প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২০ অক্টোবর ২০২৪ ১৯:০৯ পিএম
ব্যাটিংয়ে খুব ভালো না হলেও উইকেটের পেছনে দুর্দান্ত ছিলেন বাংলাদেশের অধিনায়ক— সংগৃহীত ছবি
বাদ পড়েছে অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড বাদ। শিরোপার মঞ্চে ছিল না ভারতও। স্বভাবতই নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নতুন চ্যাম্পিয়ন দেখেছে ক্রিকেট বিশ্ব। রবিবার নিউজিল্যান্ড-দক্ষিণ আফ্রিকার ফাইনাল মহারণের আগে এবারের আসরের সেরা একাদশ তৈরি করেছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। সেখানে বাংলাদেশের হয়ে আছেন একজন। বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দল ভালো করতে না পারলেও ধারাবাহিক পারফর্ম করেছেন নিগার সুলতানা জ্যোতি। তার প্রতিফলন ঘটেছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার একাদশেও।
ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার একাদশে একমাত্র এশিয়ান ক্রিকেটার হিসেবে জায়গা পেয়েছেন বাংলাদেশের অধিনায়ক জ্যোতি। বিশ্বকাপে ব্যাট হাতে মনে রাখার মতো কিছু করতে না পারলেও উইকেটের পেছনে নিজের কাজটা দারুণ ভাবে করেছেন জ্যোতি। ব্যাট হাতেও বাকিদের চেয়ে ছিলেন ধারাবাহিক। আসরে জ্যোতির ব্যাটিং গড় ৩৪-এর বেশি। তাইতো হয়েছেন সেরা এগারোর একজন।
বেস্ট ইলেভেনে সবচেয়ে বেশি খেলোয়াড় দক্ষিণ আফ্রিকার। প্রোটিয়া নন্দিনীদের চারজন পেয়েছেন জায়গা। আরেকফাইনালিস্ট নিউজিল্যান্ড থেকে আছেন তিনজন। অস্ট্রেলিয়া থেকে ২ জন এবং বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ থেকে একজন করে। সেরা একাদশে সুযোগ হয়নি ভারত, পাকিস্তান কিংবা শ্রীলঙ্কার কোনো খেলোয়াড়ের।
আসরে বাংলাদেশ অধিনায়ক জ্যোতির ব্যাট থেকে এসেছে ১০৪ রান। ৪ ম্যাচে ৩৪.৬৬ গড়ে ব্যাট হাঁকিয়েছেন বাংলাদেশের অধিনায়ক। উইকেটের পেছনে ১ ক্যাচের পাশাপাশি ছয়টি স্টাম্পিংয়ের কৃতিত্ব আছে জ্যোতির।
সংযুক্ত আরব আমিরাতে চলে যাওয়া বিশ্বকাপটি বাংলাদেশে হতে পারত। তবে নিরাপত্তজনিত কারণে বাংলাদেশ থেকে বৈশ্বিক আসরটি সরিয়ে নেয় আইসিসি। স্বাগতিক স্বত্ব নিয়েই শারজাহ ও দুবাইয়ে খেলতে যায় টাইগ্রেসরা। আসরের শুরুর দিনে স্কটল্যান্ডকে হারিয়ে দাপুটে শুরু করে জ্যোতিদের দল। বিশ্বকাপে তাতেই ভাঙে হারের বৃত্ত। তবে এরপর আর জয়ে ধারা ধরে রাখতে পারেনি বাংলাদেশের নন্দিনীরা। গ্রুপ পর্বের চার ম্যাচের পরের তিনটি হেরে বিদায় নেয় বাংলাদেশ। তবে ব্যতিক্রম ছিলেন অধিনায়ক জ্যোতি।
ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপ একাদশ
লরা উলভার্ট, তাজমিন ব্রিটস, জর্জিয়া প্লিমার, মারিজানে কাপ, দিয়ান্দ্রা দোতিন, অ্যামেলিয়া কার, নিগার সুলতানা জ্যোতি, অ্যানাবেল সাদারল্যান্ড, ইডেন কার্সন, মেগান শ্যুট এবং ননকুলুলেকো এমলাবা।