টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ
প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ৩০ জুন ২০২৪ ২০:৩৯ পিএম
আপডেট : ৩০ জুন ২০২৪ ২১:২৯ পিএম
এ মুহূর্তে পৃথিবীর অন্যতম
সুখী ভারতের ক্রিকেটাররা। ১১ বছরের প্যারা ২০২৪ সালে কাটাল রোহিত শর্মা ব্রিগেড। শনিবার (২৯ জুন) ব্রিজটাউনের কিনসিংটন ওভালে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৭ রানে হারিয়েছে ব্লুজরা। অপরাজিত
চ্যাম্পিয়ন হিসেবে রেকর্ডের পাশাপাশি অধিনায়ক হিসেবেও খেরোখাতায় নাম লেখালেন রোহিত।
আসরজুড়ে ব্যাটিং নৈপুণ্যতা ছাড়াও ফ্রন্ট লাইনের যোদ্ধা ছিলেন হিটম্যান। তাতেই ক্রিকেট বিষয়ক
ওয়েবসাইট ইএসপিএন ক্রিকইনফোর সেরা একাদশে অধিনায়কের মর্যাদা পেয়েছেন। যেখানে পাঁচজনই
ভারতের। নেই সাবেক অধিনায়ক বিরাট কোহলি।
আসরজুড়ে ব্যাট হাতে দুর্দান্ত
ছিলেন রোহিত। দেড়শ ঊর্ধ্ব স্ট্রাইক রেটে তার রান ২৫৭। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে রোহিতের
৯২ রানের ইনিংস আসরের একক তৃতীয় সর্বোচ্চ। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে অপরাজিত ৬৮ এবং ইংল্যান্ডের
বিপক্ষে ৫৭ রানের ইনিংস দলকে শিরোপা জেতাতে সাহায্য করে। আসরে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্কোরারও
তিনি।
ওপেনিংয়ে রোহিত শর্মার সঙ্গে
ক্রিকইনফোর পছন্দ আফগানিস্তানের রহমানউল্লাহ গুরবাজ। নবম বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ স্কোরার
এই ব্যাটার। ২৮১ রান করেছেন ১২৪ স্ট্রাইক রেটে। ভারতের অধিনায়কের মতো তিনিও আটলান্টিক
পারের টুর্নামেন্টে তিনবার পঞ্চাশ ঊর্ধ্ব স্কোর করেন।
ওয়ানডাউনে আছেন নিকোলাস পুরান।
২২৮ রান করা পুরান আফগানদের বিপক্ষে খেলেছেন ৯৮ রানের ইনিংস। আসরে অন্যতম সেরা ইনিংস
এটি। চারের স্থানটি ভারতের সূর্যকুমার যাদবের। আসরে খুব একটা সুবিধা না করতে পারলেও
যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ২৮ বলে ৫৩ এবং ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পঞ্চাশ ছোঁয়া ইনিংস বেশ
প্রশংসার দাবিদার। কুড়ি কুড়ির টুর্নামেন্টে ১৯৯ রান করেন তিনি। মিডল অর্ডার এবং উইকেটরক্ষক
হিসেবে আছেন হেনরিখ ক্লাসেন। প্রোটিয়া ব্যাটার ফাইনাল মঞ্চেও ৫২ রানের ইনিংস খেলেছেন।
তার কার্যকর ব্যাটিংয়ের পরও তীরে গিয়ে তরি ডোবায় এইডেন মার্করামরা।
টেলারএন্ডে অন্যতম ভরসা পেস
অলরাউন্ডার মার্কুস স্টয়নিস ও হার্দিক পান্ডিয়া। স্পিন অলরাউন্ডার হিসেবে আছেন অক্ষর
প্যাটেল। পেস ইউনিটের দায়িত্বে জসপ্রিত বুমরা। বিশ্বকাপের
সেরা সংগ্রাহকের সঙ্গী স্বদেশি আরশদীপ সিং। আছেন দক্ষিণ আফ্রিকার তাবরাইজ শামসিও।
অজি পেসার স্টয়নিস ১৬৯ রানের
পাশাপাশি ১০ উইকেট শিকার করেন। ব্যাট-বলে অনবদ্য ছিলেন হার্দিক। ভারতের সহ-অধিনায়ক
১১ উইকেট তোলেন। ১৫২ স্ট্রাইক রেটে তার রান ১৪৪। প্যাটেল ব্যাট হাতে খুব একটা সুবিধা
না করতে পারলেও বল হাতে দুর্দান্ত। কন্ডিশন কাজে লাগিয়ে ঘূর্ণিজাদুতে আটকেছেন প্রতিপক্ষকে।
ফজল হক ফারুকির সঙ্গে টুর্নামেন্টে
যৌথভাবে শীর্ষ বোলার আরশদীপ। ১৭টি করে উইকেট তাদের। বুমরার উইকেট ১৫টি। ইমফেক্ট বিবেচনায়
আসর সেরা নির্বাচিত হন তিনি। চার-ছক্কার মেলায় পাওয়ার প্লেতে মাত্র ৪.৭ রেটে রান খরচা
করেছেন বুমরা। ভারতের শিরোপা জয়ের অন্যতম কান্ডারি তিনি।
ক্রিকইনফোর একাদশ : রোহিত
শর্মা, রহমানউল্লাহ গুরবাজ, নিকোলাস পুরান, সূর্যকুমার যাবদ, হেনরিখ ক্লাসেন, মার্কুস
স্টয়নিস, হার্দিক পান্ডিয়া, অক্ষর প্যাটেল, আশদীপ সিং, জাসপ্রিত বুমরা ও তাবরাইজ শামসি।