প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪ ১৮:৫৪ পিএম
কুড়ি ওভারের ফরম্যাট ১২৯ রান নিতান্তই সাদামাটা। অথচ এই টার্গেট টপকাতে নেমে নাভিশ্বাস ছোটে ওয়েস্ট ইন্ডিজের। সেন্ট ভিনসেন্টে আর্নস ভেল গ্রাউন্ডে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ক্যারিবিয়ানরা গুটিয়ে যায় ১০২ রানে। স্বাগতিকদের আমন্ত্রণে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে একশর কাছাকাছি থেমে যাওয়ার শঙ্কায় পড়েছিল সফরকারীরা। আটে নেমে শামীম হোসেন পাটোয়ারি বাংলাদেশকে নিয়ে যান ১২৯ রানে, যা থেকে আসে ২৭ রানের জয়।
বুধবার বাংলাদেশের জয় উপহার
দেওয়া ছাড়াও দারুণ এক রেকর্ড গড়েছেন শামীম। তিনি ছুঁয়েছেন লিটন দাসকে। আর্নস ভেল গ্রাউন্ডে
২০০-র বেশি স্ট্রাইক রেটে ব্যাট চালিয়ে ১৭ বলে তুলেছেন ৩৫ রান। প্রথম ম্যাচেও তার স্ট্রাইক
রেট ছিল প্রায়ই একই। ২১ ম্যাচের আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে শামীম ১৬ ইনিংসে
চারবার ২০০ স্ট্রাইক রেটের ইনিংস খেললেও লিটন এখন পর্যন্ত খেলেছেন ৯২ ইনিংস। অর্থাৎ
শামীমের যেখানে প্রতি চার ইনিংসে একবার ২০০ ছুঁয়েছে স্ট্রাইক রেট, লিটন তা করেছেন প্রতি
২৩ ইনিংসে। কমপক্ষে ২৫ রানের ইনিংসে তিনবার ২০০ স্ট্রাইক রেটে ব্যাট করে এই রেকর্ডে
বাংলাদেশের তৃতীয়সেরা মাহমুদউল্লাহ।
সব মিলিয়ে টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের
ব্যাটসম্যানরা মাত্র ২৬ বার ২০০ স্ট্রাইক রেটে ২৫ বার এর বেশি রানের ইনিংস খেলেছেন।
টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের ব্যর্থতার পাল্লা যে ভারী সেটির প্রমাণও দিচ্ছে এই পরিসংখ্যান।
প্রায় এক বছর পর বাইশগজে নেমে
আলো ছড়াতে থাকা শামীম ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার নেওয়ার পর বললেন তিনি শুধু নিজের
খেলাটাই খেলেছেন, ‘কত দিন পর জাতীয় দলে ফিরেছি, তাই খুব ভালো লাগছে। আমি হলাম ফিনিশার,
আমার কাজই হলো মারা। শেষ কয়েক মাসে পরিশ্রম তো কম করিনি।’
গত বছরের ডিসেম্বরে জাতীয়
দল থেকে বাদ পড়ার পর বিভিন্ন ক্যাম্পে কাজ করেছেন শামীম। হাই পারফরম্যান্স স্কোয়াড
(এইচপি), ইমার্জিং দলের হয়ে খেলেছেন। এই ম্যাচগুলোতে ভালো খেলা তাকে আবার বিশ্বাস ফিরিয়ে
দিয়েছে, ‘আমি এর মাঝে যতগুলো ম্যাচ খেলেছি এইচপি দলের হয়ে বলেন বা অস্ট্রেলিয়া ট্যুরে
বলেন বা ইমার্জিং কাপ বলেন ভালো করেছি। ওগুলোর জন্য আত্মবিশ্বাস পেয়েছি।’