প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৭ নভেম্বর ২০২৪ ২১:০২ পিএম
আপডেট : ১৭ নভেম্বর ২০২৪ ২৩:২৪ পিএম
স্টিভ বাকনারের সিদ্ধান্তে এভাবেই হতবাক হতে হয়েছিল শচীন টেন্ডুলকারকে।
আম্পায়ারিং জগতে কিংবদন্তিতুল্য স্টিভ বাকনার। ২০ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে পাঁচটি বিশ্বকাপ ফাইনালের আম্পায়ার ছিলেন ৭৮ বছর বয়সি এই জ্যামাইকান। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে ১২৮ টেস্ট ও ১৮১ ওয়ানডের দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০০৯ সালে ক্যারিয়ার ইতি টানেন তিনি।
ক্যারিয়ার শেষে নীরবে-নিভৃতে
থাকা বাকনর হুট করেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায়। শচীন টেন্ডুলকারের কল্যাণে আলোচনায়
তিনি, উঠেছেন ‘ট্রেন্ডে’। শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি ছবি পোস্ট করেন
ভারতের সাবেক অধিনায়ক। ছবিতে দেখা যায়- ব্যাটিং স্টান্স নিয়ে দাঁড়ানো শচীন। পেছনে বিশাল
আকৃতির তিনটি গাছ। ছবির ক্যাপশনে শচীন লিখেছেন, ‘কেউ অনুমান করতে পারেন, কোন আম্পায়ার
স্টাম্পকে এত বড় মনে করতেন?’
পোস্টের পর কমেন্ট ঝড় নামে। গতকাল রাতে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ভিউ হয় ৩.১ মিলিয়ন। রিপোস্ট করে ভারতের সাবেক ক্রিকেটার আকাশ চোপড়া লিখেছেন, ‘একটা নাম। কত স্মৃতি। বাকনার সব সময়ই এটাকে আকর্ষণীয় করেছে।’

শচীন কেন এমন ছবি পোস্ট করেছেন,
এই পোস্টে বাকনারের নামটাই বা কেন আসছে? এটা জানতে স্মৃতি হাতড়াতে হবে। টাইম ট্রাভেলে
চলে যেতে হবে ২০০৩ সালে। সেবার ব্রিসবেনের গ্যাবায় একটি টেস্ট ম্যাচে ব্যাট করছিলেন
শচীন। তখন জেসন গিলেস্পির বল গিয়ে লাগে তার প্যাডে। বলটি বেশ উপরে উঠেছিল। বল স্টাম্পের
ওপর দিয়েই যাবে, এমনটা স্পষ্ট ছিল। কিন্তু গিলেস্পি আবেদনে সাড়া দেন বাকনার। সবাইকে
হতবাক করে তর্জনী তুলে দেন! এই আউট অনেক কথা চালাচালি।
আরও একবার বাকনারের সিদ্ধান্তের
বলি হতে হয় শচীনকে। ২০০৫ সালে কলকাতার ইডেন গার্ডেনে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের
মুখোমুখি হয়েছিল ভারত। ম্যাচটিতে সফরকারী দলের বোলার আবদুর রাজ্জাকের বলে শচীনকে কট
বিহাইন্ড দিয়েছিলেন বাকনার। এই আউট নিয়ে পরবর্তীকালে ভুল স্বীকার করেন তিনি। মূলত ইডেনে
দর্শকদের হইচইকেই দায়ী করেছিলেন তিনি। তার চেয়েও বরং বাকনারের ব্যাখ্যা, তিনি মানুষ।
মানুষ মাত্রই ভুল। তিনিও ভুলের ঊর্ধ্বে নন।