প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৪ আগস্ট ২০২৪ ১৯:৪৫ পিএম
আপডেট : ১৪ আগস্ট ২০২৪ ১৯:৫৪ পিএম
‘নিজ দেশে পরবাসী’ কথাটির নিকটতম উদাহরণ পাকিস্তান ক্রিকেট দল। ২০০৯
সালে লাহোরে শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটারদের বহনকারী বাসে হামলার ঘটনায় দেশটির ক্রিকেটাঙ্গনে
‘খড়্গ’ নেমে আসে। বেলা ফুরালেও পরবর্তীকালে আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজনে বেশ কাঠখড় পোড়ায়
পিসিবি। তবে অবস্থা এখন কিছুটা অনুকূলে। সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কয়েকটি দেশ পাকিস্তানের
অতিথি হয়েছে। এমনকি ২০২৫ সালে চ্যাম্পিনস ট্রফি অনুষ্ঠিত হবে পাকিস্তানে। আর চলতি মাসে
বাংলাদেশের বিপক্ষে দুটি টেস্ট খেলবে দেশটি। ২১ আগস্ট সিরিজের প্রথম টেস্ট। হোম সিরিজ
হওয়া সত্ত্বেও নাজমুল হোসেনদের মুখোমুখির আগে দুশ্চিন্তায় পাকিস্তানের অধিনায়ক শান
মাসুদ।
পাকিস্তানের দুশ্চিন্তার কারণ একাধিক! চলতি বছরের জানুয়ারিতে অস্ট্রেলিয়ার
বিপক্ষে সবশেষ টেস্ট খেলেছেন মাসুদরা। এরপর লাল বলের ক্রিকেটে মাঠে নামা হয়নি। পাশাপাশি
সবশেষ তিনটি হোম সিরিজে অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে একটি টেস্টও
জিততে পারেনি পাকিস্তান। বিষয়গুলো বেশ ভাবাচ্ছে মাসুদকে।
পরিসংখ্যান ও সময়সীমা ছাড়া আরেকটি ভয়ে কাতর পাকিস্তানের অধিনায়ক।
ঘরের মাঠে সুবিধা নিতে বরাবর ব্যর্থ পাকিস্তান। বুধবার পিসিবি পডকাস্টে দলটির
অধিনায়ক দাবি করেছেন, ঘরের মাঠে খেলার কৌশল এখনও খুঁজে পাননি তারা। তিনি বলেছেন, ‘আমরা
২০১৯ সাল থেকে ঘরের মাঠে খেলছি, অন্য দলগুলো তো আরও বেশি সময় ধরে ঘরের মাঠে খেলছে।
নিজেদের মাঠে আমাদের কৌশল কী হবে, সেটা এখনও আমরা ঠিক করতে পারিনি।’
মাসুদ আরও বলেছেন, ‘ঘরের মাঠে ভিন্ন ভিন্ন দলের সঙ্গে ভিন্ন ভিন্ন
সময়ে খেলেছি, আমরা এখনও নিজেদের সেরা কৌশল খুঁজে নিতে পারিনি, যে কৌশল আমাদের ব্যাটিং,
বোলিং ও আমাদের খেলার ধরনের সঙ্গে যায়।’ তবে তিনি আশাবাদী খুব অল্প সময়ের মধ্যে কৌশল
খুঁজে বের করবেন। বলেছেন, ‘এই কৌশলটা আমাদের খুব দ্রুতই খুঁজে বের করতে হবে। দল হিসেবে
জিতব কীভাবে, সেটা জানতে হবে। কোন কন্ডিশনে আমাদের সঙ্গে বেশি মানানসই; কীভাবে শুধু
লড়াই করার চিন্তা নয়, প্রতিপক্ষের বিপক্ষে আমরা চালকের আসনে বসতে পারব, সেটা ভাবতে
হবে।’
বাংলাদেশ সিরিজ কোচ গিলেস্পির প্রথম অ্যাসাইনমেন্ট। প্রথম সিরিজেই
উপযুক্ত ফল আসবে, এমন আত্মবিশ্বাস অস্ট্রেলিয়ার সাবেক পেসারের। তিনি মনে করেন, বাংলাদেশের
বিপক্ষে জয়ের সব সামর্থ্য আছে পাকিস্তানের। বলেছেন, ‘আমাদের দল সব বিভাগেই দারুণ। পেস
বোলিং, স্লোয়ার বোলিং কিংবা বাউন্সি উইকেট, যেখানে পেসাররা সহায়তা পায় বা ধীরগতির উইকেট,
সবখানেই। আমাদের নমনীয় ও মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা থাকতে হবে। আমরা কীভাবে খেলতে চাই তার
একটা পরিকল্পনা নিশ্চিতভাবে দ্রুতই পেয়ে যাব।’