প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৪ নভেম্বর ২০২৪ ১৯:৪২ পিএম
আপডেট : ২৪ নভেম্বর ২০২৪ ১৯:৫৮ পিএম
মাবিয়া আক্তার সীমান্ত
সপ্তম আন্তঃসার্ভিস ভারোত্তোলন প্রতিযোগিতায় দ্যুতি ছড়ালেন মাবিয়া আক্তার সীমান্ত। রেকর্ড গড়লেন এসএ গেমসে দুবারের স্বর্ণজয়ী এ ভারোত্তোলক। বাংলাদেশ আনসারের এ তারকা ভারোত্তোলক আজ ৭১ কেজি ওজন শ্রেণীতে রেকর্ড গড়ে জিতেছেন স্বর্ণপদক। স্ন্যাচে তোলেন ৮৫ কেজি। ক্লিন অ্যান্ড জার্কে ১১১ কেজি উত্তোলন করেন সেরা হন মাবিয়া। দুটি বিভাগেই তিন কেজি করে বেশি তোলেন। সব মিলিয়ে তিনি ১৯৬ কেজি ওজন তুলেছেন। গত মার্চে বাগেরহাটে এই প্রতিযোগিতায় নিজে যে রেকর্ড গড়েছিলেন। সেটা টপকে এবার গড়লেন আবারও রেকর্ড। ১৯০ কেজি ওজন তুলে আগের রেকর্ডটি করে ছিলেন মাবিয়া।
সার্ভিসেস প্রতিযোগিতা হলেও ৭১ কেজি ওজন শ্রেণীতে নতুন জাতীয় রেকর্ড করেছেন মাবিয়া। ঘরোয়া প্রতিযোগিতায় মাবিয়া নিজেই নিজের প্রতিদ্বন্দ্বী। এ নিয়ে তার ভাষ্য, ‘আসলে এখন লড়াইটা নিজের সঙ্গে নিজেরই। প্রতি টুর্নামেন্টে চেষ্টা থাকে বিগত ওজন ছাড়িয়ে যাওয়ার। ’ ২০১৪ সাল থেকে জাতীয় চ্যাম্পিয়ন হয়ে চলেছেন সীমান্ত। গত এক দশকে অনেকবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন। রেকর্ড যেমন গড়েছেন, ঠিক তেমনি ভেঙেছেনও অনেক রেকর্ড। তাই তো নিজের সব কীর্তি মনেও নেই মাবিয়ার, ‘ঠিক মনে নেই, কতবার রেকর্ড হলো বা ভাঙলাম। যত দিন খেলব তত দিনই রেকর্ড করতে চাই।’
২০১৬ ও ২০১৯ সালে এসএ গেমসে ৬৩ কেজি ওজন শ্রেণীতে খেলেন মাবিয়া। ভারোত্তোলনে বয়সের সঙ্গে বদলে যায় ওজনের শ্রেণী। গত বছর থেকে ৭১ কেজিতে খেলে যাচ্ছেন। আগামী ডিসেম্বরে বাহরাইনে বিশ্ব ভারোত্তোলন চ্যাম্পিয়নশিপেও এই ওজন শ্রেণীতেই অংশ নেবেন মাবিয়া। এ আসরে তার সঙ্গী হচ্ছেন আনসারের আরেক ভারোত্তোলক বাকী বিল্লাহ।
ঘরের আসরে রেকর্ডের পর রেকর্ড গড়ে চলেছেন। ভেঙে গড়ছেন নতুন রেকর্ড। দক্ষিণ এশিয়ান প্রতিযোগিতায়ও মিলছে সাফল্য। কিন্তু এই অঞ্চলের বাইরের মাবিয়ার পারফরম্যান্স বেশ হতাশাজনক। এর কারণ ব্যাখ্যা করে বাস্তবতা লুকালেন না মাবিয়া, ‘আমার ওজন শ্রেণীতে এশিয়ান সেরার মানদন্ডে কয়েক কেজি পিছিয়ে। একজন ভারোত্তোলকের খাবার, অনুশীলন, কোচ থেকে শুরু করে অনেক বিষয় জড়িত। বাংলাদেশের ভাত্তোলকরা সব কিছুতেই পিছিয়ে। ফলে বড় পর্যায়ে ভালো করা দুঃসাধ্যই।’
ভারোত্তোলন ফেডারেশনের জিমনিশিয়ামের ছোট্ট একটি কক্ষে চলছে এবারের সপ্তম আন্তঃসার্ভিস ভারোত্তোলন প্রতিযোগিতা। এ আসর সার্ভিসেস দল নির্ভর হওয়ায় শীর্ষ ভারোত্তোলকরাই এতে অংশ নিচ্ছেন।