এশিয়া কাপ
প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৬ জুলাই ২০২৪ ১৭:০৪ পিএম
আপডেট : ২৬ জুলাই ২০২৪ ১৯:৫৯ পিএম
ব্যাটিংয়ে খুব ভালো যায়নি জ্যোতিদের দিন, হারটাও এসেছে দিনশেষে— গেটি ইমেজেস
ব্যাটে আসেনি বড় স্কোর, বোলিংয়েও ভারতকে টেক্কা দিতে পারেনি বাংলাদেশের মেয়েরা। অল্প পুজি নিয়ে লড়া সেমিফাইনালে তাই এসেছে ১০ উইকেটের বড় হার। এশিয়া কাপের টি-টোয়েন্টিতে শেষ চারেই থামতে হয়েছে নিগার সুলতানা জ্যোতিদের। ফাইনালের টিকিট আরেকবার পেয়েছে ভারত।
শ্রীলঙ্কার ডাম্বুলায় প্রথমে ব্যাট করে বেশ ভুগেছে টাইগ্রেস ব্যাটাররা। দলের দুজন ব্যাটার ছুঁতে পেরেছে দুই অঙ্ক। বাকিদের আসা-যাওয়ার দিনে ৮ উইকেট হারিয়ে জমা পড়ে ৮০ রান। হারমনপ্রিত কৌরের দল সেটি টপকে যায় ৫৪ বল হাতে রেখে। ভারত হারায়নি একটি উইকেটও। আজ শুক্রবার অন্য সেমিতে নিশ্চিত হবে ভারতের প্রতিপক্ষ। সন্ধ্যায় পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলবে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা।
রণগিরি ডাম্বুলা ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে লড়াইও জমাতে পারেনি জ্যোতিরা। পুরোনো সেই ব্যাটিং সমস্যা সামনে এসেছে আরেকবার। টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামা টাইগ্রেসদের ওপেনিং জুটি ভাঙে প্রথম ওভারেই। পাওয়ার প্লেতে হারায় আরও তিন উইকেট। এরপর আর ঘুরে দাড়াতে পারেনি বাংলাদেশ। অধিনায়ক জ্যোতি ৩২ এবং আটে নামা সর্না আক্তারের ১৯ রানে দলীয় পঞ্চাশ রান পার করে টাইগ্রেসরা।
ম্যাচ শেষে টপ অর্ডার ব্যাটারদের সমালোচনা করেন জ্যোতি। একই সঙ্গে বিশ্বকাপের আগে নিজেদের ব্যাটিং ধ্বসের ঘাটতি কাটিয়ে ওঠার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন অধিনায়ক, ‘পাওয়ার প্লেতে অনেক উইকেট হারানো কষ্টের। টপ অর্ডার ব্যর্থ হলে, স্কোরবোর্ডে রান জমা করা কঠিন হয়ে পড়ে। বিষয়টি পুরোটাই মানসিকতার। তারা শট খেলতে পারে, কিন্তু ভারতের বিপক্ষে উল্টোটি হচ্ছে। ব্যাটিং নিয়ে আমাদের কাজ করা উচিত, কারণ তারাই ম্যাচ হারাচ্ছে। বিশ্বকাপের আগে আমরা চেষ্টা করব এবং সমস্যা খুঁজে বের করব।’
ফাইনালের টিকিট কাটতে শতরানের কম লক্ষ্যকে মামুলি বানিয়ে ফেলেন স্মৃতি মান্ধানা। তার ব্যাটে আসে ৫৫ রান। ৩৯ বলে ৯ চার ও এক ছক্কায় ইনিংস সাজান এই বাহাতি। ভারতের অন্য ওপেনার সেফালি ভার্মা অপরাজিত থাকেন ২৬ রানে। ৩ ওভারে ৩৪ রান খরচ করে দিনের সবচেয়ে খরুচে বোলার হন নাহিদা আক্তার। এরআগে, বাংলাদেশের ইনিংস ধ্বসিয়ে দেওয়া রেনুকা সিং ১০ রানের বিনিময়ে নেন ৩ উইকেট। ডানহাতি এই পেসার হয়েছেন ম্যাচের সেরাও। আরেকটি ফাইনাল নিশ্চিতের পর ভারতের অধিনায়ক হারমনপ্রিতও তাই বোলাদের স্তুতি গেয়েছেন।
ফাইনালে প্রতিপক্ষ কে হচ্ছে, তা নিয়েও চিন্তিত নয় ভারতের অধিনায়ক, ‘ধারাবাহিকতা খুব গুরুত্বপূর্ণ। আমরা ভালোটা ধরে রাখতে চাই। (পাকিস্তান বা শ্রীলঙ্কা) যে দলই আসুক, আমরা দেখব এবং ফাইনালে সেরা প্রস্তুতি নিয়েই খেলব।’
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
বাংলাদেশ: ২০ ওভারে ৮০/৮ (দিলারা ৬, মুর্শিদা ৪, নিগার ৩২, স্বর্ণা ১৯*; রেনুকা ১০/৩, রাধা ১৪/৩)।
ভারত: ১১ ওভারে ৮৩/০ (শেফালি ২৬*, স্মৃতি ৫৫*; মারুফা ১৭/০, নাহিদা ৩৪/০, জাহানারা ১৭/০)।
ফল: ভারত ১০ উইকেটে জয়ী।