প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৯ ডিসেম্বর ২০২৪ ১৭:২১ পিএম
আপডেট : ১৯ ডিসেম্বর ২০২৪ ১৭:৫০ পিএম
নাটকের অবসান ঘটলো। পাকিস্তান ভারতে সফর করবে না এবং ভারত পাকিস্তানে খেলতে যাবে না এই শর্তে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে হাইব্রিড মডেলে অনুষ্ঠিত হবে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি। ২০২৪–২৭ চক্রের আইসিসি টুর্নামেন্টের ক্ষেত্রে এই ব্যবস্থা কার্যকর থাকবে।
বৃহস্পতিবার আইসিসির এক সংবাদবিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। ক্রিকেটবিষয়ক ওয়েবসাইট ইএসপিএন ক্রিকইনফো আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের সেই বিজ্ঞপ্তিতে তুলে ধরে এক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সেখানে প্রতিবেশী দুই দেশের ক্রিকেট চুক্তি সম্পর্কে বিষদ বিবরণ তুলে ধরা হয়।
ক্রিকইনফোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চুক্তি অনুযায়ী এই কার্যকর চালু হবে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি থেকে। ২০২৬ সাল অর্থাৎ একই বছরে নারী বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে। যা ভারতের মাটিতে গড়ানোর কথা। পরের বছরের অনুষ্ঠিত হবে ম্যান্স ওয়ার্ল্ডকাপ। যা ভারতের সঙ্গে যৌথভাবে আয়োজন করবে শ্রীলঙ্কা। যদিও ২০২৬ বিশ্বকাপ নিয়ে খুব একটা সমস্যা হওয়ার কথা নয়। কারণ, পাকিস্তানের ম্যাচগুলোর ভেন্যু শ্রীলঙ্কাতে ফেললেই সমস্যা সমাধান সম্ভব। তবে সমস্যা দেখা দিবে বাকি টুর্নামেন্টগুলো নিয়ে।
প্রশ্ন উঠতে পারে, হাইব্রিড মডেলে অনুষ্ঠাতব্য টুর্নামেন্টগুলোতে কোন ভেন্যু পছন্দের তালিকায় রাখবে পাকিস্তান ও তাদের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত। এক্ষেত্রে তাদের তাকিয়ে থাকতে হবে আইসিসির দিকে। শুরুতে আট জাতির টুর্নামেন্ট চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ইস্যুটি টানা যাক। ক্রিকইনফোর দাবি, চ্যাম্পিয়নস ট্রফি অনুষ্ঠিত হতে পারে দুবাই অথবা শ্রীলঙ্কাতে। এমনও হতে পারে সবগুলো ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে দুবাইয়ে। যদিও এ ব্যাপারে এখন পর্যন্ত চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি আইসিসি।
যদি সিদ্ধান্ত হয় পাকিস্তান-ভারতের ম্যাচগুলো দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত হবে। সেক্ষেত্রে খুশি হওয়ার কথা আমিরাত ক্রিকেট বোর্ডের। ইসিবি ভালোভাবেই জানে, পাক-ভারত ম্যাচ মানেই দশর্ক ভর্তি মাঠ, অঢেল টাকার বিজ্ঞাপন। এর জন্য আইসিসির ক্লিয়ারেন্স প্রয়োজন দুবাই ক্রিকেট বোর্ডের। ইসিবি নিশ্চয়তা দিয়েছে, তারা প্রস্তুত চ্যাম্পিয়নস ট্রফি আয়োজনে। তাদের দুটি ভেন্যু আবুধাবি ও শারজা চ্যাম্পিয়নস ট্রফির জন্য ব্যবহারের অনুমতি দিবে তারা।