ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নশিপ
প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১০ জুলাই ২০২৪ ০৪:০০ এএম
আপডেট : ১০ জুলাই ২০২৪ ১১:০৬ এএম
স্পেনের ফাইনালে ওঠার দুই নায়ক এক ফ্রেমে। সংগৃহীত ছবি
পুরোটা সময় মাঠে দৌড়ালেন কিলিয়ান এমবাপে, স্পেনের বিপক্ষে সুযোগও পেয়েছিলেন। কিন্তু ভাঙতে পারেননি স্প্যানিশ রক্ষণ। কোলো মুয়ানির শুরুর গোলে গোলখরা কাটানো ফ্রান্সের সেটিই হয়ে থাকে ইউরোতে একমাত্র ফেয়ার গোল। ইউরোপের শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে গোল শোধ দেওয়ার প্রথমার্ধেই নিজেদের এগিয়ে নেয় স্পেন। নিশ্চিত করে ফাইনালের টিকিটও।
জার্মানির মিউনিখে ফ্রান্সকে বুধবার রাতে ২-১ গোলে হারায় স্পেন। ম্যাচে বল দখল, গোলে শট, আক্রমণ কিংবা প্রতি আক্রমণ—সব বিভাগে প্রায় সমানে সমান লড়ে যাওয়া দিদিয়ের দেশমের দল গোলটাই পায়নি যা। বিপরীতে দুবার তাদের জালে বল জড়িয়ে যায়। মুয়ানির গোল ২১ মিনিটে রেকর্ড গড়ে শোধ দেন লামিনে ইয়ামাল। এর পরে জয়সূচক গোলটি খেলার ২৫ মিনিটেই করেন দানি ওলমো।

মিউনিখে অবশ্য এদিন দারুণ শুরু করেছিল ফ্রান্স। মাত্র ৮ মিনিটের মাথায় গোল পেয়ে গিয়েছিল। এমবাপের ক্রস থেকে দুর্দান্ত হেডে গোল করেন মুয়ানি। কিন্তু লিড ধরে রাখতে কিংবা বাড়াতে পারেনি ফরাসিরা। উল্টাপাল্টা আক্রমণে ২১ মিনিটেই সমতায় ফেরে স্পেন।
আলভারো মোরাতার অ্যাসিস্ট থেকে ফরাসিদের জালে কম্পন ধরিয়ে দেন ১৭ বছর বয়সি ইয়ামাল। ইউরো ও বিশ্বকাপ মিলিয়ে সবচেয়ে কম বয়সি ফুটবলার হিসেবে গোল করার রেকর্ডটা নিজের করে নেন ইয়ামাল। ১৬ বছর ৩৬২ দিন বয়সে গোল করেন ইয়ামাল। এর আগে ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি ফুটবলার পেলে বিশ্বকাপে ১৭ বছর ২৩৯ দিন বয়সে গোল করেছিলেন।

সমতায় ফেরার ৪ মিনিট পরই আবার গোল করে স্প্যানিশরা। বক্সের মাঝখান থেকে দুই ফরাসি ডিফেন্ডারের মাঝ দিয়ে শট নিয়ে লক্ষ্য ভেদ করেন ওলমো। বিরতির আগে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে থাকা লুইস ডি লা ফুয়েন্তের দল দ্বিতীয়ার্ধে খেলে রক্ষণাত্মক ফুটবল। গোল করার সুযোগ আসে, ফরাসিরা গোলমুখে শটও রাখে; কিন্তু স্প্যানিশ রক্ষণ ভেদ করলেও ঢাল হয়ে থাকা গোলরক্ষক উনাই সিমন পরাস্ত হননি।
এমবাপে, মুয়ানি এবং শেষ দিকে নামা আঁতোয়ান গ্রিজমানও আক্ষেপ বাড়িয়েছেন শুধু। ফল প্রথমার্ধের ২-১ ব্যবধানেই সমাধা হয়েছে। স্পেন এখন বার্লিনের পথে উড়বে, তারা অপেক্ষায় থাকবে নেদারল্যান্ডস কিংবা ইংল্যান্ডের। আগামীকাল ডর্টমুন্ডে যারা জিতবে তারা পাবে ১৫ তারিখের ফাইনাল মহারণের টিকিট।