প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ০০:০৬ এএম
জাতীয় দলের প্রধান কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহের মেয়াদ আর কতদিন? বাংলাদেশের ক্রিকেটে এটাই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। বদলে যাওয়া পরিস্থিতিতে হাথুরুর চাকরি এখন সুতোয় ঝুলছে। অনেকের মতে, চলমান পাকিস্তান সিরিজ শেষেই তাকে বিদায় করা হতে পারে। তবে এখনই হাথুরুকে বিদায় করার পক্ষে নন মিনহাজুল আবেদীন নান্নু। লঙ্কান এ কোচকে আগামী বছর পাকিস্তানে হতে যাওয়া আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফি পর্যন্ত রেখে দেওয়ার পক্ষে জাতীয় দলের সাবেক এই প্রধান নির্বাচক।
হাথুরুসিংহে প্রথম মেয়াদে ২০১৪ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ দলের প্রধান কোচ ছিলেন। এরপর গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে দুই বছরের চুক্তিতে দ্বিতীয় মেয়াদে জাতীয় দলের দায়িত্ব নেন। টাইগার শিবিরের লঙ্কান এই কোচের সঙ্গে বিসিবির চুক্তি আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি-মার্চের ওই চ্যাম্পিয়নস ট্রফি পর্যন্তই। তাই মেগা এই আসরের আগে হঠাৎ কোচ পরিবর্তন করাকে ভুল সিদ্ধান্ত হতে পারে বলে মনে করেন বর্তমানে বিসিবির চিফ কো-অর্ডিনেটর অব প্রোগ্রামে দায়িত্বরত নান্নু।
গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে নান্নু বলেন, ‘২০২৩ বিশ্বকাপের সময় যে কোচের পরিবর্তন হয়েছিল, ওই স্বল্প সময়ে পরিকল্পনা সাজানোটা কিন্তু কঠিন ছিল। একটা বিশ্বকাপের জন্য টিম গুছিয়ে আনতে কমপক্ষে এক থেকে দেড় বছর সময় লাগে। ওই জায়গায় এসে যদি হেড কোচ সরে যায় সেটা খুব কঠিন। ২৩-এর ওই সময়টায় পরিবর্তন করায় কঠিন হয়ে পড়েছিল। তারপরও আমি জানি না। এটা বোর্ডের সিদ্ধান্ত, যেহেতু বোর্ডের ডিরেক্টররা আছেন। তারা সভাপতির সঙ্গে মিলে সিদ্ধান্ত নেবেন। বোর্ডের সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।’
এদিকে দেশের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার পালাবদলে বিসিবি সভাপতির আসনে বসেছেন ফারুক আহমেদ। হাথুরুসিংহের প্রথম আমলে ২০১৬ সালে তিনি প্রধান নির্বাচকের পদ ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন। এর পেছনে অন্যতম প্রধান দায় ছিল হাথুরুর। তাই স্বাভাবিকভাবেই হাথুরু তার গুডবুকে নেই। তা ছাড়া দেশের ক্রিকেটাঙ্গনের বড় একটি অংশ হাথুরুকে আর চাইছে না। শ্রীলঙ্কান এই কোচকে বিদায় বলে দেওয়ার জন্য সঠিক মুহূর্তের অপেক্ষা করছে বোর্ড।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার বোর্ড মিটিং শেষে হাথুরুসিংহের ব্যাপারে বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদ বলেছিলেন, ‘পাকিস্তান সিরিজটা শেষ হোক, আমাদের ভালো সুযোগ আছে (সিরিজ জেতার)। বিদেশি সিরিজে এ-রকম সুযোগ হয় না। প্রতিষ্ঠানের প্রধান হয়ে স্বেচ্ছাচারী হতে পারি না। আমার কাজের ধরন আগে যে-রকম ছিল, এখনও তা-ই আছে। আমার সাত আর সাত দিন, ১৪ দিন পরে নতুন কোনো ফল আসতে পারে।’