প্যারিস অলিম্পিক
প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১০ আগস্ট ২০২৪ ০৯:৫৯ এএম
আপডেট : ১০ আগস্ট ২০২৪ ১০:৪৭ এএম
পিএসজির ঘরের মাঠে শুক্রবার রাতের ফাইনালে ফ্রান্সকে ৫-৩ গোলে হারিয়েছে স্পেন। সংগৃহীত ছবি
শুরুতে পিছিয়ে পড়ার ধাক্কা দ্রুতই সামলে ওঠে স্পেন। ১৮ থেকে ২৮Ñএ ১০ মিনিটের মধ্যে ফ্রান্সের জালে ৩ গোল দিয়ে চালকের আসনে বসে স্পেন। তবে হাল ছাড়ল না ফরাসিরা। খেলার একদম শেষ দিকে জোড়া গোলে সমতা টেনে ম্যাচ নিয়ে যায় অতিরিক্ত সময়ে। সেখানে আর পেরে ওঠেনি থিয়েরি হেনরির দল। রোমাঞ্চকর ৮ গোলের লড়াইয়ের পর ফরাসিদের কাঁদিয়ে প্যারিস অলিম্পিকের ফুটবল ইভেন্টে পুরুষ বিভাগে সোনা জিতল স্প্যানিয়ার্ডরা। তাতে ৩২ বছর পর অলিম্পিকের ফুটবল ডিসিপ্লিনের পুরুষ বিভাগে সোনা জিতল স্পেন।
পিএসজির ঘরের মাঠে শুক্রবার রাতের ফাইনালে ফ্রান্সকে ৫-৩ গোলে হারিয়েছে স্পেন। এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো অলিম্পিকের ছেলেদের ফুটবলে সোনা জিতল স্পেন। প্রথমবার জিতেছিল ১৯৯২ সালে। ২০২০ আসরসহ তিনবার ফাইনালে হেরে রুপা নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয় তাদের। এদিকে সোনা জয়ের অপেক্ষা আরও দীর্ঘায়িত করল ফ্রান্স। এ ইভেন্টে তাদের সর্বশেষ সোনা জয় এসেছিল ১৯৮৪ সালে।
এক মাসের কম সময়ের মধ্যে দুটি বড় সাফল্য পেল স্পেন। গত মাসে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ঘরে তোলে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা। অলিম্পিকে অবশ্য অংশ নেয় অনূর্ধ্ব-২৩ দল, বেশি বয়সি তিনজন খেলার সুযোগ পান এ দলে। ফাইনালের প্রথমার্ধে স্পেনের হয়ে জোড়া গোল করেন বার্সেলোনার ২১ বছর বয়সি মিডফিল্ডার ফের্মিন লোপেস। অতিরিক্ত সময়ের ২টি গোলই করেন সার্জিও কামেয়ো। ছয় ম্যাচে আসরের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৬ গোলের পাশাপাশি একটি অ্যাসিস্ট করে দলের সাফল্যে অগ্রণী ভূমিকা রাখেন ফের্মিন।
একাদশ মিনিটে এনজু মিইয়োর গোলে এগিয়ে যায় ফ্রান্স। সমতায় ফিরতে বেশি সময় লাগেনি স্পেনের। অষ্টাদশ মিনিটে গোলটি করেন ফের্মিন। সাত মিনিট পর নিজের দ্বিতীয় গোলে দলকে এগিয়ে নেন তিনি। ২৮ মিনিটে ২৫ গজ দূর থেকে ফ্রি-কিকে ব্যবধান আরও বাড়ান আলেক্স বায়েনা।
৩-১ গোলের ওই ব্যবধান ধরে রেখে জয়ের পথেই ছিল স্পেন। কিন্তু ৭৯তম মিনিটে মাঘনেস আকলিওচে ব্যবধান কমানোর পর পাঁচ মিনিট যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে পেনাল্টি থেকে স্কোরলাইন ৩-৩ করেন ফ্রান্সের জ্যা-ফিলিপে মাতেতা। নকআউট পর্বের আগের দুই ম্যাচেও গোল পেয়েছিলেন ক্রিস্টাল প্যালেসের এ তারকা ফরোয়ার্ড। যোগ করা সময়ের শেষ দিকে স্পেনের একটি প্রচেষ্টা বাধা পায় ক্রসবারে।
ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে গড়ালে ১০০ মিনিটে স্পেনকে ফের এগিয়ে নেন বদলি নামা কামেয়ো। শেষ সময়ে ব্যবধান বাড়িয়ে জয় নিশ্চিত করেন তিনি।
আগের দিন মিসরকে ৬-০ গোলে হারিয়ে এ ইভেন্টের ব্রোঞ্জ জেতে মরক্কো।