এএফসি নারী চ্যাম্পিয়নস লিগ
প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ১৯:৪৭ পিএম
আপডেট : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ২০:৩৩ পিএম
ভুটানের ক্লাব রয়েল থিম্পু কলেজ এফসির হয়ে খেলেছেন বাংলাদেশের ঋতুপর্ণা চাকমা। ছবি : ঋতুপর্ণার ফেসবুক ওয়াল থেকে নেওয়া
এবারের নারী এএফসি চ্যাম্পিয়নস লিগের প্রথম আসরে খেলতে পারেনি বাংলাদেশের
কোনো ক্লাব। তবে বাংলাদেশের চার নারী ফুটবলারকে দলে নিয়েছিল ভুটানের ক্লাব রয়েল থিম্পু
কলেজ এফসি। যদিও আইটিসি (পূর্ববর্তী ক্লাবের অনুমতিপত্র) না থাকার কারণে ভুটানে গেলেও
মাঠে নামতে পারেননি অভিজ্ঞ ফুটবলার সাবিনা খাতুন। না খেলার আক্ষেপে অবশ্য পুড়তে হয়নি
ঋতুপর্ণা চাকমা, মারিয়া মান্দা ও মনিকা চাকমাকে। তিনজনই খেলেছেন ভুটানের ক্লাবটির হয়ে।
দলের হয়ে গোলও করেছেন ঋতুপর্ণা। দেশে ফিরে জানালেন নিজের অভিজ্ঞতার কথা।

বড় টুর্নামেন্টে খেলার অভিজ্ঞতা এবার জাতীয় দলের হয়ে কাজে লাগাতে চান ঋতুপর্ণা, মারিয়া, মনিকারা। প্রথমবারের মতো দেশের বাইরে গিয়ে গোল করে আনন্দিত ঋতু। শনিবার বাফুফে ভবনের সামনে জানালেন নিজের সেই অভিজ্ঞতার কথা, ‘এত বড় একটা টুর্নামেন্টে খেলেছি, ক্লাবের হয়ে গোল করেছি। এটা সত্যিই আনন্দের। অনেক দেশের ফুটবলারদের সঙ্গে খেলার অভিজ্ঞতা হয়েছে। এটা আমাদের জন্য ভালো একটা দিক। আমরা আগামীতে এই অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে পারব।’ একই সুর মারিয়া, মনিকার কণ্ঠে। মারিয়া বলেন, ‘এই প্রথম এত বড় ক্লাব টুর্নামেন্টে খেললাম। এটা দারুণ একটা অভিজ্ঞতা। আমাদের সবারই নতুন অভিজ্ঞতা হয়েছে। আগামীতে এই অভিজ্ঞতা আমাদের অনেক কাজে আসবে।’

বিদেশের ক্লাবে খেলার নতুন অভিজ্ঞতা হয়েছে মারিয়ার। সেসব অভিজ্ঞতা নিয়ে সামনে তাকাতে চান এই ফরোয়ার্ড, ‘আসলে এর আগেও অনেকবার দেশের বাইরে খেলতে গেছি। এবারের বিষয়টা ভিন্ন। বিদেশের ক্লাবের হয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগে খেলতে গিয়েছি। অনেক বাইরের ফুটবলারদের সঙ্গে ড্রেসিংরুম শেয়ার করেছি। সব মিলিয়ে দারুণ একটা সময় গেছে। নতুন অভিজ্ঞতা সামনের দিনে আমাদের কাজে আসবে।’ নারীদের সাফের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ। যে কারণে চ্যাম্পিয়ন দলের ফুটবলার হিসেবে কিছুটা বাড়তি সমাদরও পেয়েছেন মারিয়ারা, ‘আমরা সাফ চ্যাম্পিয়ন দলের ফুটবলার হিসেবে খেলতে গিয়েছিলাম। আমাদের সবাই সমাদর করেছে। সবাই আমাদের সঙ্গে কথা বলেছে, বিভিন্ন কিছু জানতে চেয়েছে। ভালো হোটেলের ব্যবস্থা ছিল আমাদের জন্য। সব মিলিয়ে তাদের আপ্যায়ন খুবই ভালো ছিল।’

এদিকে এএফসি চ্যাম্পিয়নস লিগে খেলে এসে ভিন্ন কারণে কিছুটা মন খারাপ ঋতুপর্ণার। দেশের কোনো ক্লাব এই প্রতিযোগিতায় থাকলে হয়তো খেলার সুযোগ হতো তারও। তিনি মনে করেন এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের কোনো ক্লাব খেললে ভালো করতে পারত। এ ছাড়া দেশের ফুটবলারদেরও খেলায় উন্নতি হতো বলে মনে করেন অভিজ্ঞ এই মিডফিল্ডার, ‘আমরা সেখানে খেলতে গিয়েছিলাম, তবে তাদের চেয়ে আমরা এগিয়েই আছি বলে আমার মনে হয়েছে। বাংলাদেশের ক্লাব চ্যাম্পিয়নস লিগে খেলার পদক্ষেপ নিলে আমরা ভালো কিছুই করতে পারব।’