প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৩০ জানুয়ারি ২০২৫ ১৬:৩০ পিএম
বিপিএল, মেহেদী হাসান মিরাজ, খুলনা টাইগার্স
বকেয়া প্রিমিয়ার লিগ কিংবা বিতর্ক প্রিমিয়ার লিগ— বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) নিয়ে এমন অসংখ্য ট্রল সামাজিক মাধ্যমে। মূলত খেলোয়াড়দের সঙ্গে দুর্বার রাজশাহীর মালিক পক্ষের ধারবাহিক স্ট্যান্ডবাজি বিরুপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে জনমতে। এ নিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড বেশ কয়েকবার হস্তক্ষেপ করলেও নানা কৌশলে বিষয়টি পাশ কাটিয়ে যাচ্ছে রাজশাহী ও চিটাগং কিংসের মালিকপক্ষ। এ নিয়ে চাপা ক্ষোভ ফ্রাঞ্চাইজিটির ক্রিকেটারদের মাঝে।
রাজশাহী-চিটাগং
টিমে যখন অসন্তোষের ঘনঘটা, ঠিক উল্টো চিত্র খুলনা টাইগার্সে। এখন পর্যন্ত সুনামের সঙ্গেই
ফ্র্যাঞ্চাইজিটি পরিচালিত হচ্ছে। টাকাপয়সা নিয়ে ক্রিকেটারদের নেই কোনো অভিযোগ। ফলাফল
যাই হোক, সুশঙ্খল ক্রিকেট উপহার দিচ্ছে দল মালিক। দলের অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ
জানালেন দলের ভেতরকার কথা। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে মিরাজ গতকাল সাংবাদিকদের এক
প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছেন, ‘চেক বাউন্স, টাকা পয়সারা ঝামেলা ইস্যুতে অবশ্যই খারাপ
লাগছে। দিনশেষে তো আমরা খেলোয়াড়েরা ক্রিকেট খেলি টাকার জন্য। যদি পারিশ্রমিক না পাই,
প্রত্যেক খেলোয়াড়ের জন্যই খারাপ।’
একের
পর এক ন্যাক্কারজনক ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে বিসিবি। বিপিএল গভর্নিং কউন্সিলের সঙ্গে আলোচনা
করে সমাধানের আশ্বাসও নাকি দিয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজিরা। এ নিয়ে মিরাজ অবশ্য আশাবাদী। জাতীয়
দলের সিনিয়র এই ক্রিকেটার বলেছেন, ‘সবাই আশা করবে, যেহেতু ক্রিকেট বোর্ড আমাদের অভিভাবক,
ক্রিকেট বোর্ড অবশ্যই এ ব্যাপারে কথা বলবে। তারা আমাদের দায়িত্ব নিয়ে ফ্র্যাঞ্চাইজি
মালিকদের সঙ্গে কথা বলবে।’
বিপিএলে
নিয়ম অনুযায়ী টুর্নামেন্ট শুরুর আগে দিতে হয় ২৫ শতাংশ টাকা, টুর্নামেন্টের মাঝে ৫০
শতাংশ ও খেলার পর বাকিটা পরিশোধ করতে হয়। এই নিয়ম বেশিরভাগ ফ্রাঞ্চাইজি না মানলেও মিরাজের
দল চলছে নিয়ম অনুযায়ী। তিনি বলেছেন, ‘প্রায় ৭০ শতাংশের কাছাকাছি টাকা আমরা সবাই পেয়ে
যাব’
মিরাজের প্রত্যাশা, বিপিএলের মাধ্যমে দেশের ক্রিকেটের সুনামই বাড়বে। সে জন্য বিসিবির উদ্যোগ যেমন তিনি আশা করেন, সহযোগিতাও চান। মিরাজ বলেছেন, ‘আমাদের প্রত্যেকেরই দায়িত্ব আমাদের বাংলাদেশের ক্রিকেটের যেন কোনো রকম বদনাম না হয়। আমরা যেভাবে খুব সুন্দরভাবে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খেলছি, আমরা ভালো করলে সবাই বাহবা দেয়; আমাদের প্রত্যেকের উচিত সেটা ধরে রাখা।’