চ্যাম্পিয়নস ট্রফি
প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ১০:৪৫ এএম
আপডেট : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ১২:৪১ পিএম
হারলেই চ্যাম্পিয়নস ট্রফি থেকে বিদায়। এমন সমীকরণে ‘এ’ গ্রুপে নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ
হারলেই চ্যাম্পিয়নস ট্রফি থেকে বিদায়। এমন সমীকরণে ‘এ’ গ্রুপে নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ। বিপরীতে জিতলেই সেমিফাইনালে পৌঁছে যাবে নিউজিল্যান্ড। এমনি অবস্থায় আজ সোমবার রাওয়ালপিন্ডিতে কিউইদের সঙ্গে দ্বৈরথে নামছেন টাইগাররা। ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় বিকাল ৩টায়।
চলতি চ্যম্পিয়নস লিগে প্রথম ম্যাচে ভারতের কাছে হেরে সেমিফাইনালের রেসে অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছে নাজমুল হোসেন শান্ত ব্রিগেড। আর প্রথম ম্যাচে স্বাগতিক পাকিস্তানকে হারিয়ে রীতিমতো উড়ছে কিউইরা। দুবাই থেকে হারের স্মৃতি নিয়ে পিন্ডিতে ঘুরে দাঁড়ানোর চ্যালেঞ্জ এখন টাইগারদের। আজকের ম্যাচে লড়াইয়ে নামার আগে সব দিক থেকেই পিছিয়ে শান্তরা। দীর্ঘদিন ধরে পাকিস্তানে খেলছে দলটি। এখানকার কন্ডিশনের সঙ্গে খুবই ভালোভাবে মানিয়ে নিয়েছে তারা। জিতেছে তিন জাতি টুর্নামেন্টের শিরোপা। চলতি আসরে প্রথম ম্যাচে স্বাগতিক পাকিস্তানকে বিধ্বস্ত করে ছেড়েছে তারা। সব মিলিয়ে আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে এখন কিউইরা। আর দুবাইয়ের হারের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার অগ্নিপরীক্ষায়ও বসতে হচ্ছে টাইগারদের। কেননা পাকিস্তানে এটাই শান্তদের প্রথম ম্যাচ।
উপাত্ত-পরিসংখ্যানেও টাইগারদের চেয়ে ঢের এগিয়ে কিউইরা। ৫০ ওভারের ক্রিকেটে দুই দলের ৪৫ দেখায় বাংলাদেশের ১১ জয়ের বিপরীতে নিউজিল্যান্ডের জয় ৩৩ ম্যাচে। বাকি একটি ম্যাচ থেকেছে নিষ্ফলা। তবে শুধু এটুকু বললে খুব একটা সুবিচার করা হবে না টাইগারদের প্রতি। কিউইদের বিপক্ষে ২০১৭ সালের সর্বশেষ চ্যাম্পিয়নস ট্রফির সুখস্মৃতি নিয়েই আজ নামবে বাংলাদেশ। আট বছর আগে কিউইদের হারিয়েই সেমির মঞ্চে পা রেখেছিলেন টাইগাররা। সেই ম্যাচে সেঞ্চুরি করেছিলেন সাকিব আল হাসান ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। নানান ঘটনা পরিক্রমায় সাকিব দলে নেই। হ্যামস্ট্রিং ইনজুরির কারণে প্রথম ম্যাচে অংশ নিতে পারেননি মাহমুদউল্লাহ। আজকের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে তার ফেরার সম্ভাবনা উজ্জ্বল। এ ছাড়া সেরা ফর্মে দেখা যেতে পারে স্পিডস্টার নাহিদ রানাকে।
সব দিক থেকেই স্বস্তিদায়ক অবস্থানে থাকার পরও বাংলাদেশকে যথেষ্ট সমীহ করছেন কিউই অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার। রবিবার রাওয়ালপিন্ডি স্টেডিয়ামে অনুশীলনের আগে সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘বড় আসরে বাংলাদেশ যেকোনো দলকে হারিয়ে অঘটন ঘটিয়ে দিতে পারে। গত ম্যাচে তাওহিদ হৃদয় দারুণ ইনিংস খেলেছেন। জাকের আলীও বেশ ভালো ইনিংস খেলেছেন। কাজেই দলটাকে আমরা হালকাভাবে নিচ্ছি না।’ টাইগার পেস বোলিংয়েরও প্রশংসা করেন স্যান্টনার, ‘এখন তাদের বেশ কয়েকজন ভালো দ্রুতগতির বোলার আছে। তাসকিন সব সময়ই ভালো। আমরা জানি, ফিজ (মোস্তাফিজ) কতটা ভালো করতে পারেন। রানার মতো গতিময় বোলারও এসেছে। এ মুহূর্তে তারা খুব ভালো দল।’
বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় মাথাব্যথা হয়ে উঠেছে টপ অর্ডার ব্যাটিং। ভারতের বিপক্ষে ম্যাচে মাত্র ৩৫ রানে ৫ উইকেট হারিয়েছিল শান্ত ব্রিগেড। এখন হৃদয়ের সেঞ্চুরি ও জাকেরের ফিফটিতে ভর করে ২২৮ রান তুলতে সমর্থ হন টাইগাররা। তবে টপ অর্ডার রানে ফিরবে এমন আত্মবিশ্বাস টাইগার শিবিরে। জাকের আলীর কথায়, ‘আমাদের বিশ্বাস টপ অর্ডার রানে ফিরব। রাওয়ালপিন্ডিতে আমরা ব্যাটিংয়ে ভালো করব। এমনিতেই পিন্ডির উইকেট রানপ্রসবা। ৩০০ রানও এখানে নিরাপদ নয়। তাই টাইগার টপ অর্ডার ব্যাটারদের রানে ফেরাটা এখন সময়ের দাবি।’