সাংবাদিকদের নির্বাচক রাজ্জাক
প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৯ আগস্ট ২০২৪ ২১:৩০ পিএম
নির্বাচক রাজ্জাকের মতে পাকিস্তান সফরে এ দল ভালো কিছু আনবে— সংগৃহীত ছবি
জাতীয় দলের পাইপলাইনে থাকা ক্রিকেটারদের নিয়ে বড় পরিকল্পনা বিসিবির। টানা দুই বিশ্বকাপে ব্যর্থ হওয়ার পর ক্রিকেটারদের ভিত শক্তিশালী করার দিকে নজর দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। তারই অংশ হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় আছে বিসিবির হাই পারফরম্যান্স ইউনিট (এইচপি)। গতকাল শুক্রবার সকালে পাকিস্তানের উদ্দেশে দেশ ছেড়েছে বাংলাদেশ ‘এ’ দল। ১৬ আগস্ট পাকিস্তানে যাওয়ার কথা বাংলাদেশ জাতীয় দলেরও। দেশে রাজনৈতিক সংকট চললেও ক্রিকেট নিজের নিয়মে চলছে বলে আশ্বস্ত করেছেন বিসিবির নির্বাচক আব্দুর রাজ্জাক।
ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের মুখে কদিন আগে দেশ ত্যাগ করেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগ সরকারের ক্ষমতার পালাবদলে কথা ওঠে দেশের ক্রীড়াঙ্গন নিয়েও। তবে ড. মোহাম্মদ ইউনূসের অধীনে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আসায় চ্যালেঞ্জ আপাতত নেই। বিসিবি নির্বাচক রাজ্জাকের মতে, রাজনৈতিক কোনো প্রভাব ক্রিকেটে পড়বে না।
বিমানবন্দরে আজ দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্জাক বলেছেন, ‘এখন খুব একটা বাজে অবস্থায় নাই দেশের পরিস্থিতি। একটা অশান্তি ছিল দেখে আমাদের খেলা কিছুটা পিছিয়েছে। সাধারণত রাজনৈতিক কোনো প্রভাব আমাদের ক্রিকেটে পড়ে না। ক্রিকেট ক্রিকেটের গতিতে এগিয়ে যায়।’
গত ৬ আগস্ট পাকিস্তান সফরে যাওয়ার কথা ছিল ‘এ’ দলের। তবে দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক না থাকায় নির্দিষ্ট সময়ে যেতে পারেননি ক্রিকেটাররা। তিন দিন পিছিয়ে গতকাল দেশ ছাড়ে দল। পাকিস্তানে এখন দুই দিন অনুশীলন করবে মুশফিকুর-মুমিনুলরা। এরপর ১৩ আগস্ট পাকিস্তান শাহিনসের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট। এরপর ২০ আগস্ট থেকে দ্বিতীয় টেস্ট। পাকিস্তানের বিপক্ষে চার দিনের দুটি টেস্ট ছাড়াও সফরে আছে তিনটি ওয়ানডে ম্যাচ। এরপর বাংলাদেশ জাতীয় দলও সেখানে দুটি টেস্ট খেলবে।
আব্দুর রাজ্জাক মনে করেন মূল দলের আগে পাকিস্তানের কন্ডিশনে ‘এ’ দলের যাওয়াটা, অনেক বড় সুযোগ, ‘খুবই বড় সুযোগ বাংলাদেশের দলের জন্য। সবচেয়ে বড় ব্যাপার হলো, যেখানে জাতীয় দল খেলতে যাবে, সেখানে ‘এ’ দল আগে যাচ্ছে। যেটা আমরা সাধারণত ভারতীয় দলের ক্ষেত্রে দেখি। যখনই যেকোনো দেশে জাতীয় দল যায়, ওরা আগে ‘এ’ দলটা পাঠিয়ে দেয়। কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া বা যদি এমন কেউ থাকে অনুশীলন করিয়ে নেওয়ার মতো, সেটা করা যায়। আমরাও এমন কিছুই করার চেষ্টা করছি।’
দেশের সাম্প্রতিক অস্থির অবস্থা এবং অনুশীলন আর ভ্রমণে বাধা আসার পর পাকিস্তানে কেমন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে বাংলাদেশ দল। টাইগারদের সাবেক ক্রিকেটার অবশ্য চ্যালেঞ্জকে আলাদা কিছু ভাবছেন না, ‘আমাদের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ বলে কিছু নেই। প্রতিটি দিনই চ্যালেঞ্জিং। প্রতিটি সিরিজ, প্রতিটি খেলা আমাদের নতুনভাবে শুরু করতে হয়। আমি মনে করি, সবকিছুই চ্যালেঞ্জিং। অনেক ছেলের জন্য পাকিস্তানের কন্ডিশনটা নতুন হবে। যারা আপকামিং, তাদের জন্য প্রতিটি কন্ডিশনে পরীক্ষা দেওয়াটাই আমাদের মূল লক্ষ্য আসলে।’