প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৫ ডিসেম্বর ২০২৪ ১৯:৫২ পিএম
আলাউদ্দিন বাবু হয়েছেন বোলিংয়ে সবার সেরা— সংগৃহীত ছবি
ম্যাড়মেড়ে ফাইনালে নির্ধারণ হয়েছে শিরোপা। ঢাকা মেট্রোর বিপক্ষে রংপুরের লড়াইয়ে চার-ছক্কার বদলে গত মঙ্গলবার উইকেট উদযাপনেই ব্যস্ত ছিলেন সমর্থকরা। কুড়ি কুড়ির লড়াইয়ের ফাইনাল না জমলেও তরুণ-অভিজ্ঞরা আলো ছড়িয়েছেন বেশ। আট দলের অংশগ্রহণের টুর্নামেন্টে ফাইনালসহ ৩২ ম্যাচ হয়েছে। ৬৪ ইনিংসে দলগুলো রান তুলেছে ৯ হাজারের বেশি। বোলাররা শিকার করেছেন সাড়ে চারশো উইকেট। আল আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক জাতীয় ক্রিকেট টি-টোয়েন্টির ব্যাটার-বোলারদের সেই ফিরিস্তি নিয়েই আয়োজন—
আলাউদ্দিন বাবু: শিরোপা জিততে আকবর আলী যতটি অস্ত্র ব্যবহার করেছেন, তার অন্যতম আলাউদ্দিন বাবু। যখন প্রয়োজন তখন উইকেট তুলেছেন, কখনও রান চাপিয়ে প্রতিপক্ষের চাপ বাড়িয়েছেন। ফাইনালে দেখিয়েছেন ফাইনাল শো। এই আলাউদ্দিনে চড়েই সেরাদের সেরা হয়েছেন রংপুর। রংপুরের পেস তারকার ঝুলিতে এসেছে বোলিংয়ে সেরার পুরস্কারও। ৯ ম্যাচে ১৯ উইকেট নেওয়া আলাউদ্দিনই সবার শীর্ষে। ছিলেন যথেষ্ট মিতব্যয়ীও। ৫.৫০ ইকোনমিতে ৩৪ ওভারে তিনি খরচ করেছেন ১৮৭ রান। ৯ রান খরচায় আসরে একবার নিয়েছেন সর্বোচ্চ ৪ উইকেট। যা এবারের আসরে সর্বোচ্চ বোলিং ইনিংস।
আহমেদ শরিফ: চট্টগ্রামের তারকা ক্রিকেটারের ভিড়ে নিজের দিকে আলো ঘুরিয়েছিলেন শরিফ। বোলিংয়ে দারুণ করা তরুণের ঝুলিতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৭ উইকেট। পাল্লা দিয়েছিলেন সেরাদের সেরা হতে। তবে তার দল আগেভাগে আসর থেকে ছিটতে যাওয়ায় সেই সুযোগ হয়নি। তবে ৭.৭৬ ইকোনমিতে নিজের জাত চিনিয়েছেন। ৮ ম্যাচে ২৬ ওভার বল করে শরিফ খরচ করেছেন ২০২ রান। সেরা বোলিং ২৬ রান খরচায় ৪ উইকেট।
রাকিবুল হাসান: ঢাকা মেট্রোকে সাহস জোগাতে সবচেয়ে কার্যকরী ছিলেন রাকিবুল হাসান। তার সঙ্গে আরেক স্পিনার আলিস মিলে মেট্রোকে বোলিংয়ে অন্যতম সেরার কাতারে নিয়েছিলেন। রাউন্ড লিগে অপ্রতিরোধ্য বানিয়ে তোলা দলকে ফাইনাল অব্দিও তুলতে তার অবদান অনেক। ফাইনালে অল্প পুঁজিতে লড়েও ছিলেন। তবে পারেননি। তরুণ রাকিবুল ৬.৪১ ইকোনমিতে নিয়েছেন ১৫ উইকেট। ৩৬.২ ওভার বল করে খরচ করেছেন ২৩৩ রান। সেরা বোলিং ফিগার ২৬ রানে ৩ উইকেট।
আলিস আল ইসলাম: নাইম শেখের মেট্রোকে ফাইনালে তুলতে বড় অস্ত্র হয়ে উঠেছিলেন আলিস। যখন প্রয়োজন পড়েছে দলকে এনে দিয়েছেন ব্রেক থ্রু। রান দিতেও যথেষ্ঠ কৃপণ ছিলেন রহস্যময় খ্যাত স্পিনার। ৫.৩২ ইকোনমিতে আলিস পকেটে পুরেছেন ১৪ উইকেট। ৪০ ওভার বল করে খরচ করেছেন ২১৩ রান। সেরা বোলিং ২২ রান খরচায় ৩ উইকেট।
আবু হায়দার রনি: ঢাকা মেট্রোর দুই স্পিনারের সঙ্গে একপাশে গতি আর সুইংয়ের খেরলা দেখাতেন রনি। জাতীয় দলের বাইরে থাকা পেসার গতির ঝলকে ৭ রানে নিয়েছিলেন তিন উইকেট। পুরো আসরে রনির থেকে ওভার প্রতি ৬ রানের বেশি নিতে পারেনি কোনো ব্যাটার। ১৩ উইকেট নিয়ে সেরার তালিকায় রনি নিজেকে দারুণ ভাবেই রেখেছেন।