প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৫ জুলাই ২০২৪ ১৯:৪২ পিএম
আপডেট : ০৫ জুলাই ২০২৪ ২০:৪৩ পিএম
বাংলাদেশ ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় সাফল্য ২০২০ সালের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জয়। যুব বিশ্বকাপজয়ী সেই দলের প্রধান কোচ ছিলেন নাভিদ নেওয়াজ। দলকে চ্যাম্পিয়ন করার পর নিজ দেশ শ্রীলঙ্কা জাতীয় দলের দায়িত্ব নিয়েছিলেন। আরেকটি বিশ্বকাপ মাথায় রেখে নাভিদকে ফের অনূর্ধ্ব-১৯ দলের কোচ হিসেবে ফিরিয়ে এনেছে বিসিবি। তবে আরেকবার বিশ্বকাপ জেতার নিশ্চয়তা দিতে চান না নাভিদ। কিন্তু বিশ্বকাপ জেতার জন্য অন্তত শতভাগ প্রস্তুতির নিশ্চয়তা চান লঙ্কান এই কোচ।
শুক্রবার (৫ জুলাই) বিসিবির প্রকাশিত
ভিডিওতে যুব দলের লঙ্কান এই কোচ বলেন, ‘এই স্কোয়াডে অনেক মেধাবীরা আছে। মাত্র ওদের
নিয়ে কাজ শুরু করলাম। আগামী ৩ সপ্তাহ আমরা বিকেএসপিতে ক্যাম্প করব। কিছু ম্যাচও খেলব
এবং আমাদের সেরা খেলোয়াড়দের বেছে নেওয়ার চেষ্টা করব। এটা চ্যালেঞ্জের পাশাপাশি ছেলেদের
জন্য বড় সুযোগ হতে যাচ্ছে। এখানকার বেশিরভাগ ছেলেই কয়েক বছর তরুণদের লিগে খেলেছে, সেখানে
ভালোও করেছে। সেরা খেলোয়াড়দের বেছে নেওয়ার সুবর্ণ এক সুযোগ।’
বিশ্বকাপজয়ী সেই দলের সদস্য শরিফুল ইসলাম, তাওহিদ হৃদয়রা এখন হাল ধরেছেন জাতীয় দলের। সেই দলের মতো এখনকার দলও যেন একসঙ্গে অনেক দিন অনেক ধরনের কন্ডিশনে খেলতে পারে, সেদিকে মনোযোগ দিতে চান কোচ, ‘সেই বিশ্বকাপের পর অনেক দিন চলে গেছে। ছেলেরা যদি বিভিন্ন ধরনের কন্ডিশনে খেলার সুযোগ পায়, ২ বছর যদি ছেলেরা নিজেদের নিংড়ে দেয়, যদিও এই ছেলেরা কখনও দেশের বাইরে খেলেনি। আমাদের তাই তাদের গড়ে তুলতে হবে। শুধু তাদের খেলা নয়; তাদের ব্যক্তি হিসেবেও গড়ে তুলতে হবে। আমরা বিশ্বকাপ জিতব এটা বলাও ঠিক নয়। এখানে আসল কাজ হলো দলটাকে গড়ে তোলা। আমরা জানি, বিশ্বকাপে লড়তে হলে কী কী উন্নতি দরকার। বড় দলকে চ্যালেঞ্জ জানানোর মতো গুণ আমরা অর্জন করতে চাই।’
কোচের চাওয়া অনুযায়ী বোর্ডও বিভিন্ন
ভেন্যুতে সিরিজ আয়োজনে প্রস্তুত রয়েছে বলে জানালেন নাভিদ, ‘বিসিবি বিশ্বকাপের আগে বিশ্বের
বিভিন্ন জায়গায় সিরিজ আয়োজনের ভাবনা রেখেছে। তবে যে কন্ডিশনেই খেলা হোক না কেন, এটা
খেলোয়াড়ের দায়িত্ব সে যাতে যেকোনো কন্ডিশনে মানিয়ে নেয়। আগামী ১৮ মাসে সেরা প্রস্তুতিটাই
আমরা নিতে চাই। যাতে মানিয়ে নেওয়ার সামর্থ্য অর্জন করে। ছেলেদের যাতে মনে না হয় আমরা
শুধু বাংলাদেশেই খেলেছি। আমরা নিশ্চিত করতে চাই দেশের বাইরেও আমরা যথেষ্ট ক্রিকেট খেলছি।
২০২৫ এর শেষ দিকে আমরা যেন বিশ্বের যেকোনো দলের বিপক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ার মতো
দলে পরিণত হই।’