জাতীয় ক্রিকেট লিগ
প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০১ ডিসেম্বর ২০২৪ ২১:৩২ পিএম
আপডেট : ০১ ডিসেম্বর ২০২৪ ২১:৩৩ পিএম
জাতীয় ক্রিকেট লিগে আসরের শেষ ম্যাচের প্রথম ইনিংসে শতরানের দেখা পেলেন রনি তালুকদার। রবিবার শেষ বিকালে হতাশায় মাঠ ছেড়েছেন এনামুল হক বিজয়। সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ১০ রান দূরে থেমেছেন তিনি। মোহাম্মদ মিথুন আছেন শতরান থেকে ১১ রান দূরে। সিলেটের অধিনায়ক অমিত হাসান স্পর্শ করেছেন দারুণ এক মাইলফলক।
এনসিএলে রনির দ্বাদশ সেঞ্চুরি : বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে প্রথম দিনের প্রথম ইনিংসে ২৮৯ রান সংগ্রহ করে বরিশাল। এদিন মোট ৮৪ ওভার খেলতে পারে দলটি। শেষ বিকালে মাত্র ১ ওভার ভাগে পেয়েছিল ঢাকা। রনি তালুকদার ও জিসান আলম সে ওভার কোনোমতে পার করেন। রবিবার নতুন উচ্ছ্বাসে বাইশ গজে নেমে তিন অঙ্কের ম্যাজিক্যাল ফিগার স্পর্শ করেন রনি। তার এক সেঞ্চুরিতে ১৪ রানে লিড নিয়ে দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষ করেছে ঢাকা।
জবাবে খেলতে নেমে ২৫ রানে ওপেনিং জুটি ভাঙে ঢাকার। মোজাম্মেল হাসানের বলে লেগবিফোরের ফাঁদে পড়েন জিসান। ২৩ বলে ১৯ রানে সাজঘরমুখো হন তিনি। ওপেনিং জুটি অল্পতে ভাঙলেও রনি খেলেছেন আসল খেলে। অষ্টম ব্যাটার হিসেবে ফেরার আগে প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ারে দ্বাদশ সেঞ্চুরি করেন রনি। ১৬ চার ও ১ ছক্কায় ২০২ বলে ১১২ রান করেন রনি। ৩৫ রানে অপরাজিত সুমন।
অমিতের মাইলফলক : প্রথম দিনে
রাজশাহীর প্রথম ইনিংসের ২২৬ রানের জবাবে নেমে ১৯ ওভার ব্যাটিং করে সিলেট। এ সময় ৫০
রানের আগে দুই উইকেট হারিয়ে বসে সিলেট। তবে দ্বিতীয় দিনে পিনাক ঘোষ ও অমিত হাসানের
বদৌলতে ঘুরে দাঁড়ায় দলটি। দুজনই ফিফটির দেখা পেয়েছেন। তার মধ্যে চলতি লিগে ৭০০ রানের
মাইলফলক স্পর্শ করেছেন অমিত।
পিনাক-অমিত দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখলেও ২১২ রানে গুটিয়ে যায় সিলেট। ১৪ রানের লিড পেয়ে দ্বিতীয় দিন শেষে রাজশাহীর সংগ্রহ ৩ উইকেটে ৭০ রান।
বিজয়ের দুঃখ, স্বপ্ন দেখাচ্ছেন
মিঠুন : আউটফিল্ড ও আলোকস্বল্পতার কারণে খুলনা ও রংপুরের ম্যাচের প্রথম দিনে খেলা হয়েছে
কেবল ২৫ ওভার। এদিন খুলনা ২ উইকেটে তুলতে পারে ৭৯ রান। উইকেটে ৫০ রানে অপরাজিত ছিলেন এনামুল হক ও মোহাম্মদ মিথুন (৫*)।
দ্বিতীয় দিনে ৯০ রানে থামেন এনামুল। ১৪২ বলে ৯ চার ও ছয় ছক্কায় এই রান করেন তিনি। তবে
স্বপ্ন জিইয়ে রেখেছেন মিথুন। তিনি ৮৯* রানে অপরাজিত রয়েছেন।
মূলত খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় দিনেও পুরো দিনের খেলা হয়নি। ৪৪ ওভার খেলা হয়েছে এদিন। দুদিন মিলিয়ে রংপুরের বিপক্ষে সংগ্রহ ৭ উইকেটে ২৪০ রান।
হায়দারে নাকাল চট্টগ্রাম :
দ্বিতীয় দিনেই জয়ের আভাস পাচ্ছে ঢাকা মেট্রো। কারণ প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও
চট্টগ্রাম বিভাগ খুব একটা ভালো অবস্থানে নেই। প্রথম ইনিংসে চট্টগ্রামের ১৬০ রানের জবাবে
২৬৮ রান সংগ্রহ করে ঢাকা। ১০৮ রান পিছিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে খেলতে নেমে ইতোমধ্যে ৬ উইকেট
হারিয়ে ১৭৩ রান সংগ্রহ করেছে চট্টগ্রাম। ৬৫ রানে এগিয়ে থেকে তৃতীয় দিন ব্যাটিংয়ে নামবে
চট্টগ্রাম। মেট্রোর হয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট তোলেন আবু হায়দার।