প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৫ ডিসেম্বর ২০২৪ ২০:০০ পিএম
সেরা ব্যাটারদের তালিকায় অভিজ্ঞদের পাশাপাশি আছেন তরুণরাও— সংগৃহীত ছবি
ম্যাড়মেড়ে ফাইনালে নির্ধারণ হয়েছে শিরোপা। ঢাকা মেট্রোর বিপক্ষে রংপুরের লড়াইয়ে চার-ছক্কার বদলে গত মঙ্গলবার উইকেট উদযাপনেই ব্যস্ত ছিলেন সমর্থকরা। কুড়ি কুড়ির লড়াইয়ের ফাইনাল না জমলেও তরুণ-অভিজ্ঞরা আলো ছড়িয়েছেন বেশ। আট দলের অংশগ্রহণের টুর্নামেন্টে ফাইনালসহ ৩২ ম্যাচ হয়েছে। ৬৪ ইনিংসে দলগুলো রান তুলেছে ৯ হাজারের বেশি। বোলাররা শিকার করেছেন সাড়ে চারশ উইকেট। আল আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক জাতীয় ক্রিকেট টি-টোয়েন্টির ব্যাটার-বোলারদের সেই ফিরিস্তি নিয়েই আয়োজন—
নাইম শেখ : নেতৃত্ব যেমন সামলেছেন, নাইম তেমনি ব্যাট হাতেও মুনশিয়ানা দেখিয়েছেন। এনসিএলে দলকে টেনেছেন সামনে থেকে। টপঅর্ডারে ভিত গড়ে দিয়েছেন কিংবা জবাবে ঢাকা মেট্রোকে এনে দিয়েছেন দারুণ শুরু। তাতেই বাজিমাত করে ঢাকার দলটি। ফাইনালে নাইম ব্যর্থ হন, পারেনি মেট্রোও। তবে ব্যাটারদের মাঝে সেরাদের সেরাই হয়েছেন মেট্রোর অধিনায়ক। ফাইনালসহ ১০ ইনিংসে তিন ফিফটিতে নাইম আনেন ৩১৬ রান। ৩৫.১১ গড়ে রান করা নাইমের আসর সর্বোচ্চ ৬৯ রান। ১৩৬-এর বেশি স্ট্রাইক রেটে হাঁকিয়েছেন ৩৫ চার ও ১১ ছক্কা। সেরা রান সংগ্রাহকের পুরস্কারটাও ঢুকেছে তার ঝোলায়।
জিসান আলম : সিলেট বিভাগের হয়ে নিজের জাত চিনিয়েছেন তরুণ জিসান। ব্যাট হাতে করেছেন আসরের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান। ৭ ম্যাচে ২৮১ রান করেছেন জিসান। ৪০-এর বেশি গড়ে ১৫৮-এর বেশি স্ট্রাইক রেটে ব্যাট চালিয়েছেন জিসান। তার ব্যাটে ছিল দুটি ফিফটি ও একটি সেঞ্চুরি। জাতীয় দলে সুযোগ না পাওয়া জিসানের সর্বোচ্চ রানের ইনিংস ১০০। আসরে সর্বোচ্চ ২২ ছক্কা এসেছে তার ব্যাটে, ছিল ১৭ চারের মার।
নুরুল হাসান সোহান : খুলনাকে দারুণভাবে এগিয়ে নিতে আর যাদের অবদান তার মাঝে অন্যতম সোহান। অধিনায়কত্বের পাশাপাশি ব্যাট হাতেও তিনি প্রমাণ দিয়েছেন আরেকবার। কোয়ালিফায়ারে বাদ পড়া সোহানের ব্যাটে আসে ২৬৬ রান। ৯ ইনিংসে ব্যাট চালিয়েছেন ১২৬ গড়ে। গড় ৫৩-এর বেশি। জাতীয় দলের বাইরে থাকা এই উইকেটরক্ষকের ব্যাটে এসেছে একটি ফিফটি। আসরে তার সর্বোচ্চ ইনিংস ৫২ রানের। ২০ চারের পাশাপাশি ১০ ছক্কা হাঁকিয়েছেন সোহান।
হাবিবুর রহমান সোহান : লিগপর্ব থেকে বিদায় নেওয়া রাজশাহী বিভাগের হাবিবুর রহমানও ছিলেন দাপুটে। কুড়ি কুড়ির লড়াইয়ে ব্যাট হাঁকিয়েছেন ১৬০-এর বেশি গড়ে। সব মিলিয়ে সিলেটে বসা আসরে করেন ২৫৯ রান। হার্ডহিটার সোহান ৩৭ গড়ে করেছেন একটি ফিফটি। আসরে ২৬ চারের পাশাপাশি ১৭টি ছক্কা হাঁকিয়েছেন। জায়গা করে নিয়েছেন সেরাদের কাতারে।
আজিজুল হাকিম তামিম : তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহিমদের ভিড়ে সেরাদের তালিকায় নাম লিখিয়েছেন আরেক তামিম। অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ চ্যাম্পিয়ন দলের অধিনায়ক তামিম লড়েন খুলনার পক্ষে। ২৬-এর বেশি গড়ে ১৩৭ স্ট্রাইক রেটে হাঁকিয়েছেন ব্যাট। ৯ ইনিংসে উইলোতে যোগ করেন ২৫৯ রান। ছিল দুটি ফিফটির ইনিংস। ১৯ চারের পাশাপাশি ১৬টি ছক্কাও হাঁকিয়েছেন এ তরুণ তুর্কি।