অনূর্ধ্ব–১৯ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ
প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি ২০২৫ ১৬:০৮ পিএম
আপডেট : ২৬ জানুয়ারি ২০২৫ ১৬:১৩ পিএম
অনূর্ধ্ব-১৯ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের লড়াইয়ে টিকে থাকতে ভারতের বিপক্ষে জয়ের বিকল্প ছিল না বাংলাদেশের। এমন সমীকরণে লড়াইটাও জমাতে পারল না জুনিয়র টাইগ্রেসরা। সুমাইয়া আক্তারদের ৮ উইকেটে হারিয়ে সেমিতে পা রেখেছে ভারতের মেয়েরা। অন্যদিকে এক ম্যাচ বাকি রেখেই টুর্নামেন্ট থেকে কার্যত বিদায় নিশ্চিত হয়ে গেছে বাংলাদেশের।
রবিবার (২৬ জানুয়ারি) মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরের বেউমেয়াস ওভালে সুপার সিক্সে নিজেদের প্রথম ম্যাচে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ৬৪ রান করে বাংলাদেশের মেয়েরা। মামুলি সেই সংগ্রহ ভারত পেরিয়ে গেছে ১২.৫ ওভার ও ৮ উইকেট হাতে রেখেই। আগামী ২৮ জানুয়ারি নিয়মরক্ষার ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মেয়েদের বিপক্ষে মাঠে নামবে ইয়াং টাইগ্রেসরা।
এমনিতেই সুপার সিক্সে ২ পয়েন্ট নিয়ে বাংলাদেশের ছিল পয়েন্ট তালিকার ৪ নম্বরে। অস্ট্রেলিয়া ও ভারত এই পর্বে এসেছিল ৪ পয়েন্ট নিয়ে। অস্ট্রেলিয়া গতকাল ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারানোয় তাদের পয়েন্ট হয়েছে ৬, ভারতেরও বাংলাদেশকে হারানোর পর তাদের পয়েন্টও হয়েছে ৬।
যেহেতু সুপার সিক্সে প্রতিটি দলের মাত্র ২টি ম্যাচ, বাংলাদেশসহ এই গ্রুপে থাকা অন্য কোনো দলের পয়েন্ট ৬ হওয়া সম্ভব নয়। তাতে সেমিফাইনালও নিশ্চিত হয়েছে ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার। এই পর্বে বাংলাদেশের ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে একটি ম্যাচ বাকি আছে। সেটি অবশ্য নিয়ম রক্ষার ম্যাচই হতে যাচ্ছে।
গত মাসে অনূর্ধ্ব-১৯ নারী এশিয়া কাপের ফাইনালে ভারতের ১১৭ রান তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশ হেরেছিল ৪৭ রানে। আজও মূলত সেই ব্যাটিং ব্যর্থতাতেই হেরে গেছে মেয়েরা। ৯.৩ ওভারে ২২ রান তুলতেই ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলে সুমাইয়া আক্তারের দল। সংগ্রহটা যে বড় হবে না, সেটা তো তখন নিশ্চিতই হয়ে গেছে। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ তুলতে পারে ৬৪ রান। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ২১ রানে অপরাজিত ছিলেন অধিনায়ক সুমাইয়া। জবাবে ত্রিশা গঙ্গাদির ৩১ বলে ৪০ রানের ইনিংসে হেসেখেলে জয় পায় ভারত।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব ১৯ দল:২০ ওভারে ৬৪/৮ ( সুমাইয়া ২১*, জান্নাতুল ১৪; বৈষ্ণবী ৩/১৫, শবনম ১/৭)
ভারত অনূর্ধ্ব ১৯ দল: ৭.১ ওভারে ৬৬/২( ত্রিশা ৪০, সনিকা ১১; আনিসা ১/২৯, হাবিবা ১/১৫)
ফল: ভারত ৮ উইকেটে জয়ী
ম্যাচসেরা: বৈষ্ণবী শর্মা।