প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ২১:২৭ পিএম
আপডেট : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ২১:৩৪ পিএম
গত ৫ আগস্ট পতন হয়েছিল সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের। সাকিব আল হাসানও সেই সরকারের মাগুরা-২ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুথানে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর তার বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। এরপর থেকেই বাঁহাতি এই অলরাউন্ডারকে দল থেকে বাদ দেওয়ার গুঞ্জন ওঠে।
অবশ্য আন্দোলনের বেশ আগে থেকেই দেশের বাইরে ছিলেন সাকিব। ওই সময় তিনি কানাডার গ্লোবাল টি-টোয়েন্টি লিগে খেলছিলেন। অথচ, তার বিরুদ্ধে হত্যার নির্দেশদাতা হিসেবে মামলা হয়েছে। এরপর বিসিবির পক্ষ থেকে সাকিবের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিয়েছিলেন সভাপতি ফারুক আহমেদ। তিনি বলেছিলেন, প্রয়োজনে সাকিবকে আইনি সহায়তাও দেওয়া হবে।
শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিসিবির আরেক পরিচালক খালেদ মাহমুদ সুজন সাকিবের বিরুদ্ধে মামলা প্রসঙ্গে কথা বলেছেন। বিশ্বের সেরা এই অলরাউন্ডারকে হয়রানি না করার আহ্বান জানান সাবেক এই অধিনায়ক। সুজন বলেছেন, ‘সাকিব যদি কোনো অন্যায় করে থাকেন, সেটার বিচার হোক। কিন্তু যদি সে অন্যায় না করে, তার ওপর যদি অন্যায় দোষ চাপিয়ে দেন। ও তো এর মধ্যে ক্রিকেটই খেলেছে। এর মধ্যে তো সময়ই পায়নি রাজনীতিতে ঢোকার।’
জাতীয় দলে সাকিবের গুরুত্ব নিয়ে সুজন বলেছেন, ‘ক্রিকেটার হিসেবে আমরা তো জানি সে বিশ্বসেরা। যতদিন সে ফিট থাকবে, আমরা তাকে ঠিকমতো খেলতে দেই। এতে বাংলাদেশের জন্যই ভালো হবে। ও খেললে দলকে ভালো সাপোর্ট দেয়। ও থাকলে দলের ভারসাম্য ভালো হয়। সাকিব এমন একজন অলরাউন্ডার, যে ব্যাটিংয়েও পারদর্শী, বোলিংয়েও।’
অন্য অনেকের মতো সুজনও মনে করেন, খেলোড়দের উচিত হবে খেলা চলাকালে রাজনীতিতে যোগ না দেওয়া, ‘মাত্র কয়েক মাস আগেই তো সে এমপি হয়েছিল। রাজনীতি আর খেলাধুলাকে এক করা ঠিক না। আবার খেলোয়াড়দেরও উচিত না, খেলা অবস্থায় রাজনীতি করা। সে সব সময়ই খুব কঠিন মানসিকতার। আমি জানি না, গত কয়েক দিনে যা হয়েছে তাতে তার সেই সীমা ছাড়িয়ে গেছে কি না। আশা করি, সব ঠিক হয়ে যাবে।’