প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২৩ অক্টোবর ২০২৪ ১৬:৪০ পিএম
‘রিয়াল মাদ্রিদ এভাবেই জেতে’- এমন একটা কথা প্রায়শই শোনা যায়। গতকাল রাতে চ্যাম্পিয়নস লিগের খেলায় বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের বিপক্ষে জোড়া গোলে পিছিয়ে পরার পরও শেষ পর্যন্ত ৫-২ ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে রিয়াল। পুরনো কথাটি তাই বেশ জোরেসোরে উচ্চারিত হচ্ছে। রিয়াল এভাবেই জেতে। প্রত্যাবর্তনের এমন দুর্দান্ত জয়ের নায়ক ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডের হ্যাটট্রিকেই জার্মান জায়ান্টদের হারিয়েছে কার্লো আনচেলত্তির দল। অবিশ্বাস্য পারফরম্যান্সের জন্য কোচের কাছ থেকেও প্রশংসায় ভাসছেন ভিনি।
এদিন জোড়া গোলে পিছিয়ে থেকে বিরতিতে যায় রিয়াল। পরের অর্ধেই রিয়াল গুনে গুনে পাঁচ গোলে দিয়েছে প্রতিপক্ষের জালে। যেখানে বাকি দুটি গোল রুডিগার ও ভাসকেসের। তবে ভিনিকে নিয়ে কোচ আনচেলত্তি বলেছেন, ‘দ্বিতীয়ার্ধে ভিনিসিয়ুস যেভাবে খেলেছে এটা খুব বিরল। কেবল তিন গোলের জন্যই নয়, এটা তার দৃঢ়তার জন্য। সে অসাধারণ।’ এরপর ব্যালন ডি’অর জিততে যাওয়া ভিনিকে নিয়ে আলাদা করে আনচেলত্তি বলেন, ‘সে (ভিনিসিয়ুস) সোমবার (ব্যালন ডি’অর) জিততে যাচ্ছে। আজ (মঙ্গলবার) রাতে যা করেছে এর জন্য নয়, গত বছর যা করেছে সেটার জন্য। এই তিন গোল আগামী বছরের ব্যালন ডি’অরের জন্য হিসেবে আসবে। মাঠে সে দর্শকদের লক্ষ্যবস্তু হয়, কারণ সে পার্থক্য গড়ে দিতে পারে।’
চ্যাম্পিয়নস লিগের সর্বশেষ ফাইনালে বরুশিয়া ডর্টমুন্ডকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল রিয়াল। জার্মান ক্লাবের বিপক্ষে এবারের দেখায় পিছিয়ে থেকে বিরতিতে গেলেও কোনো শঙ্কায় পেয়ে বসেনি তাদের। আনচেলত্তি মনে করেন, এই ধরনের পরিস্থিতি থেকে বের হয়ে আসার জন্য কী করা উচিত সেটা বোঝার মতো অভিজ্ঞতা ও পরিপক্বতা তার দলের আছে, ‘আমরা (বিরতির সময়) শান্ত ছিলাম। আমরা ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনি ও বিরতির পর আরও তীব্রতা নিয়ে খেলি। তিন গোলের কথা হয়তো কাল্পনিক শোনাত, তাই আমরা ছোট ছোট ব্যাপারগুলো নিয়ে কথা বলেছি, যেমন ভালোভাবে পাস দেওয়া, বল দখলের লড়াইয়ে জেতা। আমাদের খেলার গতির লড়াইয়ে জিততে হতো, সেখান থেকেই আমরা ম্যাচ জয়ের পথে এগিয়ে যাই।’
আনচেলত্তি আরও বলেন, ‘দ্বিতীয়ার্ধে যা করেছি, সেখান থেকে আমাদের শিখতে হবে। লক্ষ্য হবে ম্যাচটা ভালোভাবে শুরু করা এবং প্রতিপক্ষ আমাদের দুই গোল দেবে সেটার অপেক্ষা না করা। আমার মনে হয় না, আমরা ৯০ মিনিট দ্বিতীয়ার্ধের ওই একই তীব্রতা নিয়ে খেলে যেতে পারব। তবে আমরা ভারসাম্যপূর্ণ হতেই পারি।’