খুনিয়াপালংয়ে সেন্টার অব এক্সিলেন্স
প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৯ জুলাই ২০২৪ ২১:৫৪ পিএম
আপডেট : ২৯ জুলাই ২০২৪ ২২:২৬ পিএম
পর্যটন নগরী কক্সবাজারের রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নে হচ্ছে ফিফার অর্থায়নে ‘বাফুফে সেন্টার অব এক্সিলেন্স’। এর জন্য গত বছরই পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ২০ একর বরাদ্দ জমির দলিল হস্তান্তর করা হয় বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) কাছে। এবার কার্যক্রম আরও এক ধাপ এগিয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রদত্ত ইএসআই (ইনভায়রনমেন্ট সোশ্যাল ইম্প্যাক্ট অ্যানালাইসিস) রিপোর্ট ফিফার কাছে বাফুফে পাঠিয়েছে বলে জানিয়েছেন ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন তুষার। এ বছরের আগস্টের শেষ নাগাদ ফিফার নির্দেশনা মিললেই কাজ শুরু করে দেবে বাফুফে।
বাফুফের সেন্টার ফর এক্সিলেন্সের প্রক্রিয়া শুরু হয় ২০২২ সালে। ফিফা থেকে বাফুফে বরাদ্দ পাচ্ছে ৩ দশমিক ৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এরপর ফিফা জানিয়েছিল ইএসআই রিপোর্ট জমা দিতে। সেটি ইতোমধ্যে পাঠিয়েছে ফেডারেশন। সোমবার বাফুফে ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তুষার বলেন, ‘আমরা ফিফার নির্দেশনা মতো এগিয়েছি। ইতোমধ্যে তাদের চাওয়া মতে, ইএসআই রিপোর্ট পাঠিয়েছি। এখন ফিফা ‘গো অ্যাহেড’ বললেই আমরা কাজ শুরু করব। এ ছাড়া আমাদের প্রতি ফিফার আরও কিছু নির্দেশনা আছে ২০ একর জমির মধ্যেই সবকিছু করতে হবে। বাইরের ৫০০ মিটার এরিয়ার মধ্যে কোনো স্থাপনা করা যাবে না। যত গাছ কাটা যাবে সেটা হিসাব করে বাইরের এরিয়াতে লাগাতে হবে। ওই এলাকায় মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দেওয়াসহ আরও কিছু নির্দেশনা আছে। পরবর্তীতে কনসালটেন্ট নিয়োগের মাধ্যমে আমরা সবকিছু শুরু করব। প্রকল্প বরাদ্দ পেলেই কাজ শুরু হবে।’
পর্যটক আকর্ষণ বাড়াতে বাফুফে সেন্টার অব এক্সিলেন্সে থাকবে আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসংবলিত স্টেডিয়াম ও ট্রেনিং সেন্টার। বাফুফের এই প্রকল্পে বিশেষ করে থাকবে তিনটি মাঠ। এ প্রতিষ্ঠানে থাকবে জাতীয় ফুটবল দলসহ বিভিন্ন বয়সভিত্তিক খেলোয়াড়দের অনুশীলনের আবাসিক ব্যবস্থা।