মুলতান টেস্ট
প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১১ অক্টোবর ২০২৪ ১৪:৪০ পিএম
আপডেট : ১১ অক্টোবর ২০২৪ ১৬:১২ পিএম
পঞ্চম দিনের আড়াই সেশন বাকি থাকতেই ইনিংস ও ৪৭ রানে মুলতান টেস্ট হারল পাকিস্তান। একই সঙ্গে টেস্টের ১৪৭ বছরের ইতিহাসে পাকিস্তান প্রথম দল হিসেবে প্রথম ইনিংসে ৫০০–এর বেশি রান তুলেও ইনিংস ব্যবধানে হার দেখেছে।
মুলতান টেস্টে পাকিস্তানের ভাগ্য লিখন গতকালই হয়ে গিয়েছিল। আজ শুক্রবার ৬ উইকেটে ১৫২ রান নিয়ে পঞ্চম দিনের খেলা শুরু করেছিল স্বাগতিকরা। সেখান থেকে খুব বেশি দূর এগোতে পারল না। ম্যাচ বাঁচাতে হলে উইকেটে থাকতে হতো পুরো তিন সেশন। তবে এক সেশনও টিকতে পারলো না শান মাসুদের দল।
৬ উইকেটে ১৫২ রান নিয়ে পঞ্চম দিনের খেলা শুরু করেছিল পাকিস্তান। সেখান থেকে খুব বেশি দূর এগোতে পারল না স্বাগতিকরা। ম্যাচ বাঁচাতে হলে উইকেটে থাকতে হতো পুরো তিন সেশন। তবে এক সেশনও টিকতে পারলো না স্বাগতিকরা।
আগের দিনে ৪১ রানে অপরাজিত থেকে দিন শেষ করা আগা সালমান আজ ফিফটির দেখা পেয়েছেন। সকালে বেশ কয়েক ওভার দেখে-শুনে ব্যাটিং করেছেন। তাকে যোগ্য সঙ্গ দিয়েছেন আমের জামাল। তাতে সপ্তম উইকেট জুটিতে দুজনে শতরান পার করেন। তাদের এই জুটি কিছুটা হলেও পাকিস্তানি সমর্থকদের মনে আশা জাগিয়েছিল। তবে ৫৫ রান করে সালমান ফিরলে ভাঙে সেই জুটি।
এরপর দ্রুতই ফিরেছেন শাহিন আফ্রিদি ও নাসিম শাহ। আর অসুস্থ থাকায় ব্যাট করতে পারেননি আবরার আহমেদ। তাই ৯ উইকেট পরার পরই শেষ হয় পাকিস্তানের ইনিংস। আমের জামাল অপরাজিত ছিলেন ১০৪ বলে ৫৫ রান করে।
ব্যাটিং স্বর্গ মুলতানে নিজেদের প্রথম ইনিংসে তিন সেঞ্চুরিতে ৫৫৬ রানের বড় পুঁজি পেয়েছিল পাকিস্তান। নিজেদের এমন রান নিয়ে হয়তো তৃপ্তির ঢেঁকুরই তুলেছিলেন অধিনায়ক শান মাসুদ। কিন্তু পাকিস্তানের সাড়ে পাঁচশর বেশি রানও যে ইংল্যান্ডের সামনে মামুলি সংগ্রহ হয়ে যাবে তা কে ভাবতে পেরেছিল!
জো রুট ও হ্যারি ব্রুকের বিশ্বরেকর্ড গড়া জুটির সঙ্গে জ্যাক ক্রাউলি ও বেন ডাকেটের মাঝারি দুটি ইনিংসে ভর করে ইংল্যান্ড ৮২৩ রান করে নিজেদের ইনিংস ঘোষণা করে। ব্রুক ক্যারিয়ারে প্রথম ট্রিপল সেঞ্চুরির দেখা পান, রুট ষষ্ঠবারের মতো করেন ডাবল সেঞ্চুরি। ব্রুকের ৩১৭ রানের মতো রুটের ২৬২ রানের ইনিংসটাও ক্যারিয়ারসেরা। দুজনের ঝলমলে ইনিংসে দলের লিড গিয়ে দাঁড়ায় ২৬৭ রান!
গতকাল (বৃহস্পতিবার) টেস্টের চতুর্থ দিনে ২৬৭ রানে পিছিয়ে থেকে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে মুখ থুবড়ে পড়ে পাকিস্তানের ব্যাটিং অর্ডার। দলীয় শতরানের আগেই টপ অর্ডারের ৬ ব্যাটারকে হারিয়ে ফেলে স্বাগতিকরা। বড় ইনিংস খেলতে পারেননি টপ অর্ডারের কেউই।
সায়িম আইয়ুব ও সৌদ শাকিল উইকেটে থিতু হয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি। আর বাবর আজম-মোহাম্মদ রিজওয়ানের মতো অভিজ্ঞরা ছিলেন পুরোপুরি ব্যর্থ।