বাংলাদেশ সফর
প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৮ অক্টোবর ২০২৪ ১১:৫৪ এএম
আপডেট : ০৮ অক্টোবর ২০২৪ ১১:৫৫ এএম
টেম্বা বাভুমা
চলতি অক্টোবরে বাংলাদেশ সফরে আসছে দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রোটিয়াদের টেস্ট টিমে যারা রয়েছেন, তাদের মধ্যে মাত্র একজনেরই বাংলাদেশে টেস্ট খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে। ২০১৫ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে বাংলাদেশে এসে দুটি টেস্ট খেলেছিলেন টেম্বা বাভুমা। এবারের সফরে প্রোটিয়াদের ক্যাপ্টেনও তিনি। সেই বাভুমার দল থেকে ছিটকে যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। নতুন অধিনায়কের নেতৃত্বে বাংলাদেশে আসতে হতে পারে আফ্রিকান টিমকে। ইনজুরির কারণেই বাভুমার বাংলাদেশ সফর নিয়ে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা।
দক্ষিণ আফ্রিকা আজ আবুধাবিতে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ শেষ করতে যাচ্ছে। শুক্রবার এ সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে কনুইয়ে চোট পান বাভুমা। যে কারণে ব্যাটিং শেষ করতে পারেননি। রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে ফেরেন সাজঘরে। পরে ৩৫ বছরের বাভুমা ফিল্ডিংয়েও নামেননি। আজ সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতেও তার খেলার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। প্রোটিয়া অধিনায়ক এখন নিজ দেশে ফিরে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের দ্বারস্থ হবেন। বাভুমা বাংলাদেশ সফরে না এলে, দক্ষিণ আফ্রিকার নেতৃত্বভার যেতে পারে এইডেন মার্করামের কাঁধে। বাভুমার আগে বাংলাদেশ সফর থেকে বাদ পড়েছেন পেসার নান্দ্রে বার্গারও। এ কারণে দুশ্চিন্তা ভাঁজ পড়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার টিম ম্যানেজমেন্টের কপালে।
কনুইয়ের চোটটা অনেকদিন ধরেই জ্বালিয়ে মারছে বাভুমাকে। ২০২২ সালে ভারত সফরে টি-টোয়েন্টি ম্যাচে প্রথম কনুইয়ে চোট পান তারকা এ ব্যাটার। ওই চোট নিয়ে ইংল্যান্ড সফরে দলের সঙ্গী হতে পারেননি। বাভুমা ফের দলে নাম লেখান ২০২২ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। তবে তার নেতৃত্বে গ্রুপ পর্ব থেকেই ছিটকে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা। পরে টি-টোয়েন্টির নেতৃত্ব হারান। তবে ওয়ানডে ও টেস্টে বাভুমা এখনও তাদের অধিনায়ক।
কনুইয়ের চোটের সঙ্গে হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটও ভুগিয়েছে বাভুমাকে। গত বছর ভারতের বিপক্ষে বক্সিং ডে টেস্টে হ্যামস্ট্রিং চোট নিয়ে সিরিজ থেকেই বাদ পড়েন। পরে নিউজিল্যান্ড সফরে ছিলেন দর্শক হয়ে। তবে ফিট হয়ে এসএ-টোয়েন্টিতে খেলেন বাভুমা। সর্বশেষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে খেলে ফের চোটে পড়লেন প্রোটিয়া অধিনায়ক। চলমান বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ছয়টি ম্যাচ এখনো বাকি দক্ষিণ আফ্রিকার। বাংলাদেশ সফরের পর ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দুই ম্যাচের সিরিজ খেলবে দলটি। শীর্ষ দুইয়ে থেকে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা বাঁচিয়ে রাখতে অন্তত পাঁচটি জয় দরকার তাদের।
২০১৫ সালে বাংলাদেশের টেস্ট সিরিজ ড্র করেছিল দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে। বৃষ্টির হানায় অমীমাংসিত থেকে যায় মিরপুর ও চট্টগ্রামের দুটি ম্যাচ। সফরে টেস্ট দলে ছিলেন ক্যাগিসো রাবাদা দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে কোনো ম্যাচে মাঠেই নামেননি। অভিজ্ঞ এ পেসার রয়েছেন এবারের সফরেরও।