প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ১৪:০২ পিএম
ছবি: সাবিনাদের ফেসবুক পেজ থেকে নেওয়া
গত বছর টানা দ্বিতীয়বারের মতো সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জেতা বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল একুশে পদক পেয়েছে। রাজধানীর ওসমানী মিলনায়তনে আজ বৃহস্পতিবার নারী দলের হাতে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার তুলে দিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এছাড়া ফুটবল খেলে সমাজ পরিবর্তনের স্বীকৃতি হিসেবে তাদের পুরস্কৃত করা হয়েছে।

এর আগে প্রথমে নারী ফুটবল দলের ১১ জনকে পদক প্রদান অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। বাফুফে কোন ১১ জনকে পাঠাবে তা নিয়ে বিপাকে পড়েছিল। পরে বাফুফে দলের ৩২ সদস্যকে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য অনুরোধ করে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়কে।

শেষ পর্যন্ত ২৩ ফুটবলার ও কোচ-কর্মকর্তাসহ বাকি ৯ জনকে আমন্ত্রণপত্র পাঠিয়েছে মন্ত্রণালয়। দলের পক্ষ থেকে পদক গ্রহণ করেন অধিনায়ক সাবিনা খাতুন ও সহ-অধিনায়ক মারিয়া মান্ডা। এ সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন সর্বশেষ সাফজয়ী বাংলাদেশ নারী দলের অন্য ফুটবলাররাও।

২০২৪ সালের অক্টোবরে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে নেপালকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয় বাংলাদেশ। যে দলে ছিলেন রুপনা চাকমা, ইয়ারজান বেগম, মিলি আক্তার, মাসুরা পারভীন, কোহাতি কিসকু, আফিদা খন্দকার, নিলুফা ইয়াসমিন, শামসুন্নাহার সিনিয়র, শিউলি আজিম, মনিকা চাকমা, মারিয়া মান্ডা, মুনকি আক্তার, স্বপ্না রানী, আইরিন আক্তার, মাতসুশিমা সুমাইয়া, শাহেদা আক্তার রিপা, ঋতুপর্ণা চাকমা, তহুরা খাতুন, শামসুন্নাহার জুনিয়র, সাবিনা খাতুন, কৃষ্ণা রানী সরকার, সানজিদা আক্তার ও মোসাম্মাৎ সাগরিকা।

দেশের ইতিহাসে এর আগে কোনো ক্রীড়া দল একুশে পদক পায়নি। সংস্থা হিসেবে ২০০১ সালে স্বাধীনতা পদক পেয়েছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
তবে স্বাধীনতা পদকের জন্য স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল অনেকবারই আবেদন করেছিল; কিন্তু তারা এখনো পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়নি।