প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৩ ডিসেম্বর ২০২৪ ১৮:১৯ পিএম
‘ফুটবলের জন্য কিছু করা আমার নৈতিক দায়িত্ব- সত্যজিত দাস রুপু: ছবি : সংগৃহীত
গত অক্টোবরে অনুষ্ঠেয় বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) নির্বাচনে নির্বাহী সদস্য পদে নির্বাচন করে পঞ্চমবারের মতো জয়লাভ করেন সত্যজিৎ দাস রুপু। তার কিছুদিন পর ঢাকা আবাহনী ক্লাবের ফুটবলের ম্যানেজার নিযুক্ত হন জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক এ অধিনায়ক। বাফুফে নির্বাচনে জয়লাভ এবং আবাহনী ক্লাব নিয়ে কথা বলেছেন প্রতিদিনের বাংলাদেশের সঙ্গে।
প্রবা: এবারের মৌসুমে আবাহনী অংশ নেবে না শোনা গিয়েছিল…
রুপু: আবাহনী টিম এই মৌসুমে খেলবে না, এরকম একটা সিদ্ধান্ত হয়েছিল। পরে আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে দলবদলে অংশ নেয়। আমাকে যখন দায়িত্ব দেয়, আমার প্রথম লক্ষ্যই ছিল দলটাকে মাঠে নিয়ে যাওয়া এবং খেলায় অংশ নেওয়া। ক্লাব কর্তৃপক্ষ আমাকে যে দায়িত্ব এবং নির্দেশনা দিয়েছে সেভাবেই সবকিছু হয়েছে এবং আমরা লিগসহ টুর্নামেন্ট অংশ নিয়েছি। খেলার জন্য আমি তাদেরকে অনুরোধ জানিয়েছিলাম সেটারই একটা প্রতিফলন এটা।
প্রবা: সেই সময়ে ঠিক কি ঘটেছিল?
রুপু: দলবদলের শেষ দিনে ক্লাব কর্তৃপক্ষ যারা ছিলেন তারা একটা সময় সিদ্ধান্ত নিয়েই ফেলেছিলেন যে তারা অংশ নেবে না। তখন আমি তাদেরকে বুঝিয়েছি যে আবাহনীর যে বিশাল সমর্থকগোষ্ঠী আছে তাদের যে ভালোবাসা সেটা ধরে রাখতে হলে খেলার প্রয়োজন। পরে ক্লাবের আর্থিক সঙ্কটের কারণে বিদেশী খেলোয়াড় ছাড়া খেলতে আমরা রাজি হয়েছি।
প্রবা: আবাহনী কতদূর যাবে বলে মনে করেন…
রুপু: আবাহনী সবসময় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য খেলে। সে লক্ষ্য নিয়েই টিম শুরু করেছে, এরপর মৌসুম শেষে দেখা যাবে কি হয়। আশা করি ভালো কিছু হবে। অন্যরা বিদেশী নিয়ে খেলছে সেখানে আমাদের বিদেশী নেই, এটা আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জিং হবে।
প্রবা: বাফুফে নির্বাচনে এ নিয়ে পঞ্চমবার জিতলেন…
রুপু: হ্যা, এ নিয়ে পাঁচবার জয়লাভ করেছি। কাউন্সিলর যারা আছেন তাদের ম্যান্ডেট নিয়েই নির্বাচনে জয়ী হয়েছি। বাফুফে এখন যারা আছেন তাদের মধ্যে সিনিয়রদের একজন আমি, নির্বাচনে জয়লাভের দিক থেকে। প্রায় এক যুগের মত জাতীয় দলে খেলেছি, এরপর ফুটবলের সঙ্গে আছি অনেক দিনে ধরে। ফুটবল মাঠটা রক্তের সম্পর্কের মতো। ফুটবলের জন্য কিছু করাটা আমার নৈতিক দায়িত্ব। সেই দিক থেকে নির্বাচন করেছি এবং জয়লাভ করেছি।