প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২০ নভেম্বর ২০২৪ ১৬:২৬ পিএম
বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট টিম
২০২৫ সালে ভারতের মাটিতে হতে যাচ্ছে নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপ। বৈশ্বিক এ আসরে সরাসরি খেলার টিকিট ছিনিয়ে নিতে কঠিন সমীকরণের সামনে এখন বাংলাদেশের নারীরা। কারণ এর জন্য নিগার সুলতানা জ্যোতিদের আগামী ছয় ওয়ানডের সবকটিতেই জয় পেতে হবে। আর এটা করা সম্ভব হলেই কেবল সরাসরি বিশ্বকাপের মূল পর্বে নাম লিখতে পারবে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। অন্যথায় বাছাইপর্বের বৈতরণী পেরোতে হবে জ্যোতিদের।
সেই লক্ষ্যে অটল থেকে হোম সিরিজে আয়ারল্যান্ডের নারীদের হোয়াইটওয়াশ করতে চায় বাংলাদেশ। সিরিজের স্পন্সর ঘোষণা অনুষ্ঠানে বিসিবির নারী বিভাগের প্রধান হাবিবুল বাশার সুমন সেই লক্ষ্যের কথাই জানান। সাবেক এ টাইগার অধিনায়ক বলেন, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য এই সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে জয়। ঘরের মাঠে খেলার সুবিধা আমাদের রয়েছে। বিশ্বকাপটা উপমহাদেশে হওয়ায় আমাদের দল বেশ আত্মবিশ্বাসী। আমরা এই সুযোগ কাজে লাগাতে চাই এবং বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্ন পূরণ করতে চাই।’
আইরিশ সিরিজের পর জ্যোতিরা তিনটি ওয়ানডে খেলবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে। তবে তবে এসব নিয়ে এখন ভাবতে রাজি নয় এখন দল। শুধু আইরিশ সিরিজ জয়ে মনোযোগী দেশের কন্যারা। এ নিয়ে বাশার বলেন, ‘আমাদের পরের সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে তিনটি ওয়ানডে ম্যাচ আছে। তবে এসব পরের বিষয়। আমাদের সামনে এখন আয়ারল্যান্ড সিরিজ। এই সিরিজের দিকে আমরা ফোকাস থাকছি।’
অনুষ্ঠানে বিসিবি পরিচালক নাজমুল আবেদীন ফাহিম দেশের নারী ক্রিকেটের উন্নয়নের জন্য বিসিবির উদ্যোগ নিয়ে বলেন, ‘আমরা আগে নারী ক্রিকেট শক্তিশালী করতে পর্যাপ্ত কাজ করতে পারিনি। তবে এবার পাইপলাইন গড়ার উদ্যোগ নিয়েছি। দেশের সেরা কোচদের একজন সারওয়ার ইমরানকে নিয়োগ দিয়েছি অনূর্ধ্ব-১৯ নারী ক্রিকেট দলের কোচ হিসেবে। বিকেএসপিতে ক্যাম্প করে অনূর্ধ্ব-১৯ দলকে প্রস্তুত করা হচ্ছে। আমরা অনূর্ধ্ব-১৬ দল নিয়েও কাজ করার পরিকল্পনা করছি।’
আরও বেশি বেশি ম্যাচ খেলার সুযোগ পেলে বাংলাদেশের নারী ক্রিকেটাররাও ভালো করবে বলে প্রত্যাশা আশা ফাহিমের, ‘আমরা চাই আমাদের নারী ক্রিকেটাররা বছরে অন্তত ৪০-৫০টি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাক। এটা করতে পারলে নারী ক্রিকেটের মান দ্রুত উন্নত হবে। ভবিষ্যতে আমরা আরও ভালো দল তৈরি করতে পারব।’