চ্যাম্পিয়নস ট্রফি
প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৭ মার্চ ২০২৫ ২০:৩৫ পিএম
আপডেট : ০৭ মার্চ ২০২৫ ২০:৩৬ পিএম
পাকিস্তানের বিপক্ষে নিউজিল্যান্ডের প্রথম ম্যাচ ছিল করাচিতে। বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলেছে রাওয়ালপিন্ডিতে। ভারতের মোকাবিলা করতে যায় দুবাইতে। সেমিফাইনাল খেলতে যেতে হয়েছে পাকিস্তানের লাহোরে। ফাইনাল খেলতে মিচেল স্যান্টনার ব্রিগেড এবার দুবাইয়ে।
সব মিলিয়ে গত দুই সপ্তাহে ব্ল্যাক ক্যাপস পাকিস্তানের তিন শহর আর দুবাই টু পাকিস্তান ভ্রমণ করেছে ৭ হাজার ৪৮ কিলোমিটার। যেখানে রোহিত-কোহলিদের সময় কেটেছে টিম হোটেলে বিশ্রামে। স্বল্প পরিধির টুর্নামেন্টে যা একটু বেশিই বটে! তবে এসব ভ্রমণঝক্কি বাধ্য হয়ে মেনে নিয়েছে নিউজিল্যান্ড। ভ্রমণক্লান্তির বিরক্তির বিষয়টি সামনে টেনে কিউই অধিনায়ক প্রত্যয় শুনিয়েছেন, ভারতের বিপক্ষে লড়াইটা ভালো হবে।
আট জাতির টুর্নামেন্ট থেমেছে দুই দলে। ৯ মার্চ দুবাই ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে বসবে শিরোপার লড়াই। তার আগে সংবাদ সম্মেলনে স্যান্টনার বলেন, ‘ভারত তাদের সব ম্যাচ দুবাইয়ে একটা ভেন্যুতে খেলেছে আর আমাদের প্রচুর ভ্রমণ করতে হয়েছে। তারা এই কন্ডিশন সম্পর্কে ভালো জানে। তবে ওসব নিয়ে আর আলোচনা বাড়াতে চাই না। এই টুর্নামেন্টের আগে আমরা একটা ত্রিদেশীয় সিরিজে খেলেছি, যা সহায়তা করছে। তবে স্বল্প সময়ে দীর্ঘ ভ্রমণ আর টানা ক্রিকেটের মধ্যে থাকায় কিছুটা অবসাদ ভর করছে। সবাই চেষ্টা করছে তা যতটা কাটিয়ে ওঠা যায়।’

মরু শহরের পরিবেশ এবং পরিস্থিতি সম্পর্কে কিছুটা ওয়াকিবহাল নিউজিল্যান্ড। তবে ভারত নিজেদের সব ম্যাচ দুবাইয়ে খেলায় কিছুটা সুবিধা নিঃসন্দেহে পাবে। সেই নিয়ে ভাবছেন না মিচেল স্যান্টনার। চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতে তৈরি কিউই অধিনায়ক, ‘অবশ্যই উইকেট অনেকটাই পার্থক্য গড়ে দেবে। তার ওপর আমাদের খেলার ধরন নির্ভর করবে। লাহোরের উইকেটের থেকে কিছুটা মন্থর হতে পারে।'
গ্রুপ পর্বে ভারতের কাছে হারলেও, সেই থেকে শিক্ষা নিতে চান স্যান্টনার। নিয়মরক্ষার ম্যাচ হলেও ৪৪ রানে জিতেছিলেন রোহিতরা। এবার পাকিস্তান এবং দুবাইয়ের মধ্যে যাতায়াত করে ম্যাচ খেলতে হয়েছে উইলিয়ামসনদের। যা যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং। তবে যাবতীয় প্রতিকূলতা উড়িয়ে সেরাটা দেওয়ার জন্য তৈরি ব্ল্যাক ক্যাপসরা, ‘আমাদের শক্তিশালী দলের বিপক্ষে খেলতে হবে। আমার মনে হয়, আগের দিনের থেকে আমরা ফাইনালে ভালো খেলব। বর্তমানে আমরা ছন্দে আছি। আশা করছি, এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে। প্রচুর ঘোরাঘুরি করে আমাদের এই টুর্নামেন্ট খেলতে হচ্ছে। তবে এটা চ্যালেঞ্জের অঙ্গ। এখানে আমরা একাধিক জায়গায় গিয়ে খেলেছি। তবে আজকাল এভাবেই চলে। ছেলেরা সেটা বোঝে। আমরা ম্যাচের জন্য প্রস্তুত।’
দীর্ঘ ২৫ বছর পর আইসিসি টুর্নামেন্টের ফাইনালে ভারতের মুখোমুখি হবে নিউজিল্যান্ড। এর আগে এই আসরে ২০০০ সালে মুখোমুখি হয়েছিল দুদল। সেবারের নক আউট টুর্নামেন্টে সৌরভ গাঙ্গুলির ভারতকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল কিউইরা। এবার সেই বদলা নেওয়ার পালা, কিউইদের ফাইনালের দুঃখ ঘোচার মঞ্চ।