প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১০ অক্টোবর ২০২৪ ১৪:১৫ পিএম
আপডেট : ১০ অক্টোবর ২০২৪ ১৫:০২ পিএম
তামিম ইকবাল ও সালাউদ্দিন। ছবি : সংগৃহীত
বাংলাদেশ দলের প্রধান কোচের দায়িত্বে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত থাকার কথা চন্ডিকা হাথুরুসিংহের। বিসিবির সঙ্গে শ্রীলঙ্কান কোচের চুক্তিই এমন। ধারণা করা হচ্ছে, হাথুরুর মেয়াদ শেষ হলেই নতুন কোচ খুঁজবে বিসিবি। আর সেই নতুন কোচ বাংলাদেশের মধ্য থেকে কেউ হোক এমনটাই চাওয়া অনেকের। তবে সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল বলছেন ভিন্ন কথা। টাইগারদের প্রধান কোচ হওয়ার যোগ্য দেশে কেউ নেই বলে মন্তব্য ড্যাসিং এই সাবেক ওপেনারের। এরপর তামিমের সেই কথার ব্যাখ্যা দিয়েছেন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের সাবেক কোচ সালাউদ্দিন।
অনেকটা তামিমের সঙ্গে একমত সালাউদ্দিন। দেশের অন্যতম সেরা এ কোচ বলেছেন, ‘তামিম সঠিক কথা বলেছে। জাতীয় দলে যে ক্রিকেটাররা প্রথমবার আসে, তখন আমরা কি ভাবী সে প্রস্তুত হয়ে এসেছে? খেলোয়াড়দের সময় দেওয়া হয়। তাদের যদি পাঁচ বছর লাগে তৈরি হতে তাহলে তো কোচদেরও সময় দেওয়া উচিত।’
দেশের মধ্য থেকেই সাবেক ক্রিকেটারদের কোচ বানানো নতুন কিছু নয়। বিশ্বের অনেক বড় ক্রিকেট খেলুড়ে দেশই এ পথে হাঁটছে। প্রতিবেশী দেশ ভারতে অনেক বছর ধরেই হেড কোচের পদ ভারতীয়দের দখলে। সম্প্রতি শ্রীলঙ্কাও ক্রিস সিলভারউডের জায়গায় বসিয়েছে দেশটির কিংবদন্তি সনাৎ জয়াসুরিয়াকে। বাংলাদেশেরও তেমন কিছু ভাবা উচিত কি নাÑএমন প্রশ্ন করা হয়েছিল তামিমকে। এ প্রসঙ্গে তামিম বলেছিলেন, ‘আমার মনে হয় না প্রধান কোচ হওয়ার মতো যোগ্য কেউ বাংলাদেশে এখন আছে। এখন এমন দু-তিন জন আছেন, যারা সহকারী কোচ হতে পারেন।’
তবে দেশি কোচদের প্রাধান্য দেওয়া নিয়ে তামিম বলেন, ‘বাংলাদেশ দলের কোচিং স্টাফে ৭০:৩০ অনুপাত থাকা উচিত। প্রধান কোচ পদে একজন বিদেশি ও তার সঙ্গে বড়জোর আরও দুজন বিদেশি কোচ থাকতে পারেন। সহকারী কোচ পদে বাকি ৭০ শতাংশ বাংলাদেশি নিয়োগ করা উচিত। তাতে স্থানীয় কোচদের গড়ে তোলার ক্ষেত্রে সহায়ক হবে এবং একদিন তারা প্রধান কোচ হতে পারবেন।’