প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৩ অক্টোবর ২০২৪ ১৯:৪১ পিএম
আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০২৪ ২০:০৫ পিএম
দক্ষিণ আফ্রিকাকে কমপক্ষে ২০০ রানের লিড দিতে চায় বাংলাদেশ— ছবি: প্রবা ফটো
সংবাদ সম্মেলনে ডজনখানেকবার ‘বিলিভ’ শব্দটি টানলেন মুশতাক আহমেদ। বাংলাদেশের স্পিন বোলিং কোচের সেই বিলিভ তথা বিশ্বাস হচ্ছে, ‘এই বাংলাদেশ পারবে।’ কথার প্রমাণও টেনেছেন। একবার দুবার করে তিনবার তিনটি প্রশ্নের জবাবে পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডি টেস্টকে উদাহরণে এনেছেন মুশতাক, ‘২৬ রানে ৬ উইকেট হারানো থেকে আমরা টেস্ট জিতেছি। এটাই তো বিশ্বাস।’ সেই বিশ্বাসে ভর করেই দক্ষিণ আফ্রিকাকে কমপক্ষে ২০০ রানের লিড দিতে চায় বাংলাদেশ।
মিরপুর শেরই বাংলা
ক্রিকেট স্টেডিয়ামে গতকাল বুধবার দিনের শুরুটা যেভাবে হয়েছিল, তাতে ইনিংস হার চোখ রাঙাচ্ছিল।
তবে সেখান থেকে উল্টো ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেওয়ার পথে থেকে মিরপুর টেস্টের
তৃতীয় দিন শেষ করেছে টাইগাররা। আবহাওয়ার চোখ রাঙানি থাকলেও তৃতীয় দিন শেষে ম্যাচে ফিরেছে
নাজমুল হোসেন শান্তর দল। দ্বিতীয় ইনিংসে ৭ উইকেটে ২৮৩ রান তুলেছেন মেহেদী মিরাজরা।
প্রোটিয়াদের ২০২ রানের লিড শোধ করে ৮১ রানের লিড এগিয়েছে। মুশতাক আহমেদ বিশ্বাস রাখছেন,
যারা ব্যাটিং করছেন তারা এখান থেকে দলকে বড় একটা লিড এনে দেবেন।
গতকাল দিনের খেলার
অর্ধেকের বেশি ভেস্তে গেছে বৃষ্টি আর আলোকস্বল্পতায়। আগামী দুই দিনেও বৃষ্টির জোর সম্ভাবনা
আছে। যদি বৃষ্টি না হয়, তাহলে কি ম্যাচ বাঁচাতে পারবে বাংলাদেশ? হাতে আছে মাত্র তিন
উইকেট। এই তিন উইকেট নিয়ে প্রোটিয়াদের সামনে কত রানের টার্গেট ছুড়ে দেওয়া সম্ভব? মুশতাক
বলেছেন, ‘এখান থেকে যতটা পারি লিড নেওয়ার চেষ্টা করব। আমার কথা হলোÑ যেকোনো পরিস্থিতিতে
বিশ্বাস রাখতে চাই। অবশ্যই ২০০ লিড নেওয়া সম্ভব বলে মনে করি। ২৬ রানে ৬ উইকেট হারানো
থেকে টেস্ট জিতেছি। এটাই তো বিশ্বাস।’
মিরপুর টেস্টের
চতুর্থ দিন যদি বৃষ্টির বাধা পেরিয়ে ম্যাচ মাঠে গড়ায় তাহলে দায়িত্ব নিয়ে ব্যাটিং করতে
হবে মিরাজ ও নাঈমের। স্পিন বোলিং কোচ মুশতাক শুধু নাঈম নয় তাইজুল ইসলাম, হাসান মাহমুদের
মতো লোয়ার অর্ডারের ব্যাটারেও আস্থা রাখতে চান, ‘আমরা প্রক্রিয়ায় স্থির থাকতে চাই।
পাল্টা লড়াই করতে চাই। আমরা দলে থাকা প্রতিটি খেলোয়াড়ে বিশ্বাস রাখতে চাই। তাইজুল ইসলামও
পূর্বে এমন পরিস্থিতিতে রান করেছে।’
মোদ্দাকথা, মিরপুর
টেস্টের ভাগ্য ঝুলে আছে ব্যাটারদের ওপর। আরেকটু খোলাসা করে বললে, সেঞ্চুরির পথে থাকা
মিরাজের (৮৭) কাঁধেই বড় দায়িত্ব।