প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২০ ডিসেম্বর ২০২৪ ১৮:২৬ পিএম
নাজমুল হোসেন শান্তর অনুপস্থিতিতে অধিনায়কত্বের দায়িত্বটা পেয়েছিলেন লিটন দাস। তার নেতৃত্বে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হোয়াইটওয়াশ করেছে বাংলাদেশ দল। স্মরণীয় সিরিজ শেষেও ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে অস্বস্তি থেকেই গেছে লিটনের। ক্যারিবীয় সফরে ওয়ানডে সিরিজের পর টি-টোয়েন্টি সিরিজেও মোটাদাগে ব্যর্থ ছিলেন উইকেটকিপার এই ব্যাটার। তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে লিটনের ব্যাট থেকে এসেছিল মাত্র ৬ রান। কুড়ি কুড়ি ফরম্যাটেও ছন্দে ফিরতে পারেননি তিনি, ৩ ম্যাচে করেছেন মোটে ১৭ রান।
লিটন জানালেন, রানখরা থেকে বের হয়ে
আসতে নিয়মিত চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের সঙ্গে কাজ করার
কথাও জানালেন ডানহাতি এই ব্যাটার, ‘ব্যাটিংয়ে আমি চেষ্টা করছি। তিন ফরম্যাট খেলছি,
লাগাতার একটু খারাপ চলে গেছে। সালাউদ্দিন স্যারের সাথে কাজ করছি। স্যার আমাদের অনেক
সহায়তা করছেন। প্রত্যেক খেলোয়াড় স্যারের সাথে ফ্রি। স্যার খুব ছোট থেকে খেলোয়াড়দের
চেনেন। ব্যাপারটা মানসিকভাবে অনেক সহায়তা করছে। আমিও স্যারের সাথে কথা বলছি। আমার মনে
হয় খুব তাড়াতাড়ি এখান থেকে বের হয়ে আসতে পারব।’
জাতীয় দলে দেশি কোচ নিয়োগের দাবি ছিল দীর্ঘদিনের। অবশেষে সেই দাবি পূরণ হয় সালাউদ্দিনের মাধ্যমেই। কোচিং প্যানেলে জায়গা পান সিনিয়র সহকারী কোচ হিসেবে। দেখভাল করছেন দলের ব্যাটিং ইউনিটকেও। তার ছোঁয়া কীভাবে স্বস্তি দিচ্ছে শিষ্যদের, তা স্পষ্ট করে খোলাসা করলেন লিটন, ‘সব কোচিং স্টাফই অনেক ফ্রেন্ডলি। নতুন কোচও। উনি কখনও খেলোয়াড়দের ওপর চাপিয়ে দেন না। আমরা যেহেতু অনেক দিন ধরে খেলছি আমাদের ক্তহারও মূল্য আছে। এ জিনিসটা গ্রহণ করেন। সালাউদ্দিন স্যারের কথা যেটা বললাম, আমরা বেশিরভাগই স্যারের হাত ধরে কোথাও না কোথাও খেলেছি। সবাইকে চেনে। আলোচনা ভালো হচ্ছে ড্রেসিংরুমে। স্যার খুবই ফ্রেন্ডলি মানুষ যার সাথে সব ধরণের কথা বলতে পারবেন। কেউ চাপে থাকলেও বের হয়ে আসতে পারে।’
একজন ক্রিকেটার কীভাবে বদলে দিতে পারেন
ক্রিকেটারদের এপ্রোচ, মানসিকতা, পারফরম্যান্স- মোহাম্মদ সালাউদ্দিন যেন তার জ্বলন্ত
দৃষ্টান্ত। ঘরোয়া ক্রিকেট, ক্লাব ক্রিকেট, বিপিএলে তো এই নজির অনেকবারই দেখা গেছে।
এবার দেখা যাচ্ছে আসল জায়গায়- জাতীয় দলে। লিটনের দাবি সালাউদ্দিনের অধীনে সবাই ফ্রিলি
কাজ করতে পারছেন, ‘কিছু জিনিস তো চেঞ্জ হচ্ছে। স্যারের বার্তা, ফ্রি কথাবার্তাগুলো… স্যারকে কেউ
না কেউ কোথাও না কোথাও পেয়েছে। একাডেমিতেও অনেকে প্র্যাকটিস করেছে। স্যার খুব ভালো
জানে কে কি করতে পারে না পারে। উনার গাইডলাইন খুব ভালোভাবে নিচ্ছে। এটা পজিটিভ সাইন।
ফ্রিলি কথা বলতে পারছি, ভুল ধরিয়ে দিচ্ছে।’