প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২০ নভেম্বর ২০২৪ ২০:১৬ পিএম
আপডেট : ২০ নভেম্বর ২০২৪ ২০:২২ পিএম
পাকিস্তান সিরিজের পর টানা তিন দেশের বিপক্ষে সিরিজ খুইয়েছে বাংলাদেশ। ব্যাটিং ব্যর্থতা ছিল এর অন্যতম কারণ। জাতীয় লিগের কারণে ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও বগুড়া চষে বেড়ানো রাজ্জাকের সামনে আনা হয় বিষয়টিও। বিশেষ করে, জাতীয় লিগকে বলা হয় দেশের ক্রিকেটের আঁতুড়ঘর। সেই আঁতুড়ঘর থেকে বাংলাদেশ কতটা সুবিধা পাচ্ছে। এনসিএলে কাঁপিয়ে জাতীয় দলে ফিরে অনেককেই ঝরে পড়তে দেখা যায়। এর মূলে কী কাজ করে, বাংলাদেশ জাতীয় দলের নির্বাচক আব্দুর রাজ্জাক বিষয়টি কীভাবে দেখেন?
বুধবার মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে সাংবাদিকদের প্রশ্নে জাতীয় দলের এই নির্বাচক বলেছেন, ‘কিছু ক্ষেত্রে আমি মেনে নিচ্ছি, আবার কিছু ক্ষেত্রে এটা মানব না। জাতীয় লিগে খেলা, কাউন্টি খেলা, অস্ট্রেলিয়া ফার্স্ট ক্লাস ম্যাচ খেলা আর টেস্ট ম্যাচ আকাশ-পাতাল পার্থক্য। কখনই এক হবে না। আমাদের দেশের টেস্টের মানদণ্ডে নেওয়া তো সম্ভব না। কাছাকাছি হয়তো নেওয়া যাবে। বেশ কয়েক বছর আমাদের উইকেটের বেশ উন্নতি হয়েছে। যারা মাঠে যান তারা হয়তো দেখছেন। বলও পরিবর্তন করা হয়েছে। কীভাবে ডিফিকাল্টি ফেস করতে হয় এটা দেখা যায়। একটু একটু করে হলেও যেন আগাচ্ছে ব্যাপারটা।’
এনসিএলের পারফরম্যান্সই মুখ্য নয়, জাতীয় দলে জায়গা ধরে রাখতে হলে এখানেও নিজেকে প্রমাণ করে যেতে হবে, সে কথাও বলেছেন রাজ্জাক, ‘একটা সিরিজ বা এনসিএল দেখে কাউকে বাদ দেওয়া মুশকিল। সেটা যেমন সত্যি, তেমনি জাতীয় লিগে দরজায় কড়া নাড়তে থাকলে সেটা কিন্তু ওখানেও (জাতীয় দল) পৌঁছে যায়। আমি নিশ্চিত, যারা জাতীয় দলে খেলে তারা যদি খারাপ খেলে, তারা ওই দরজার আওয়াজ শুনতে পাবে। এটা সহজ প্রক্রিয়া। আমার কিছু করা লাগবে না। এটা সিস্টেমে হয়ে যাবে। যে নক করছে সে যদি গুড এনাফ হয়, সে চলে আসবে। যে ভেতরে আছে পারফর্ম করতে না পারে, সে ভেতর থেকে বাইরে চলে আসবে।’
এনসিএল শেষে আগামী মাসের ১১ তারিখে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে জাতীয় লিগ মাঠে গড়াবে। বিপিএলের আগে এই টুর্নামেন্ট খেলে ক্রিকেটাররা ভালো প্রস্তুতি নেওয়ার সুযোগ পাবেন। রাজ্জাক এটাও জানিয়ে রাখলেনÑ সবাই টি-টোয়েন্টি খেলার জন্য উদগ্রীব। সবাই টি-টোয়েন্টিটাকে ক্রিকেট মনে করছে। এটা হচ্ছে সবচেয়ে বড় কারণ। যদিও আমি মনে করি, ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ থেকেই তারা বেশি আয় করে। তারপরও কেন যেন টি-টোয়েন্টির প্রতি বাড়তি ঝোঁক।’