ বলে খেলেন ৬১ রানের ইনিংস। দশম ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হন তিনি। মোহামেডানের
হয়ে ২১ রানে ৫ উইকেট নেন সালমা খাতুন।
৮ ম্যাচে মোহামেডানের এটি
সপ্তম জয়। শুধু শেলটেকের বিপক্ষে হেরেছে তারা। ৪ জয় নিয়ে চতুর্থ হয়ে লিগ শেষ করল গতবারের
রানার্স-আপ আবাহনী।
আগেই শিরোপা নিশ্চিত করা শেলটেক
এদিন বসুন্ধরা স্পোর্টস ক্লাব মাঠে বিকেএসপিকে ৮ উইকেটে হারিয়েছে। ১৭৮ রানের লক্ষ্য
১০৬ বল বাকি থাকতেই পেরিয়ে যায় নিগার সুলতানার
দল। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে সুবিধা করতে পারেনি বিকেএসপি। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে
দুইশর আগেই গুটিয়ে যায় তারা। ছয় নম্বরে নেমে দলের সর্বোচ্চ ৩৮ রান করেন সাদিয়া আক্তার।
৩১ রানে অপরাজিত থাকেন ফাহমিদা ছোঁয়া।
রান তাড়ায় অল্পতেই ফেরেন ওপেনার
ইশমা তানজিম। তাতে অবশ্য খুব একটা সমস্যা হয়নি। শারমিন সুলতানা ও সুমাইয়া আক্তার মিলে
দ্বিতীয় উইকেটে যোগ করেন ৫৮ রান। তিন নম্বরে নামা সুমাইয়া আউট হন ৩৩ রানে। পরে ৮৯ রানের
অবিচ্ছিন্ন জুটিতে ম্যাচ শেষ করেন শারমিন ও নিগার। ৮ চারে ৮৫ বলে ৭১ রান করেন শারমিন।
নিগারের ব্যাট থেকে আসে ৪০ বলে ৪৩ রান।