প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২২ জানুয়ারি ২০২৫ ১০:৪৩ এএম
আপডেট : ২২ জানুয়ারি ২০২৫ ১০:৫৫ এএম
পেনাল্টি, আত্মঘাতী গোল, রেফারি বিতর্ক এবং লাল কার্ড, কী ছিল না— চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বার্সেলোনা-বেনফিকার ম্যাচটিতে নাটকের সব দৃশ্যপটই দৃশ্যায়িত হয়েছিল। ৪-২ গোলে পিছিয়ে পড়া বার্সা ফিরল, ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে গোলও পেয়ে গেল। রুদ্ধশ্বাস প্রত্যাবর্তন বটে। এস্তাদিও দ্য লুইজ যেন ভুলিয়ে দিল বায়ার্ন মিউনিখের কাছে ৮-২ গোলে নাকানিচুবানির স্মৃতি।
মঙ্গলবার রাতে বেনফিকার মাঠে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচে অবিশ্বাস্য জয় পেয়েছে হ্যান্সি ফ্লিকের দল। ৯ গোলের রুদ্ধশ্বাস জয়ে শেষ ষোলোও নিশ্চিত করেছে স্প্যানিশ জায়ান্ট ক্লাব। প্রথম আধাঘণ্টায় ৩-১ গোলে এগিয়ে যাওয়া বেনফিকা আরেক গোল পায় রোনাল্ড আরাহুর আত্মঘাতী থেকে। বার্সেলোনার হয়ে দুই পেনাল্টি থেকে ২ গোল করেন রবার্ট লেভানডোভস্কি। সময় শেষে স্কোরলাইন দাঁড়ায় ৫-৪!
ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটেই স্বাগতিক বেনফিকাকে এগিয়ে নেন ভেনগেলিস পাভলিদিস। প্রথমার্ধে বার্সার ত্রাস হয়েই দেখা দেন। দ্বিতীয় মিনিটের পর ২২ ও ৩০ মিনিটে গোল করে হ্যাটট্রিক আদায় করেন তিনি। ৩০ মিনিটে অপ্রতিরোধ্য বেনফিকাকে থামাতে নিজেদের অর্ধে ফাউল করে বার্সা, সেখান থেকে পাভলিদিস পেনাল্টি আদায় করে নেন। ভুল হয়নি তার লক্ষ্যভেদে।
প্রথমার্ধে অবশ্য ১ গোল শোধ করে বার্সা। ১৩ মিনিটে। রবার্ট লেভানডোভস্কির গোলটিও আসে স্পটকিক থেকে। তবে পাভলিদিসের ওয়ান ম্যান শোর সামনে ৩-১-এ পিছিয়ে বিরতিতে যায় কাতালান ক্লাবটি। বিরতির পর ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে বার্সেলোনা। ৬৪ মিনিটে রাফিনহা গোল করলে ব্যবধান কমে।
চার মিনিট পর বিপদ নিজেরাই ডেকে আনে বার্সা। ৬৮ মিনিটে আরাউহোর আত্মঘাতী গোলে পিছিয়ে পড়ে ৪-২ ব্যবধানে! ম্যাচ থেকে এক প্রকার ছিটকে যাওয়া ফ্লিকের শিষ্যরা এর পরও ক্লিক করবেন, এটি যেন মিরাকল ছিল। সেইসঙ্গে অপ্রত্যাশিতও বটে। ৭৮ মিনিটে লেভানডোভস্কি পেনাল্টি থেকে গোল করে ব্যবধান কমান। রুদ্ধশ্বাস ম্যাচের আসল নাটক শুরু পরের সময়টাতে। ৮৬ মিনিটে এরিক গার্সিয়ার গোল ম্যাচে আনে নাটকীয় সমতা। নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষে খেলা তখন ৪-৪!
ইনজুরি টাইমের ষষ্ঠ মিনিটে প্রতি-আক্রমণ থেকে রাফিনিয়া জাল কাঁপালে বার্সা উল্লাসে মেতে ওঠে।