সিরিজে চোখ শান্তর
প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৪ অক্টোবর ২০২৪ ২০:৫৮ পিএম
টি-টোয়েন্টিতে আগ্রাসী এপ্রোচে খেলতে চান শান্তরা— গোয়ালিয়র থেকে ছবি তুলেছেন আ. ই. আলীম
বিশ্বকাপের পর প্রথমবার মাঠে নামছে বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি দল। এখন থেকে নতুন অ্যাপ্রোচে ব্যাটারদের ব্যাটিংয়ের আশ্বাস দিয়েছেন নাজমুল হোসেন শান্ত। সেই সঙ্গে টাইগার কাপ্তান জানিয়েছেন, ভারত সিরিজ দিয়েই শুরু হবে ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতি। গোয়ালিয়রে শুরু হওয়া কুড়ি কুড়ির মঞ্চে শান্ত ভুলতে চান টেস্ট সিরিজের হতাশাও।
তিন ম্যাচের সিরিজের প্রথম ম্যাচের ভেন্যু গোয়ালিয়রে আজ শুক্রবার ঘাম ঝরিয়েছে বাংলাদেশ দল। গোয়ালিয়র ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রবিবার সাড়ে সাতটায় তাদের বিশ ওভারের লড়াই। তার আগে শান্ত প্রত্যয়ী কণ্ঠে বলেছেন, এখান থেকেই হবে নতুন বাংলাদেশের শুরু। প্রতিপক্ষ ভারত টি-টোয়েন্টির বিশ্বচ্যাম্পিয়ন। তা সত্ত্বেও শান্ত বিশ্বাস করেন, নিজেদের দিনে জয়ের সামর্থ্য আছে বাংলাদেশের।
টাইগার কাপ্তান ছোট ফরম্যাটের ম্যাচটি খেলতে চান আগ্রাসী স্টাইলে, ‘টি-টোয়েন্টিতে কে জিতবে তা আগে থেকে ধারণা করা কঠিন। ব্যাটিং, বোলিং, ফিল্ডিং কারা ভালো করছে এর ওপর নির্ভর করে। এখানে নতুন খেলোয়াড়, বড় খেলোয়াড় বা পুরাতন খেলোয়াড় বলে কিছু নেই। সত্যি বলতে আমরা সিরিজ জিততে চাই। আগ্রাসী ক্রিকেট খেলতে চাই। গত বিশ্বকাপে আমরা সেমিফাইনাল খেলার খুব ভালো একটা সুযোগ পেয়েছিলাম।’
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইটে বাজেভাবে দুই হারের পরও সেমিফাইনালে ওঠার সুযোগ এসেছিল বাংলাদেশের সামনে। পরে আফগানিস্তানকে যে সমীকরণে হারাতে হতো, তার চেষ্টাই করেননি বাংলাদেশের ব্যাটাররা। শেষপর্যন্ত ম্যাচই হেরে যায় বাংলাদেশ। শান্ত চান এখন থেকে ভিন্ন অ্যাপ্রোচে খেলতে। ভারতের বিপক্ষে তিন টি-টোয়েন্টির সিরিজকেই তিনি সামনের বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসেবে দেখছেন, ‘এই সিরিজ থেকে দেখতে পারবেন সবাই ভিন্ন অ্যাপ্রোচে খেলছে। সবাই জেতার জন্য খেলবে। এই খেলোয়াড়দের সঙ্গে হয়তো আরও ৪-৫ জন যুক্ত হবে, যারা ২০২৬ বিশ্বকাপে খেলবে। এই সিরিজ থেকেই বিশ্বকাপের প্রস্তুতি শুরু হবে। ছাব্বিশের চিন্তা মাথায় রেখেই সিরিজ শুরু করব।’
বড় রান করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ব্যাটারদের যে লাগাতার ব্যর্থতা, তার বড় কারণ টপ অর্ডারের ব্যর্থতা। শুরুর দিকের ব্যাটারদের প্রতি শান্ত বড় আশা করছেন, ‘টপ অর্ডারদের ভালো শুরু খুবই গুরুত্বপূর্ণ। উইকেটে কত রান প্রয়োজন, ওই অনুযায়ী ব্যাট করা জরুরি। কোনোদিন ১৪০ হতে পারে, কোনোদিন ১৮০। ওই এপ্রোচে ব্যাটিং করবে বলে আশা করছি।’
সংবাদ সম্মেলনে বেশ কয়েকটি প্রশ্ন সাকিব ইস্যুতে উত্তর দিতে হয়েছে শান্তকে। সবশেষ সাকিবকে দেশে নিরাপত্তা দেবে বলে ক্রীড়া উপদেষ্টার বক্তব্য জানানো হয়। প্রতিক্রিয়ায় শান্ত বলেন, ‘সাকিব ভাইয়ের ব্যাপারে যেটা বললেন, এটা অবশ্যই উনি যদি দেশের মাটিতে গিয়ে খেলতে পারেন এটা আমাদের প্রত্যেক ক্রিকেটারের জন্য একটা স্বস্তির ব্যাপার হবে।’