অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ
প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৩ ডিসেম্বর ২০২৪ ০৮:৪১ এএম
আপডেট : ০৩ ডিসেম্বর ২০২৪ ০৮:৪৫ এএম
অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপের ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ। ২০২৩ সালে সবশেষ আসরের ফাইনালে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল টাইগার যুবারা। মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে ট্রফি ধরে রাখার মিশনে এবারও দাপট দেখাচ্ছে টাইগার যুবারা। গ্রুপ পর্বে টানা দুই ম্যাচ জিতে ইতোমধ্যে সেমিফাইনালে পা দিয়েছে আজিজুল হাকিম তামিমের দল। ‘বি’ গ্রুপের আরেক সেমিফাইনালিস্ট শ্রীলঙ্কাও টানা দুই ম্যাচ জিতেছে। তাই গ্রুপ সেরা হওয়ার লড়াইয়ে মুখোমুখি হচ্ছে দুই দল। দুবাইয়ের আইসিসি একাডেমি মাঠে আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় বেলা ১১টায় ম্যাচটি শুরু হবে। খেলাটি সরাসরি সম্প্রচার করবে টি-স্পোর্টস।
যুব এশিয়া কাপের উদ্বোধনী ম্যাচে আফগানিস্তানকে ৪৫ রানে হারিয়েছিল বাংলাদেশের অনূর্ধ্ব-১৯ দল। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেটে বাংলাদেশের ২২৮ রানের জবাবে ১৮৩ রানে গুটিয়ে যায় আফগানরা। দ্বিতীয় ম্যাচেও ৫ উইকেটের অনায়াসে জয় পায় অপেক্ষাকৃত দুর্বল নেপালের বিরুদ্ধে। দারুণ বোলিংয়ে নেপালিদের ১৪১ রানে বেঁধে রেখে ২৮.৪ ওভারেই জয় তুলে নেয় জুনিয়র টাইগাররা। নকআউট পর্বের আগে লঙ্কান যুবাদের বিপক্ষেও জয়ের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে বদ্ধপরিকর লাল-সবুজের জার্সিধারীরা।
ব্যাটিং, বোলিং কিংবা ফিল্ডিংÑ তিন বিভাগেই দুর্দান্ত বাংলাদেশের যুবারা। ব্যাট হাতে দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন আজিজুল হক তামিম। আফগানিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ঝলমলে সেঞ্চুরি হাঁকান যুবা টাইগার অধিনায়ক। এরপর নেপালের বিপক্ষেও ৫২ রানের অপরাজিত ইনিংসে দলকে জিতিয়েই মাঠ ছাড়েন বাঁহাতি এই ব্যাটার। এ ছাড়া দুই ওপেনার জাওয়াদ আবরার ও কালাম সিদ্দিকিও ব্যাট হাতে নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন। আর বল হাতে আল ফাহাদ, ইকবাল হোসেন ইমন, মারুফ মৃধারাও প্রতিপক্ষের ওপর ছড়ি ঘুরিয়েছেন।
অন্যদিকে শ্রীলঙ্কান যুবারা নিজেদের প্রথম ম্যাচে নেপালকে ৫৫ রানে হারায়। তাদের দেওয়া ২৩৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে হিমালয়ের দেশটি গুটিয়ে যায় ১৭৮ রানে। পরের ম্যাচে আফগানিস্তানকে ১৩১ রানের বিশাল বড় ব্যবধানে হারিয়ে সেমির টিকিট পায় লঙ্কান যুবারা। শারুজন শানমুগানাথানের (১০২) সেঞ্চুরি ৭ উইকেটে ২৪৩ রান করে শ্রীলঙ্কার যুবারা। রান তাড়ায় আফগানরা ২৮.২ ওভারে অলআউট ১১২ রানে। ফলে গ্রপ সেরার লড়াইয়ে বিজয়ী দল ‘এ’ গ্রুপের রানার্সআপের বিপক্ষে খেলবে। আর পরাজিত দল মুখোমুখি হবে ‘এ’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়নদের। দুটি সেমিফাইনালই আগামী শুক্রবার মাঠে গড়াবে। এরপর আগামী ৮ ডিসেম্বর মাঠে গড়াবে শিরোপা নির্ধারণী ফাইনাল।