প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৮ অক্টোবর ২০২৪ ১৩:২৮ পিএম
আপডেট : ১৮ অক্টোবর ২০২৪ ১৪:৩৮ পিএম
বয়স ৩৭ ছুঁয়েছে। লিওনেল মেসি চাইলে আরও কয়েক বছর ফুটবল খেলে যেতে পারবেন। তবে সেটার সীমা ঠিক কত বছর? এ নিয়ে এখন পর্যন্ত সরাসরি কিছুই বলেননি আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক। তবে এটা স্পষ্ট যে, নিজেকে ঠিক রাখতে পারলে অন্তত ২০২৬ বিশ্বকাপে দেখা যেতে পারে তাকে। কারণ বয়স বাড়লেও মেসির পায়ের জাদু, ধার-ভারে ভাটা পড়েনি একচুলও, বরং সূক্ষ্মতার নজির রাখছেন প্রতিনিয়ত। সবশেষ বলিভিয়া ম্যাচ যার প্রমাণ। যদিও আর্জেন্টাইন সুপারস্টার অবসর নিয়ে কিছুটা আঁচ দিয়েছেন এবার। জানিয়েছেন, ‘আমি জানি, এগুলোই আমার শেষ ম্যাচ হতে পারে।’
মেসি তার বিদায়লগ্নের ক্ষণ আভাস দিলেও ২০২৬ বিশ্বকাপে খেলার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেননি। তবে এ সময়ে এসব নিয়ে ভাবতেও চান না। আপাতত ক্যারিয়ারের এ মুহূর্তে সুখে থাকা ও সুস্থতা ধরে রাখাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন। স্প্যানিশ প্রচারমাধ্যম মার্কাকে তিনি বলেছেন, ‘এখনই এসব (বিদায়) নিয়ে ভাবছি না। আমি প্রতিদিন উপভোগের চেষ্টা করি। আশা করি ভালো থাকতে ও সুখী হতে এ পর্যায়ে খেলা চালিয়ে যেতে পারব।’ যোগ করেন, ‘যেটা করতে ভালোবাসি, সেটা করলে আমি সুখে থাকি। ২০২৬ বিশ্বকাপে খেলার চেয়ে আমি সেটাকে গুরুত্ব দিচ্ছি। আমি বিশ্বকাপে খেলার লক্ষ্য স্থির করিনি, তার চেয়ে প্রতিদিন ভালোভাবে জীবনযাপন করতে চাই।’
২০০৪ সালে ক্যারিয়ার শুরু হয় মেসির। লা লিগায় বার্সেলোনার হয়ে অভিষেক হয়। স্পেনে থাকাকালে ৮৯৪টি ম্যাচে অংশ নেন। এরপর প্যারিস সেন্ট জার্মেই ও সবশেষ ইন্টার মিয়ামিতে যোগ দেন। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যাত্রাটা আর্জেন্টিনার তরুণ দলের হয়ে। ২০০৫ সালে অভিষেক হয় তার। আকাশি-নীলদের জার্সিতে ১৮৯ ম্যাচে ১১২ গোল করেন। আলবিসেলেস্তাদের হয়ে বিশ্বকাপ ছাড়াও কোপা আমেরিকা, ফাইনালিসিমা জয় করেন। ক্যারিয়ারে ৪৮টি মেজর ট্রফি জয়ের সাক্ষী এ ফরোয়ার্ড। তবে মিয়ামির জার্সিতে খুব একটা সুবিধা করতে না পারলেও মেসির লক্ষ্য এখানে ভালো কিছু করে দেখানো। তিনি বলেছেন, ‘আমি এখানে (ইন্টার মিয়ামি) এসেছি, এখানে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছি, এর অর্থ এই নয় আমি অবসর নিতে এসেছি কিংবা আমি অবসরের দ্বারপ্রান্তে। এখানে আসার অর্থ, দলটাকে আরও বড় এবং সমৃদ্ধ করা। ট্রফি জিতে দলের উন্নয়নে অবদান রাখতে যেটা আমরা করেছি এবং আরও শিরোপার খুব কাছে।’