প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১০ জানুয়ারি ২০২৫ ১৪:৪০ পিএম
আপডেট : ১০ জানুয়ারি ২০২৫ ১৪:৫৪ পিএম
'ব্যাড বয়' তকমা তার বহু পুরনো। মাঠ কিংবা বাইর- নানান সময় বিতর্কিত ঘটনা জন্ম দিয়ে আলোচনায় থাকেন সাব্বির রহমান। বিপিএলেও ‘শৃঙ্খলাভঙ্গ' করেছেন। ফলস্বরূপ বাদ থেকেছেন ম্যাচ থেকে। তার দল ঢাকা ক্যাপিটালের কোচ খালেদ মাহমুদ জানিয়েছিলেন, সাব্বির নাকি টিম ম্যানেজমেন্টকে না জানিয়েই অনুশীলনে অনুপস্থিত থেকেছিলেন। শাস্তি হিসেবে তাকে ম্যাচ থেকে বঞ্চিত রাখা হয়েছিল।
শাস্তি কাটিয়ে রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে ফিরেন সাব্বির। কিন্তু ওই ম্যাচে মাত্র ২ রান করতে পারেন। পাশার দান উল্টে যায় চিটাগং কিংসের বিপক্ষে ম্যাচে। গতরাতে বিধ্বংসী ব্যাটিং উপহার দেন সাব্বির। ৩৩ বলে ৯টি ছক্কা ও ৩টি চারের মাধ্যমে করেছেন অপরাজিত ৮২ রান। সাব্বিরের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের পরও চিটাগংয়ের কাছে ৭ উইকেটের ব্যবধানে হেরেছে ঢাকা। আসরে এখনও পর্যন্ত একটি ম্যাচও জিতেনি তাদের দল।
এদিন ম্যাচ শেষে ঢাকার হয়ে সংবাদ সম্মেলনে আসেন সাব্বির। তাকে প্রশ্ন করা হয় খালেদ মাহমুদের মন্তব্য প্রসঙ্গে। প্রতিউত্তরে সাব্বির বলেন, ‘কোচের সঙ্গে কথা হয়েছিল আমার। কোচকে বলেছিলাম যে আমার পারিবারিক ইস্যু আছে। তিনি হয়তো বুঝতে পারেননি। আমার মনে হয় দলের ভেতরের কথাগুলো সংবাদমাধ্যমে না বলাই ভালো।’
নিজেকে সামলে রেখে আরো শৃঙ্খল হওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন সাব্বির। বলেন সে কথাও, ‘ছোট থেকেই এসব সামলে আসছি, বড় হয়ে নিজেকে কীভাবে সামলাব। তবু সাব্বির রহমানের কিছু হলেই শৃঙ্খলার কথা চলে আসে। আমি চেষ্টা করছি ঠিক করার জন্য। কিন্তু আশপাশের কিছু লোক হয়তো ভালো হতে দিচ্ছে না। তবে এটা নিয়ে আমি বেশি চিন্তিত নই। আমার কাজ খেলা, পারফরম করা। সেটাই করছি।’
চিটাগংয়ের বিপক্ষে ঢর ভয়হীন ইনিংস আত্মবিশ্বাস অনেক বাড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন সাব্বির। সবশেষ ২০২২ সালের নভেম্বরে পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলা সাব্বির আবারো জাতীয় দলে ফিরতে চান। তিনি বলেন, ‘স্বপ্ন তো সবাই দেখে। আমাকে ইয়াং বলতে পারেন, সিনিয়রও বলতে পারেন। দুটো মিলিয়েই আমি। আমার ফিটনেস এখনো পড়ে যায়নি। দুই-তিনটি ইনিংস যদি ভালো খেলতে পারি, নির্বাচকেরা যদি সুযোগ করে দেন, অবশ্যই চেষ্টা করব ভালো (জাতীয় দলে) খেলতে।’